নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: বাইকে প্রেয়সীকে সঙ্গে বসিয়ে কেত মারতে গিয়ে বিপাকে রোমিওরা। দুর্গাপুরের বিধাননগর, সিটিসেন্টার চত্বরে ওঁত পেতে ছিল পুলিস। শহরের রাস্তাকে রেসিং ট্র্যাক ভেবে ঝড়ের গতিতে বাইক চালাতে গিয়ে একের পর এক মামলায় জড়িয়েছেন কলেজ ছাত্র থেকে বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত তরুণীরা। ওভারস্পিডিং ছাড়াও মদ্যপ অবস্থায় বাইক নিয়ে দুর্গাপুর দাপানোর ছবি সামনে এসেছে পুলিসের। মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর তালিকায় রয়েছেন ব্যবসায়ী থেকে চিকিৎসক ও সরকারি কর্মীরা। বহু ক্ষেত্রেই প্রেমিকাকে নিয়ে পুলিসের পায়ে পড়ার অবস্থা যুব সমাজের একাংশের। লঘু ক্ষেত্রে পুলিস ‘কাকুরা’ মাফ করলেও গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিস কমিশনারেটের ট্রাফিক বিভাগ। দ্রুত গতিতে বাইক চালানো, মদ্যপ অবস্থায় বাইক, গাড়ি চালানো এক বাইকে তিনজন যাতায়াত করার অভিযোগে একশোর বেশি মামলা হয়েছে ৩১ নাইটে।
Advertisement
ডিসি ভিজি সতীশ পশুমূর্তি বলেন, আমরা আগেই সতর্ক করেছিলাম। বর্ষবরণ ট্রাফিক আইন ভাঙলে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে। সেই মতো বহু মামলা রুজু হয়েছে।
দুর্গাপুরের এবিএল মোড়। বিধাননগর এলাকার এই জায়গায় বিত্তশালী মানুষের বসবাস। পাশাপাশি একাধিক ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, নানা বেসরকারি কলেজ থাকায় পড়ুয়াদের উজ্জ্বল উপস্থিতি রয়েছে। বহু পড়ুয়া মেস করে থাকেন, কেউ বা পেয়িং গেস্ট। বর্ষবরণের রাতে এই এলাকা রঙিন হয়ে ওঠে। বিশেষ করে পড়ুয়াদের বান্ধবী, প্রেমিকাদের নিয়ে মাতামাতি চোখে পড়ার মতো। পাশাপাশি হাইস্পিড বাইক নিয়ে সর্পিল গতিতে চালিয়ে প্রেমিকাকে বাড়তি আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা থাকে রোমিওদের। এবারও সেই চিত্র বার বার সামনে এসেছে। একই ঘটনা দেখা যায় দুর্গাপুরের সিটিসেন্টার চত্বরে। এবার পুলিস কিন্তু বাড়তি সতর্ক ছিল এই বিশৃঙ্খলা আটকাতে। তারা রাস্তার উপর স্পিড গান নিয়ে দাঁড়িয়েছিল। গাড়ির স্পিড লিমিট পার করলেই মামলা ঠুকেছে পুলিস। বিধাননগর চত্বরের একটি বড় অংশ রয়েছে মুচিপাড়া ট্রাফিক গার্ডের অধীনে। সেখানে থেকে এদিন রাতে ২৩টি মামলা রুজু হয়েছে রাশ ড্রাইভিং করার জন্য। মামলা খেয়ে রোমিওদের তখন পুলিসে হাতে পায়ে ধরার জোগাড়। অনেকে আবার পরিবারের বড়দের বাইক নিয়ে বেরিয়ে কেত দেখাতে গিয়ে আরও বেশি বিপাকে পড়েছেন। কারণ গাড়ি মালিকের নামে চালান ইস্যু হয়। শুধু মুচিপাড়া ট্রাফিক গার্ডের অধীনে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর জন্য ৯টি ও তিনজন একই বাইকে যাওয়ার জন্য ১৬টি মামলা রুজু হয়েছে।
পিছিয়ে ছিল না দুর্গাপুর ট্রাফিক গার্ডও। তারাও এদিন রাতে ১০টি মামলা রুজু করেছে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর জন্য। তাদের ট্রাফিক গার্ডের স্পিড গানে কিছু প্রযুক্তি দ্রুত ধরা পড়ে। তা সত্ত্বেও ৪টি মামলা দ্রুতগতিতে বাইক চালানোর জন্য রুজু হয়েছে।
দুর্গাপুরের মতো অতটা বেপরোয়া না হলেও আসানসোলের কলেজ পড়ুয়া যুব সমাজকেও নিয়ম ভাঙতে দেখা যায়। যথারীতি তাঁদের ক্ষেত্রেও পদক্ষেপ করেছে পুলিস। কখনও মামলা, কখনও হুশিয়ারি দিয়ে রাতভর বাইক, গাড়ির দাপাদাপি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চালিয়েছে পুলিস।
দুর্গাপুরের এবিএল মোড়। বিধাননগর এলাকার এই জায়গায় বিত্তশালী মানুষের বসবাস। পাশাপাশি একাধিক ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, নানা বেসরকারি কলেজ থাকায় পড়ুয়াদের উজ্জ্বল উপস্থিতি রয়েছে। বহু পড়ুয়া মেস করে থাকেন, কেউ বা পেয়িং গেস্ট। বর্ষবরণের রাতে এই এলাকা রঙিন হয়ে ওঠে। বিশেষ করে পড়ুয়াদের বান্ধবী, প্রেমিকাদের নিয়ে মাতামাতি চোখে পড়ার মতো। পাশাপাশি হাইস্পিড বাইক নিয়ে সর্পিল গতিতে চালিয়ে প্রেমিকাকে বাড়তি আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা থাকে রোমিওদের। এবারও সেই চিত্র বার বার সামনে এসেছে। একই ঘটনা দেখা যায় দুর্গাপুরের সিটিসেন্টার চত্বরে। এবার পুলিস কিন্তু বাড়তি সতর্ক ছিল এই বিশৃঙ্খলা আটকাতে। তারা রাস্তার উপর স্পিড গান নিয়ে দাঁড়িয়েছিল। গাড়ির স্পিড লিমিট পার করলেই মামলা ঠুকেছে পুলিস। বিধাননগর চত্বরের একটি বড় অংশ রয়েছে মুচিপাড়া ট্রাফিক গার্ডের অধীনে। সেখানে থেকে এদিন রাতে ২৩টি মামলা রুজু হয়েছে রাশ ড্রাইভিং করার জন্য। মামলা খেয়ে রোমিওদের তখন পুলিসে হাতে পায়ে ধরার জোগাড়। অনেকে আবার পরিবারের বড়দের বাইক নিয়ে বেরিয়ে কেত দেখাতে গিয়ে আরও বেশি বিপাকে পড়েছেন। কারণ গাড়ি মালিকের নামে চালান ইস্যু হয়। শুধু মুচিপাড়া ট্রাফিক গার্ডের অধীনে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর জন্য ৯টি ও তিনজন একই বাইকে যাওয়ার জন্য ১৬টি মামলা রুজু হয়েছে।
পিছিয়ে ছিল না দুর্গাপুর ট্রাফিক গার্ডও। তারাও এদিন রাতে ১০টি মামলা রুজু করেছে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর জন্য। তাদের ট্রাফিক গার্ডের স্পিড গানে কিছু প্রযুক্তি দ্রুত ধরা পড়ে। তা সত্ত্বেও ৪টি মামলা দ্রুতগতিতে বাইক চালানোর জন্য রুজু হয়েছে।
দুর্গাপুরের মতো অতটা বেপরোয়া না হলেও আসানসোলের কলেজ পড়ুয়া যুব সমাজকেও নিয়ম ভাঙতে দেখা যায়। যথারীতি তাঁদের ক্ষেত্রেও পদক্ষেপ করেছে পুলিস। কখনও মামলা, কখনও হুশিয়ারি দিয়ে রাতভর বাইক, গাড়ির দাপাদাপি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চালিয়েছে পুলিস।



