নিজস্ব প্রতিনিধি, বার্নপুর: নিজের পিঙ্ক টোটো চালিয়ে হীরাপুর থানার ধেনুয়ায় ঢুকেছিলেন দুর্গামণি। এলাকাটিতে শহরের তকমা থাকলেও সম্পূর্ণ গ্রাম্য পরিবেশ। টোটোর যাত্রীদের নামাতেই ঘিরে ধরলেন মহিলারা। তাঁদেরও শিখিয়ে দিতে হবে টোটো। তাঁরাও কিনতে চান এই যান।যাত্রী অপেক্ষা করছে দুর্গামণির। তাই নিজের ফোন নম্বর দিয়ে টোটো শেখানোর আশ্বাস দিয়ে ধেনুয়া ছাড়লেন তিনি।
Advertisement
হীরাপুর থানার বার্নপুর শিল্পাঞ্চল ও পার্শ্ববর্তী গ্রামে এই ঘটনা ঘটছে মাঝেমধ্যেই। বেশ কয়েক মাস আগে কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সবিলিটিস স্কিমে ইস্কো কর্তৃপক্ষ পাঁচটি টোটো তুলে দেন আদিবাসী মহিলাদের হাতে। গোলাপি রঙের সেই টোটো গুলি দেওয়া হয় আসানসোল পুরসভার ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের কেরাডিহিতে। টোটো হাতে পান দুর্গামণি মাড্ডি, লক্ষ্মী হেমব্রম, সুমিত্রা মুর্মুরা। শুধু টোটো তুলে দেওয়াই নয়, তাঁদের দেওয়া হয়েছিল প্রশিক্ষণ। পাঁচটি টোটো এখন হীরাপুর থানা এলাকা বার্নপুর শিল্পাঞ্চলে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। মহিলা চালক এবং রংয়ের আকর্ষণ যাত্রীদের মন জয় করেছে। বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের আস্থা দ্রুত অর্জন করেছেন তাঁরা। মহিলাদেরও প্রথম পছন্দ হয়ে উঠেছে এই পিঙ্ক টোটো। একবার চাপাই নয়, তাদের বারবার ডাকার জন্য যাত্রীরা মহিলা টোটো চালকদের ফোন নম্বর সংগ্রহ করে রাখছেন। টোটো পেয়ে মহিলাদের স্বাচ্ছন্দ্য অনেক গুণ বেড়ে গিয়েছে। স্কুলের শিক্ষিকা থেকে হাসপাতালের নার্সরাই এখন ডাক দিচ্ছেন আদিবাসী যুবতীদের।
জীবনটাই পাল্টে গিয়েছে দুর্গামণির। ২৬ বছরের দুর্গামণির বাবা, মা মারা গিয়েছেন। ভাইবোনের সংসার। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশোনা করে বেকার বসেছিলেন। তিনি উপার্জন করে সংসারের হাল ধরেছেন। আদিবাসী মহিলাদের এই স্বনির্ভর হওয়ার কাহিনি নজর কাড়ছে মহিলা মহলে। তাঁদের দেখে অনেক মহিলাই এখন চাইছেন টোটো কিনে নিজেদের সংসারে স্বাচ্ছন্দ্য আনতে।
দুর্গামণি মাড্ডি বলেন, বহু অভিভাবক ফোন করেন তাঁদের মেয়েদের স্কুল থেকে কোচিং ক্লাস থেকে বাড়িতে এনে দেওয়ার জন্য। আমরা নিরাপদে তাদের বাড়ি পৌঁছে দিই। গ্রামে ঢুকলে মেয়েরা বলেন, তাঁদের টোটো শিখিয়ে দিতে হবে। সময়ের অভাবে সে কাজ করা হয়ে উঠছে না।
ইস্কোর জনসংযোগ আধিকারিক ভাস্কর কুমার বলেন, আমরা সব সময় চেষ্টা করি মেয়েদের স্বনির্ভর করে তুলতে। দুর্গামণি, লক্ষ্মীদের সাফল্য আমাদের আরও উৎসাহিত করবে।
জীবনটাই পাল্টে গিয়েছে দুর্গামণির। ২৬ বছরের দুর্গামণির বাবা, মা মারা গিয়েছেন। ভাইবোনের সংসার। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশোনা করে বেকার বসেছিলেন। তিনি উপার্জন করে সংসারের হাল ধরেছেন। আদিবাসী মহিলাদের এই স্বনির্ভর হওয়ার কাহিনি নজর কাড়ছে মহিলা মহলে। তাঁদের দেখে অনেক মহিলাই এখন চাইছেন টোটো কিনে নিজেদের সংসারে স্বাচ্ছন্দ্য আনতে।
দুর্গামণি মাড্ডি বলেন, বহু অভিভাবক ফোন করেন তাঁদের মেয়েদের স্কুল থেকে কোচিং ক্লাস থেকে বাড়িতে এনে দেওয়ার জন্য। আমরা নিরাপদে তাদের বাড়ি পৌঁছে দিই। গ্রামে ঢুকলে মেয়েরা বলেন, তাঁদের টোটো শিখিয়ে দিতে হবে। সময়ের অভাবে সে কাজ করা হয়ে উঠছে না।
ইস্কোর জনসংযোগ আধিকারিক ভাস্কর কুমার বলেন, আমরা সব সময় চেষ্টা করি মেয়েদের স্বনির্ভর করে তুলতে। দুর্গামণি, লক্ষ্মীদের সাফল্য আমাদের আরও উৎসাহিত করবে।



