সুমন তেওয়ারি, আসানসোল: নিষিদ্ধপল্লির দালালের ছদ্মবেশেই কি বাংলাদেশের জেহাদিরা এপারে গা ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা করছে? শেল্টার খুঁজছে নিষিদ্ধপল্লিতেই। আসানসোল, দুর্গাপুরের নিষিদ্ধপল্লির সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ যোগ সেই সম্ভাবনাকেই উজ্জ্বল করেছে। তবে জেহাদিদের সেই ছক বানচাল করতে কেন্দ্র ও রাজ্যের গোয়েন্দারা আদাজল খেয়ে নেমেছে। নিষিদ্ধপল্লিতে কোনও নতুন মহিলা বা দালালের দেখা মিললেই তার ঠিকুজি-কুষ্ঠি বের করছেন গোয়েন্দারা। দেশের স্বার্থে কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ তাঁরা। সতর্ক করা হয়েছে যৌনকর্মীদের উন্নয়নের স্বার্থে কাজ করা এনজিওগুলিকেও। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, শিল্পাঞ্চলের যৌনপল্লিতে বহু বাংলাদেশি মহিলা আছে। অনেকে বহু বছর করে এখানে ব্যবসা করে ঘর বসিয়ে নিয়েছে। সীমান্তের দু’ পারের দালালদের হাত ধরেই ওপারের মেয়েরা এপারে দেহব্যবসা করতে চলে আসে। অনেক সময়ে তাঁদের সঙ্গে পুরুষ সদস্যরাও আসে। সেই সাপ্লাই লাইনটিকেই কাটতে চাইছেন গোয়েন্দারা।
Advertisement
প্রায় দু’বছর আগে শিশু সুরক্ষা কমিশন পুলিস কমিশনার ও ডিএমকে সঙ্গে নিয়ে নিয়ে অভিযান চালিয়েছিল কুলটি থানার লছিপুর নিষিদ্ধপল্লিতে। সেই অভিযানে একাধিক নাবালিকার পাশাপাশি এক বাংলাদেশি মহিলাও ধরা পড়েছিল।। গত বছর বাংলাদেশি মহিলা আসমাকে নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল ওই নিষিদ্ধপল্লি। অভিযোগ, এক দালাল আসমাকে চাকরির টোপ দিয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজার থেকে এখানে এনে দেহ ব্যবসায় নামায়। ২০২২ সালে আসানসোল হয়ে দিল্লি যাওয়ার সময়ে ছয় বাংলাদেশি নাবালিকা ও দুই বাংলাদেশি দালালকে গ্রেপ্তার করেছিল আসানসোলের স্টেশনের আরপিএফ।
নিষিদ্ধপল্লিগুলির সঙ্গে বাংলাদেশে যোগ বার বার প্রকাশ্যে এসেছে। অভিযোগ, শুধু বাংলাদেশি মহিলাই নয়, বাংলাদেশের বহু পুরুষ এখানে এসে নাম পরিচয় পাল্টে এদেশের নথি বানিয়ে নিয়েছে। তারা নিষিদ্ধপল্লির দালাল হিসেবে বাংলাদেশ থেকে মেয়ে আনার কাজ করে।
জানা গিয়েছে, কুলটির লছিপুর, দুর্গাপুরের কাদারোড সহ রাজ্যের অধিকাংশ নিষিদ্ধপল্লির বাংলাদেশি যোগ রয়েছে। যৌনকর্মীদের উন্নয়ন নিয়ে কাজ করা দুর্বার সংগঠনের এক সদস্য বলেন, আমরা অনেকক্ষেত্রেই বুঝতে পারি বাংলাদেশি মহিলা। কিন্তু আমাদের অফিসে আসার আগেই এদেশের পরিচয়পত্র বানিয়ে নিচ্ছে। এমনকী অনেক নাবালিকার বয়স বাড়িয়ে পরিচয়পত্র বানানো হচ্ছে। সন্দেহ হলে আমরা সিএমওএইচের সাহায্যে প্রকৃত বয়স জানতে বোন টেস্ট করাই। তাঁদের এক সদস্য বলেন, বাংলাদেশি দালালদেরও অত্যাচার রয়েছে। তাদের যেমন সীমান্ত পার করার জোগাড় রয়েছে তেমনি নিমেষে ভারতের পরিচয়পত্র করার যোগাযোগ রয়েছে। এক কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা জানান, বহু মুসলিম মহিলা ও পুরুষ হিন্দু নাম নিয়ে ভারতে নকল পরিচয়পত্র বানিয়ে নেয়। আমরা পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছি। রাজ্য গোয়েন্দা দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, রাজ্যের প্রতিটি নিষিদ্ধপল্লির উপরই বাড়তি নজরদারি চলছে। যাতে এই সুযোগে কোনও উগ্রপন্থী ভারতে শেল্টার না পেয়ে যায়।
নিষিদ্ধপল্লিগুলির সঙ্গে বাংলাদেশে যোগ বার বার প্রকাশ্যে এসেছে। অভিযোগ, শুধু বাংলাদেশি মহিলাই নয়, বাংলাদেশের বহু পুরুষ এখানে এসে নাম পরিচয় পাল্টে এদেশের নথি বানিয়ে নিয়েছে। তারা নিষিদ্ধপল্লির দালাল হিসেবে বাংলাদেশ থেকে মেয়ে আনার কাজ করে।
জানা গিয়েছে, কুলটির লছিপুর, দুর্গাপুরের কাদারোড সহ রাজ্যের অধিকাংশ নিষিদ্ধপল্লির বাংলাদেশি যোগ রয়েছে। যৌনকর্মীদের উন্নয়ন নিয়ে কাজ করা দুর্বার সংগঠনের এক সদস্য বলেন, আমরা অনেকক্ষেত্রেই বুঝতে পারি বাংলাদেশি মহিলা। কিন্তু আমাদের অফিসে আসার আগেই এদেশের পরিচয়পত্র বানিয়ে নিচ্ছে। এমনকী অনেক নাবালিকার বয়স বাড়িয়ে পরিচয়পত্র বানানো হচ্ছে। সন্দেহ হলে আমরা সিএমওএইচের সাহায্যে প্রকৃত বয়স জানতে বোন টেস্ট করাই। তাঁদের এক সদস্য বলেন, বাংলাদেশি দালালদেরও অত্যাচার রয়েছে। তাদের যেমন সীমান্ত পার করার জোগাড় রয়েছে তেমনি নিমেষে ভারতের পরিচয়পত্র করার যোগাযোগ রয়েছে। এক কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা জানান, বহু মুসলিম মহিলা ও পুরুষ হিন্দু নাম নিয়ে ভারতে নকল পরিচয়পত্র বানিয়ে নেয়। আমরা পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছি। রাজ্য গোয়েন্দা দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, রাজ্যের প্রতিটি নিষিদ্ধপল্লির উপরই বাড়তি নজরদারি চলছে। যাতে এই সুযোগে কোনও উগ্রপন্থী ভারতে শেল্টার না পেয়ে যায়।



