নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: আগামী ২থেকে ২০ডিসেম্বর পূর্ব মেদিনীপুরে শিল্পের সমাধান ক্যাম্প হবে। ওই সময়সীমার মধ্যে জেলায় ২৫টি ব্লকে ছ’দিন ধরে আনন্দধারা ক্রেডিট ক্যাম্প হবে। সেখানে স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে মোট ৫০০কোটি টাকা ঋণদানের টার্গেট নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার তমলুকে জেলাশাসক অফিসে এনিয়ে উচ্চ পর্যায়ের একটি মিটিং হয়। সেখানে অতিরিক্ত জেলাশাসক(উন্নয়ন) নেহা বন্দ্যেপাধ্যায়, জেলা গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থার প্রকল্প অধিকর্তা সায়ন্তন বসু, ব্যাঙ্ক সমূহের লিড ডিস্ট্রিক্ট ম্যানেজার রাকেশ মিশ্র, নাবার্ডের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার পিঙ্কু দাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রতিটি ব্যাঙ্ক থেকেও প্রতিনিধিরা ছিলেন।
Advertisement
২০২৪-’২৫আর্থিক বছরে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে ৩০৩৭কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার টার্গেট বেঁধে দিয়েছে রাজ্য। এখনও পর্যন্ত ১৭৫০কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে। জেলায় ২২৩টি গ্রাম পঞ্চায়েতে সমসংখ্যক মহাসঙ্ঘ রয়েছে। ওই সব মহাসঙ্ঘের অধীনে প্রায় ৬০হাজার স্বনির্ভর গোষ্ঠী রয়েছে। আগামী ২থেকে ২০ডিসেম্বর পর্যন্ত আনন্দধারা ক্রেডিট ক্যাম্প তথা শিল্পের সমাধান কর্মসূচি চলাকালীন ৫০০কোটি টাকা ঋণদানের টার্গেট দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি মহাসঙ্ঘ যাতে ২কোটি ২৫লক্ষ টাকা ঋণ পায় সেটা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এছাড়াও ‘এন্টারপ্রাইজ ফাইনান্স’ ক্যাটাগরিতে স্বনির্ভর সদস্যাকে স্বনির্ভর হওয়ার জন্য এককভাবে ৭৫হাজার থেকে ১০লক্ষ টাকা পর্যন্ত লোন দেওয়া হয়। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ঋণ ১০জন সদস্যার মধ্যে ভাগ হয়। তাই মাথাপিছু ঋণের টাকা তুলনামূলক কম হয়। কিন্তু, গোষ্ঠীর কোনও সদস্যা এককভাবে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য এন্টারপ্রাইজ ফাইনান্স ক্যাটাগরিতে লোন পেতে পারেন। এজন্য তাঁকে স্কিম জমা করতে হয়। আনন্দধারা প্রকল্পের অধীনে বিত্তসখীরা গোটা কর্মকাণ্ড দেখভাল করেন। এন্টারপ্রাইজ ফাইনান্স ক্যাটাগরিতে লোনের জন্য প্রত্যেক বিত্তসখীকে ২৫জন করে গোষ্ঠীর সদস্যাকে চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ১৫টি গ্রামে জনসংখ্যা পাঁচ হাজার থেকে দশ হাজারের মধ্যে থাকলেও সেইসব গ্রামে ব্যাঙ্কের কোনও শাখা নেই। মিটিংয়ে উপস্থিত রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রতিনিধি ওই ১৫টি গ্রামের তালিকা ব্যাঙ্কের প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দিয়েছেন। নতুন ব্রাঞ্চ খোলার সময় ওই ১৫টি গ্রাম যাতে অগ্রাধিকার পায় সেবিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন। ওইসব গ্রামের মধ্যে নন্দকুমারের শ্রীধরপুর, ভগবানপুর-১ব্লকের নারায়ণদাঁড়ি, নন্দীগ্রাম-২ব্লকের আসদতলিয়া, কোলাঘাটের গোপালনগর, ময়নার কিয়ারানা প্রভৃতি রয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ব্যাঙ্কে জমা অর্থরাশির তুলনায় লোনদানের হার ৫২শতাংশ। এই জেলায় বিভিন্ন ব্যাঙ্কে মোট জমা ৩৭৫৪২কোটি ৮৩লক্ষ টাকা। যদিও লোন দেওয়া হয়েছে ১৯৬৩৯কোটি টাকা। ঋণদানের হার ৫২শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৬০শতাংশ করার জন্য অতিরিক্ত জেলাশাসক(উন্নয়ন) ব্যাঙ্ক প্রতিনিধিদের নির্দেশ দেন।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ১৫টি গ্রামে জনসংখ্যা পাঁচ হাজার থেকে দশ হাজারের মধ্যে থাকলেও সেইসব গ্রামে ব্যাঙ্কের কোনও শাখা নেই। মিটিংয়ে উপস্থিত রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রতিনিধি ওই ১৫টি গ্রামের তালিকা ব্যাঙ্কের প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দিয়েছেন। নতুন ব্রাঞ্চ খোলার সময় ওই ১৫টি গ্রাম যাতে অগ্রাধিকার পায় সেবিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন। ওইসব গ্রামের মধ্যে নন্দকুমারের শ্রীধরপুর, ভগবানপুর-১ব্লকের নারায়ণদাঁড়ি, নন্দীগ্রাম-২ব্লকের আসদতলিয়া, কোলাঘাটের গোপালনগর, ময়নার কিয়ারানা প্রভৃতি রয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ব্যাঙ্কে জমা অর্থরাশির তুলনায় লোনদানের হার ৫২শতাংশ। এই জেলায় বিভিন্ন ব্যাঙ্কে মোট জমা ৩৭৫৪২কোটি ৮৩লক্ষ টাকা। যদিও লোন দেওয়া হয়েছে ১৯৬৩৯কোটি টাকা। ঋণদানের হার ৫২শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৬০শতাংশ করার জন্য অতিরিক্ত জেলাশাসক(উন্নয়ন) ব্যাঙ্ক প্রতিনিধিদের নির্দেশ দেন।



