নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি ও সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: শিলিগুড়িতেও ‘ভূতুড়ে’ ভোটারের হদিশ! একই এপিক নম্বরে দু’জন ভোটার! একজন মাটিগাড়ার, অপরজন গুজরাতের বাসিন্দা। এদিকে, মাথাভাঙায় একই মহিলার নামে একই বুথে পৃথক নম্বরের দু’টি এপিক কার্ড। এমন সব ঘটনা নিয়ে সরব তৃণমূল কংগ্রেস। তারা এ ব্যাপারে বিজেপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছে। পদ্ম শিবির অবশ্য ষড়যন্ত্রের অভিযোগ মানতে নারাজ। তাদের দাবি, নির্বাচন কমিশনের প্রযুক্তিগত ত্রুটির জেরে এমনটা হয়েছে। প্রশাসন সমগ্র ঘটনা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।
Advertisement
শিলিগুড়ি মহকুমার ওই ভোটারের নাম সুশান্ত মণ্ডল। শিবমন্দিরে তাঁর বাড়ি। পেশায় ছোট ব্যবসায়ী। তিনি মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার। তাঁর সচিত্র ভোটার কার্ডের নম্বর এলপিজেড ২২৭৬৪০০। এই একই এপিক নম্বরে রয়েছে গুজরাতের এক ভোটারেরও। তাঁর নাম নভিনজি ঠাকর। গুজরাতের গান্ধীনগর জেলার বাসিন্দা। তিনি গান্ধীনগর দক্ষিণ কেন্দ্রের ভোটার। সুশান্ত বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সচিত্র ভোটার কার্ড ও তালিকা নিয়ে গরমিলের হদিশ মিলছে। তা শুনেই অনলাইনে নিজের এপিক কার্ডের নম্বর দিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছিলাম। এতেই জানতে পারি আমার এপিক নম্বরে গুজরাতের ওই ভোটারের নাম। বিষয়টি নিয়ে কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাব।
মঙ্গলবার শিলিগুড়ি, মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি ও ফাঁসিদেওয়া বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটার তালিকা স্ক্রুটিনি করা নিয়ে সভা করে তৃণমূল। সভার পর দলের দার্জিলিং জেলা সভানেত্রী (সমতল) পাপিয়া ঘোষ বলেন, ষড়যন্ত্র করে মাটিগাড়ার ওই ভোটারের এপিক নম্বরের সঙ্গে গুজরাতের ভোটারের নাম ঢোকানো হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা আরও রয়েছে। ভোটে ফায়দা লুটতেই তারা এমন করেছে। এ ধরনের ভুয়ো ভোটার খোঁজার নির্দেশ দলীয় কর্মীদের দিয়েছি। যে বেশি ভুয়ো ভোটার খুঁজে বের করবে তাঁকে পুরস্কার দেওয়া হবে।
এদিকে, মাথাভাঙায় এপিক নিয়ে গরমিল অব্যাহত। পচাগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাংকোবায় একই বুথে দু’টি একই নম্বরের এপিক কার্ড রয়েছে রানুজা খাতুনের। ভোটার তালিকায় তাঁর দু’টি এপিক নম্বরে ছবিও রয়েছে। রানুজার অভিযোগ, বিষয়টি বিএলওকে জানিয়েও লাভ হয়নি। সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত এলাকায় শতাধিক ব্যক্তির এপিক নম্বরে গরমিল রয়েছে বলে খবর।
মাথাভাঙা-২ ব্লকের ফুলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বুলবুলি অধিকারী নামে এক ভোটারের তিনটি জায়গার তালিকায় নাম রয়েছে। এনিয়ে এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হন উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেতা পার্থপ্রতিম রায়। তাঁর দাবি, মাথাভাঙার পাশাপাশি ফালাকাটা বিধানসভা কেন্দ্রর তালিকাতেও বুলবুলির নাম আছে।
বিষয়টি স্ক্রুটিনি করতে গিয়ে তৃণমূল নেতাদের চক্ষু চড়কগাছ। সংশ্লিষ্ট গ্রামে আরও দু’জন এমন ভোটারের হদিশ মিলেছে। এনবিএসটিসি’র চেয়ারম্যানের অভিযোগ, এর পিছনে বিজেপি আছে। যদিও বিজেপির মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির বিধায়ক আনন্দময় বর্মন বলেন, বিজেপির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ঠিক নয়। প্রযুক্তিগত ত্রুটির জেরে ভোটার তালিকায় কিছু ভুল হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে। বিষয়টি কমিশন দেখছে। তাঁর পাল্টা অভিযোগ, ভোটার তালিকায় তৃণমূল ভুয়ো ভোটার ঢোকানোর চেষ্টা করছে।
মঙ্গলবার শিলিগুড়ি, মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি ও ফাঁসিদেওয়া বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটার তালিকা স্ক্রুটিনি করা নিয়ে সভা করে তৃণমূল। সভার পর দলের দার্জিলিং জেলা সভানেত্রী (সমতল) পাপিয়া ঘোষ বলেন, ষড়যন্ত্র করে মাটিগাড়ার ওই ভোটারের এপিক নম্বরের সঙ্গে গুজরাতের ভোটারের নাম ঢোকানো হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা আরও রয়েছে। ভোটে ফায়দা লুটতেই তারা এমন করেছে। এ ধরনের ভুয়ো ভোটার খোঁজার নির্দেশ দলীয় কর্মীদের দিয়েছি। যে বেশি ভুয়ো ভোটার খুঁজে বের করবে তাঁকে পুরস্কার দেওয়া হবে।
এদিকে, মাথাভাঙায় এপিক নিয়ে গরমিল অব্যাহত। পচাগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাংকোবায় একই বুথে দু’টি একই নম্বরের এপিক কার্ড রয়েছে রানুজা খাতুনের। ভোটার তালিকায় তাঁর দু’টি এপিক নম্বরে ছবিও রয়েছে। রানুজার অভিযোগ, বিষয়টি বিএলওকে জানিয়েও লাভ হয়নি। সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত এলাকায় শতাধিক ব্যক্তির এপিক নম্বরে গরমিল রয়েছে বলে খবর।
মাথাভাঙা-২ ব্লকের ফুলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বুলবুলি অধিকারী নামে এক ভোটারের তিনটি জায়গার তালিকায় নাম রয়েছে। এনিয়ে এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হন উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেতা পার্থপ্রতিম রায়। তাঁর দাবি, মাথাভাঙার পাশাপাশি ফালাকাটা বিধানসভা কেন্দ্রর তালিকাতেও বুলবুলির নাম আছে।
বিষয়টি স্ক্রুটিনি করতে গিয়ে তৃণমূল নেতাদের চক্ষু চড়কগাছ। সংশ্লিষ্ট গ্রামে আরও দু’জন এমন ভোটারের হদিশ মিলেছে। এনবিএসটিসি’র চেয়ারম্যানের অভিযোগ, এর পিছনে বিজেপি আছে। যদিও বিজেপির মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির বিধায়ক আনন্দময় বর্মন বলেন, বিজেপির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ঠিক নয়। প্রযুক্তিগত ত্রুটির জেরে ভোটার তালিকায় কিছু ভুল হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে। বিষয়টি কমিশন দেখছে। তাঁর পাল্টা অভিযোগ, ভোটার তালিকায় তৃণমূল ভুয়ো ভোটার ঢোকানোর চেষ্টা করছে।



