সংবাদদাতা, ঘাটাল: করোনার আগে ঘাটালের সংসদ সদস্য দীপক অধিকারী(দেব) কংক্রিটের ব্রিজের শিলান্যাস করেছিলেন। তারপর থেকে প্রায় পাঁচ বছর কেটে গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত ঘাটাল ব্লকের কনকপুরে কেঠিয়া খালের উপর সেই ব্রিজের কাজ শুরু হল না। ফলে ক্ষুব্ধ ওই ব্লকের ২০-২৫টি গ্রামের বাসিন্দারা। কবে ওই ব্রিজের কাজ শুরু হবে তার কোনও নিশ্চয়তা দিতে পারছে না স্থানীয় প্রশাসন। ঘাটাল পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি বিকাশ করের বাড়ি ওই এলাকায়। তিনি বলেন, ব্রিজটির কাজ এখনও শুরু না হওয়ার জন্য আমরা বেশ অপ্রস্তুত বোধ করছি। বর্তমানে একটি বেসরকারি সংস্থা দিয়ে ব্রিজটির নতুন করে এস্টিমেট করা চলছে। বিশাল টাকা ব্যয়ে পঞ্চায়েত সমিতির মাধ্যমে ওই ব্রিজটি করা সম্ভব হবে না। তাই আগামী দিনে বীরসিংহ উন্নয়ন সংস্থাকে দিয়ে ব্রিজটি তৈরি করানোর কথা ভাবা হচ্ছে।ঘাটাল ব্লকের দেওয়ানচক-১ এবং দেওয়ানচক-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের গ্রামগুলি একেবারে প্রত্যন্ত এলাকার মধ্যে রয়েছে। ওই দু’টি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার অধিকাংশ গ্রামে দু’-এক দিনের বৃষ্টি হলেই প্লাবিত হয়ে পড়ে। নৌকা, ডিঙিতে করে নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজ সারতে হয়। তাছাড়াও বছরের অন্যান্য সময় দাসপুর হয়ে মেদিনীপুর, কলকাতা, পাঁশকুড়া যেতে হলে বহু ঘুরপথে যেতে হয়।
Advertisement
ওই দু’টি গ্রামপঞ্চায়েতে এলাকার গ্রামের বাসিন্দাদের দাসপুর, মেদিনীপুর, পাঁশকুড়া বা কলকাতা যাতায়াতের জন্য চক লছিপুর থেকে সাহেবঘাট পর্যন্ত একটি রাস্তা রয়েছে। রাস্তাটির মধ্যে কয়েকটি খাল ও নদী থাকায় প্রত্যেকটির উপর হয় কংক্রিটের ব্রিজ অথবা কাঠের শক্তপোক্ত ব্রিজ রয়েছে। কিন্তু কনকপুরে কেঠিয়া খালের উপর সাঁকোটির অবস্থা মোটেই ভালো নয়। কাঠের পাটাতন দিয়ে তৈরি। একটি বাইক গেলেই সাঁকোটি দুলতে শুরু করে। তাই চকলছিপুর, বাঘাগেড়িয়া, কনকপুর, শোলাগেড়িয়া, ইসলামপুর, নারায়ণপুর সহ ২০-২৫টি গ্রামের বাসিন্দারা কনকপুরে একটি কংক্রিটের ব্রিজ তৈরির জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছিলেন। কনকপুরের রাজকুমার সামন্ত, বাড়গোবিন্দ গ্রামের তপন খাঁড়া প্রমুখ বলেন, ওই ব্রিজটি তৈরি হলে বাইক, ছোট গাড়ি নিয়ে দাসপুরের দূরত্ব অন্তত ৩০ কিলোমিটার কমে যাবে। আমাদের খুব সুবিধে হবে।
সহাকারী সভাপতি বলেন, গ্রামগুলির বাসিন্দাদের দাবিকে মান্যতা দিয়ে কয়েক বছর আগে ৪৫ লক্ষ টাকা দিয়ে ওখানে একটি ব্রিজ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়। ২০২০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সেই ব্রিজের আনুষ্ঠানিক শিলান্যাসও হয়। কিন্তু তারপর থেকে কোনও কাজ না হওয়ার ফলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে শাসক দলের নেতা-কর্মীরা খুবই অপ্রস্তুত বোধ করছেন। বিকাশবাবু বলেন, বর্তমানে ব্রিজটি আর ৪৫ লক্ষ টাকা দিয়ে তৈরি করা সম্ভব হবে না। ব্রিজটি তৈরি করতে এক কোটির বেশি টাকা খরচ পড়বে। কয়েক মাসের মধ্যে ব্রিজ তৈরির কাজ শুরু করার জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। যতক্ষণ না ব্রিজের কাজ শুরু হয় এলাকার বাসিন্দাদের বোঝানো যাচ্ছে না।
সহাকারী সভাপতি বলেন, গ্রামগুলির বাসিন্দাদের দাবিকে মান্যতা দিয়ে কয়েক বছর আগে ৪৫ লক্ষ টাকা দিয়ে ওখানে একটি ব্রিজ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়। ২০২০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সেই ব্রিজের আনুষ্ঠানিক শিলান্যাসও হয়। কিন্তু তারপর থেকে কোনও কাজ না হওয়ার ফলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে শাসক দলের নেতা-কর্মীরা খুবই অপ্রস্তুত বোধ করছেন। বিকাশবাবু বলেন, বর্তমানে ব্রিজটি আর ৪৫ লক্ষ টাকা দিয়ে তৈরি করা সম্ভব হবে না। ব্রিজটি তৈরি করতে এক কোটির বেশি টাকা খরচ পড়বে। কয়েক মাসের মধ্যে ব্রিজ তৈরির কাজ শুরু করার জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। যতক্ষণ না ব্রিজের কাজ শুরু হয় এলাকার বাসিন্দাদের বোঝানো যাচ্ছে না।



