সংবাদদাতা, পতিরাম: বালুরঘাট পুরসভার খিদিরপুরের পর এবার শ্মশান কালীবাড়িতেও বসতে চলেছে ইলেকট্রিক চুল্লি। প্রায় দেড় কোটি টাকার ডিপিআর তৈরি করেছে বালুরঘাট পুরসভা। রাজ্যের অনুমোদন মিললেই শুরু হয়ে যাবে ওই কাজ। বালুরঘাট পুরসভার খিদিরপুর শ্মশানে রয়েছে ইলেকট্রিক চুল্লি। ওই চুল্লি সম্প্রতি খারাপ হয়েছিল। তা পুনরায় মেরামত করা হয়েছে। ওই চুল্লির উপরে শহর তো বটেই, শহরের বাইরের নানা ব্লকের মানুষ ভরসা করেন। একটি চুল্লিতে চাপ সামাল দেওয়া মুশকিল হয়ে পড়ছে। তাই এবারে বিকল্প চুল্লি তৈরির ভাবনা পুরসভার।
Advertisement
বালুরঘাট পুরসভার ইলেকট্রিক বিভাগের এমসিআইসি বিপুলকান্তি ঘোষ বলেন, শহরে খিদিরপুর শ্মশানে ইলেকট্রিক চুল্লি রয়েছে। সেই চুল্লির মাধ্যমে শহর ও শহরের বাইরের মানুষকেও পরিষেবা দেওয়া হয়। তাই বালুরঘাটের শ্মশান কালীবাড়িতেও এবার ইলেকট্রিক চুল্লি বসানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ হয়েছে। ওই চুলির জন্য প্রায় দেড় কোটি টাকার ডিপিআর তৈরি হয়েছে। রাজ্যের তরফে ফান্ড এলেই কাজ শুরু হয়ে যাবে।
বালুরঘাট শহরে দু’টি বড় শ্মশান রয়েছে। একটি খিদিরপুর এবং আরেকটি বালুরঘাটের শ্মশান কালীবাড়ি এলাকায়। বিগত পুরবোর্ডের আমলে খিদিরপুরে ইলেকট্রিক চুল্লি বসানো হয়। তবে ওই চুল্লি ঘিরে নানা অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ইলেকট্রিক চুল্লি খারাপ ছিল। বর্তমান পুরবোর্ড ওই চুল্লিটি প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয় করে নতুন করে চালু করেছে।
মৃতদেহ সৎকারের চাপ এতটাই থাকে যে মাঝেমধ্যে চুল্লিটি বিকল হয়ে যায়। ফলে মৃতের পরিজনদের হয়রানি বাড়ে। তাই শ্মশান কালীবাড়ি বিকল্প ইলেকট্রিক চুল্লি তৈরির ভাবনা পুরসভার। বর্তমানে ওই শ্মশানে কাঠ দিয়েই দাহ করা হয়। ইলেকট্রিক চুল্লি বসলে বালুরঘাট শহর এবং আশপাশের অঞ্চলের মানুষের সুবিধা হবে।
বালুরঘাট শহরে দু’টি বড় শ্মশান রয়েছে। একটি খিদিরপুর এবং আরেকটি বালুরঘাটের শ্মশান কালীবাড়ি এলাকায়। বিগত পুরবোর্ডের আমলে খিদিরপুরে ইলেকট্রিক চুল্লি বসানো হয়। তবে ওই চুল্লি ঘিরে নানা অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ইলেকট্রিক চুল্লি খারাপ ছিল। বর্তমান পুরবোর্ড ওই চুল্লিটি প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয় করে নতুন করে চালু করেছে।
মৃতদেহ সৎকারের চাপ এতটাই থাকে যে মাঝেমধ্যে চুল্লিটি বিকল হয়ে যায়। ফলে মৃতের পরিজনদের হয়রানি বাড়ে। তাই শ্মশান কালীবাড়ি বিকল্প ইলেকট্রিক চুল্লি তৈরির ভাবনা পুরসভার। বর্তমানে ওই শ্মশানে কাঠ দিয়েই দাহ করা হয়। ইলেকট্রিক চুল্লি বসলে বালুরঘাট শহর এবং আশপাশের অঞ্চলের মানুষের সুবিধা হবে।



