Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

শান্তিনিকেতনে দেদার ‘পলাশ’ নিধন, ক্ষোভ

শান্তিনিকেতনে দেদার ‘পলাশ’ নিধন, ক্ষোভ
  • ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, বোলপুর: ঋতুরাজ বসন্ত আসতেই নানা রঙে সেজে উঠেছে শান্তিনিকেতনের প্রকৃতি। চারিদিকে পলাশ, শিমুল, বকুল, আমের মুকুল– প্রকৃতির শোভা কয়েকগুণ বেড়িয়েছে। কিন্তু, সামান্য কিছু টাকার জন্য সেই প্রকৃতির উপর নির্মম অত্যাচার চালানো হচ্ছে। যথেচ্ছভাবে শুরু হয়েছে পলাশ ‘নিধন’। গাছের ডাল ভেঙে ফুল সংগ্রহ করে রমরমিয়ে বিক্রি হচ্ছে পলাশ ফুলের মালা। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, সেই মালা কিনছেন বাইরে থেকে আগত পর্যটকরা। পুলিস বা বনদপ্তর নিয়মিত অভিযান চালালে এই ধরনের অপকর্ম ঠেকানো যায়। কিন্তু, তাদের নজরদারির অভাবে বসন্ত উৎসবের আগেই শেষ হতে বসেছে বসন্তের প্রতীক পলাশ ফুল। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশ্বভারতীর ছাত্রছাত্রী প্রাক্তনী তথা পরিবেশপ্রেমীরা। রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে এই মুহূর্তে শান্তিনিকেতন অন্যতম বড় নাম। প্রায় সারা বছরই দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় চোখে পড়ে। তবে বসন্তকাল আসতেই মনোরম প্রকৃতি উপভোগ করতে অনেকেই ছুটে আসেন রবি তীর্থে। সেখানে দেদার বিক্রি হচ্ছে পলাশ ফুলের মালা। তবে শান্তিনিকেতনে পলাশ ফুলের মালা বিক্রির ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। প্রতিবছরই নির্বিচারে পলাশের ডাল ভেঙে ফুল সংগ্রহ করে পর্যটকদের সামনে মালা নিয়ে উপস্থিত হয় স্থানীয় স্কুলবিমুখ কচিকাঁচা ও কিশোররা। ৩০ থেকে ৪০ টাকা দরে সেই মালা মুহূর্তেই বিক্রি হয়ে যায়। বোলপুরের বাসিন্দা বর্ষা রায়চৌধুরী ও কলাভবনের ছাত্রী সুস্বাগতা চট্টোপাধ্যায় বলেন, পলাশ ফুল যেভাবে নির্বিচারে নিধন করা হচ্ছে, তা অত্যন্ত অন্যায়। ফি বছর এই ধরনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। অবিলম্বে এর বিহিত হওয়া প্রয়োজন। বনদপ্তর ও প্রশাসন দ্রুত নজর না দিলে পলাশগাছগুলি অচিরেই ধ্বংস হয়ে যাবে। বনদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ অফিসার কেশব চক্রবর্তী বলেন, বিষয়টি নজরে এসেছে। শীঘ্রই অভিযান চালানো হবে।
Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ