সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: জঙ্গল লাগোয়া লোকালয়ে হামেশায় হাতি, বাইসন বা চিতাবাঘ ঢুকে পড়ে। এটা নতুন কোনও ঘটনা নয়। কিন্তু এবার গন্ডারও লোকালয়ে ঢুকে পড়ল। সোমবার ভোর থেকে আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের শিমলাবাড়ি এলাকায় দাপাল জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের চিলাপাতা জঙ্গলের একটি পূর্ণবয়স্ক গন্ডার। এলাকায় একশৃঙ্গ গন্ডার দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। গন্ডারটি কখনও এলাকার বাঁশঝাড়, তো কখনও ঝোপঝাড়ে লুকিয়ে থাকে। তবে কোনও ক্ষয়ক্ষতি করেনি। খবর পেয়ে বনকর্মীরা প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় গন্ডারটিকে জঙ্গলে পাঠাতে সক্ষম হন।
Advertisement
বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, শিমলাবাড়ির পাশেই আছে লাগোয়া কোচবিহার জেলার রসমতী বনাঞ্চল। একসময় চিলাপাতার গন্ডার শিমলাবাড়ি হয়ে কোচবিহারের রসমতী বনাঞ্চলের দিকে যেত। তাই শিমলাবাড়িকে গন্ডারদের করিডরও বলা হতো। স্থানীয় পাতলাখাওয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান মন্টু ওরাওঁ বলেন, আমাদের এলাকায় প্রায়ই হাতি, বাইসন ও চিতাবাঘ বের হয়। কিন্তু গন্ডার এই প্রথম দেখলাম। শুনেছি একসময় এই এলাকায় গন্ডারও আসত। নমিতা বর্মন বলেন, ঝুঁকি এড়াতে সবাই শিশুদের বাড়িতে ঢুকিয়ে রেখেছিলাম।
এদিন ভোরে আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের শিমলাবাড়ি এলাকায় ঢুকে পড়ে জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের চিলাপাতা জঙ্গলের একটি পূর্ণবয়স্ক গন্ডার। সর্বত্রই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভয়ে বাইরে কেউ বের হননি। খবর দেওয়া হয় জলদাপাড়ার কোদালবস্তি ও চিলাপাতা রেঞ্জের বনকর্মীদের। বনকর্মীরা দু’টি কুনকি হাতি নিয়ে গন্ডারটিকে জঙ্গলে ফেরানোর চেষ্টা শুরু করেন। কিন্তু উৎসাহী জনতার ভিড় বনকর্মীদের অপারেশনে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছিল। তাই জনতাকে সরাতে ও সতর্ক থাকতে বনদপ্তর এলাকায় মাইকিংও করে।
জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের সহকারী বন্যপ্রাণী সহায়ক নভজিৎ দে বলেন, গন্ডারটি শিমলাবাড়ি দিয়ে বিবাগী হয়ে রসমতীর দিকেই যাওয়ার পথে লোকালয়ে ঢুকে পড়েছিল বলে আমাদের মনে হচ্ছে। কিন্তু ভোরের কুয়াশার কারণে জঙ্গলে ফেরাতে অসুবিধার সন্মুখীন হতে হয় বনকর্মীদের। পটকাও ফাটানো হয়। শেষ পর্যন্ত দু’টি কুনকি হাতি দিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় শিলতোর্সা নদীর চর দিয়ে গন্ডারটিকে চিলাপাতার জঙ্গলে ফেরানো হয়।
জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের ডিএফও প্রবীণ কাসোয়ান বলেন, গন্ডারটি লোকালয়ে ঢুকে পড়লেও, এলাকায় কোনও ক্ষয়ক্ষতি করেনি।
এদিন ভোরে আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের শিমলাবাড়ি এলাকায় ঢুকে পড়ে জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের চিলাপাতা জঙ্গলের একটি পূর্ণবয়স্ক গন্ডার। সর্বত্রই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভয়ে বাইরে কেউ বের হননি। খবর দেওয়া হয় জলদাপাড়ার কোদালবস্তি ও চিলাপাতা রেঞ্জের বনকর্মীদের। বনকর্মীরা দু’টি কুনকি হাতি নিয়ে গন্ডারটিকে জঙ্গলে ফেরানোর চেষ্টা শুরু করেন। কিন্তু উৎসাহী জনতার ভিড় বনকর্মীদের অপারেশনে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছিল। তাই জনতাকে সরাতে ও সতর্ক থাকতে বনদপ্তর এলাকায় মাইকিংও করে।
জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের সহকারী বন্যপ্রাণী সহায়ক নভজিৎ দে বলেন, গন্ডারটি শিমলাবাড়ি দিয়ে বিবাগী হয়ে রসমতীর দিকেই যাওয়ার পথে লোকালয়ে ঢুকে পড়েছিল বলে আমাদের মনে হচ্ছে। কিন্তু ভোরের কুয়াশার কারণে জঙ্গলে ফেরাতে অসুবিধার সন্মুখীন হতে হয় বনকর্মীদের। পটকাও ফাটানো হয়। শেষ পর্যন্ত দু’টি কুনকি হাতি দিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় শিলতোর্সা নদীর চর দিয়ে গন্ডারটিকে চিলাপাতার জঙ্গলে ফেরানো হয়।
জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের ডিএফও প্রবীণ কাসোয়ান বলেন, গন্ডারটি লোকালয়ে ঢুকে পড়লেও, এলাকায় কোনও ক্ষয়ক্ষতি করেনি।



