নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: স্কুলগুলিকেও নিয়মিত বাস চালকদের ভূমিকা যাচাই করতে হবে। ফুলবাড়িতে স্কুল বাস দুর্ঘটনার পর মঙ্গলবার স্কুলগুলিকে এই নির্দেশ দিয়েছে শিলিগুড়ি পুলিস কমিশনারেট। চালক মদ্যপ অবস্থায় থাকায় ওই বাস দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল বলে অভিযোগ। এদিকে, চালকদের শৃঙ্খলাবদ্ধ করতে তৎপর হয়েছে স্কুল বাস মালিক সংগঠন। তারা এদিন সমস্ত বাসের মালিককে এ ব্যাপারে উদ্যোগী হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা দুর্ঘটনার কবলে পড়া ওই বাসের চালকের কড়া শাস্তির দাবি তুলেছেন।
Advertisement
সোমবার দুপুরে ফুলবাড়িতে ট্রাফিক সিগন্যালের কাছে পর পর দু’টি গাড়িতে ধাক্কা মেরে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে যায় একটি স্কুল বাস। ওই বাসের চালক মদ্যপ অবস্থায় ছিল বলে অভিযোগ। তাকে পুলিস গ্রেপ্তারও করেছে। এই ঘটনার পর ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা ও স্কুল বাসের উপর নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সেজন্যই বাস চালকদের বিষয়ে স্কুলগুলিকে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে পুলিস।
শিলিগুড়ির ডেপুটি পুলিস কমিশনার (ট্রাফিক) বিশ্বচাঁদ ঠাকুর বলেন, শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থা ঠিক রাখতে এবং বেপরোয়া যান চলাচল রুখতে প্রতিটি রাস্তায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো রুখতে নিয়মিত ব্রেথ এনালাইজার দিয়ে চালকদের পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এ বিষয়ে প্রতিটি স্কুলকে আরও সতর্ক হতে হবে। চালকদের লাইসেন্স আছে কি না, তাঁদের অতীত ও বর্তমান রেকর্ড, আচরণ প্রভৃতি স্কুল কর্তৃপক্ষের যাচাই করা উচিত। শীঘ্রই বিষয়টি স্কুলগুলিকে জানানো হবে।
এদিকে, ওই বাস দুর্ঘটনায় ধৃত চালকের পাশে দাঁড়াচ্ছে না স্কুল বাস মালিক সংগঠন। এদিন স্কুল বাস অ্যান্ড চাটার্ড অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক শুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ধৃত ওই চালকের পাশে আমরা দাঁড়াচ্ছি না। ধৃতের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত। তবে প্রতিটি বাসে চালক ও হেলপার থাকে। তাঁদেরকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে তোলার নির্দেশ প্রত্যেক বাস মালিককে দেওয়া হয়েছে। মদ্যপ অবস্থায় বাস চালানো কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এ ব্যাপারে আমরা সংগঠনগত ভাবেই নজরদারি চালাব।
শিলিগুড়ির ডেপুটি পুলিস কমিশনার (ট্রাফিক) বিশ্বচাঁদ ঠাকুর বলেন, শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থা ঠিক রাখতে এবং বেপরোয়া যান চলাচল রুখতে প্রতিটি রাস্তায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো রুখতে নিয়মিত ব্রেথ এনালাইজার দিয়ে চালকদের পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এ বিষয়ে প্রতিটি স্কুলকে আরও সতর্ক হতে হবে। চালকদের লাইসেন্স আছে কি না, তাঁদের অতীত ও বর্তমান রেকর্ড, আচরণ প্রভৃতি স্কুল কর্তৃপক্ষের যাচাই করা উচিত। শীঘ্রই বিষয়টি স্কুলগুলিকে জানানো হবে।
এদিকে, ওই বাস দুর্ঘটনায় ধৃত চালকের পাশে দাঁড়াচ্ছে না স্কুল বাস মালিক সংগঠন। এদিন স্কুল বাস অ্যান্ড চাটার্ড অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক শুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ধৃত ওই চালকের পাশে আমরা দাঁড়াচ্ছি না। ধৃতের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত। তবে প্রতিটি বাসে চালক ও হেলপার থাকে। তাঁদেরকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে তোলার নির্দেশ প্রত্যেক বাস মালিককে দেওয়া হয়েছে। মদ্যপ অবস্থায় বাস চালানো কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এ ব্যাপারে আমরা সংগঠনগত ভাবেই নজরদারি চালাব।



