নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: এবার শিলিগুড়িতে ‘নতুন স্কোয়ার্ড’ গড়ছে পুলিস। যার সম্ভাব্য নাম ‘গ্রিন উইনার্স’। মহিলা পুলিসদের নিয়ে গড়া হবে এই বাহিনী। কোচবিহার, জলপাইগুড়ির পর এমন উদ্যোগ নিয়েছে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিস কমিশনারেট। এজন্য এখানে এসেছে পরিবেশবান্ধব ৬৫টি ই-সাইকেল। সেগুলি ব্যাটারি চালিত। শিলিগুড়ি পুলিস কমিশনারেটের এক অফিসার বলেন, শীঘ্রই ওই বাহিনী গড়া হবে। এতে শহরের ঘিঞ্জি, সংকীর্ণ রাস্তা ও যানজট প্রবণ এলাকায় টহলদারির কাজ আরও জোরদার হবে।
Advertisement
কয়েক বছর আগে মহিলা পুলিসদের নিয়ে রাজ্যে প্রথম শিলিগুড়িতে গঠিত হয় বাঘিনী স্কোয়াড। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই স্কোয়াডের নামকরণ করেন উইনার্স। শহরে নিয়মিত টহল দেওয়ার জন্য তাঁদের দেওয়া হয়েছে স্কুটার। এরপর মহিলা নিরাপত্তায় চালু করা হয়েছে ‘পিঙ্কভ্যান’। এবার উইনার্স বাহিনীর একাংশকে নিয়ে গঠন করা হচ্ছে ‘গ্রিন উইনার্স’। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ৬৫টি ই-সাইকেল এসেছে। তা কমিশনারেটের আটটি থানায় ভাগ করে দেওয়া হবে। ওই বাহিনী সেই সাইকেলে টহল দেবে।
কমিশনারেটের এক অফিসার বলেন, এই শহরের অনেক রাস্তা অত্যন্ত সংকীর্ণ। কিছু বস্তিও ঘিঞ্জি। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে নিয়মিত পিঙ্কভ্যান পৌঁছয় না। অনেক গলির রাস্তায় স্কুটার নিয়ে চলাচল করাও দুষ্কর। তাই এবার থানায় থানায় গড়া হবে গ্রিন উইনার্স বাহিনী। প্রতিটি থানায় ৬-৭ জনের বাহিনী থাকবে। বাহিনীর মহিলারা সাইকেল নিয়ে সকাল-বিকেল ঘিঞ্জি ও সংকীর্ণ এলাকায় টহল দেবে। এতে বাহিনীর কর্মীদের শরীর ও স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। তাঁদের নখদর্পণে থাকবে এলাকার অলিগলি।
ব্যাটারি চালিত ই-সাইকেল চালানোর সময় পরিবেশ দূষিত হবে না। জ্বালানির খরচও বাঁচবে। সংশ্লিষ্ট স্কোয়াডের জন্য উইনার্স বাহিনী থেকে মহিলা পুলিসকর্মীদের বাছাই করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট বাহিনী রাস্তায় নামার পর রোমিওদের দৌরাত্ম্য, ইভটিজিং, ছিনতাই সহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা কিছুটা হলেও সহজ হবে।
ইতিমধ্যেই কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলা পুলিস এমন বাহিনী গড়েছে। পুলিস সূত্রের খবর, মাস খানেক আগে রাজ্য থেকে শিলিগুড়িতে পাঠানো হয় ৩৫৫টি ই-সাইকেল। যারমধ্যে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ৩৫টি করে, আলিপুরদুয়ার ও মালদহে ৪০টি করে, দার্জিলিংয়ে ২৫টি, কালিম্পংয়ে ২০টি, রায়গঞ্জ ও ইসলামপুর পুলিস জেলায় ৩০টি করে পাঠানো হয়েছে। বাকি ৬৫টি আছে শিলিগুড়িতে। কোচবিহার, জলপাইগুড়ির মতো দার্জিলিং ও কালিম্পংয়েও সংশ্লিষ্ট বাহিনী কাজ করছে। কালিম্পংয়ের পুলিস সুপার শ্রীহরি পাণ্ডে বলেন, রাজ্য সরকারের নির্দেশমতো ওই সাইকেল চারটি থানায় ভাগ করে রাখা হয়েছে। সাইকেল নিয়ে টহলদারিও শুরু হয়েছে।
কমিশনারেটের এক অফিসার বলেন, এই শহরের অনেক রাস্তা অত্যন্ত সংকীর্ণ। কিছু বস্তিও ঘিঞ্জি। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে নিয়মিত পিঙ্কভ্যান পৌঁছয় না। অনেক গলির রাস্তায় স্কুটার নিয়ে চলাচল করাও দুষ্কর। তাই এবার থানায় থানায় গড়া হবে গ্রিন উইনার্স বাহিনী। প্রতিটি থানায় ৬-৭ জনের বাহিনী থাকবে। বাহিনীর মহিলারা সাইকেল নিয়ে সকাল-বিকেল ঘিঞ্জি ও সংকীর্ণ এলাকায় টহল দেবে। এতে বাহিনীর কর্মীদের শরীর ও স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। তাঁদের নখদর্পণে থাকবে এলাকার অলিগলি।
ব্যাটারি চালিত ই-সাইকেল চালানোর সময় পরিবেশ দূষিত হবে না। জ্বালানির খরচও বাঁচবে। সংশ্লিষ্ট স্কোয়াডের জন্য উইনার্স বাহিনী থেকে মহিলা পুলিসকর্মীদের বাছাই করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট বাহিনী রাস্তায় নামার পর রোমিওদের দৌরাত্ম্য, ইভটিজিং, ছিনতাই সহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা কিছুটা হলেও সহজ হবে।
ইতিমধ্যেই কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলা পুলিস এমন বাহিনী গড়েছে। পুলিস সূত্রের খবর, মাস খানেক আগে রাজ্য থেকে শিলিগুড়িতে পাঠানো হয় ৩৫৫টি ই-সাইকেল। যারমধ্যে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ৩৫টি করে, আলিপুরদুয়ার ও মালদহে ৪০টি করে, দার্জিলিংয়ে ২৫টি, কালিম্পংয়ে ২০টি, রায়গঞ্জ ও ইসলামপুর পুলিস জেলায় ৩০টি করে পাঠানো হয়েছে। বাকি ৬৫টি আছে শিলিগুড়িতে। কোচবিহার, জলপাইগুড়ির মতো দার্জিলিং ও কালিম্পংয়েও সংশ্লিষ্ট বাহিনী কাজ করছে। কালিম্পংয়ের পুলিস সুপার শ্রীহরি পাণ্ডে বলেন, রাজ্য সরকারের নির্দেশমতো ওই সাইকেল চারটি থানায় ভাগ করে রাখা হয়েছে। সাইকেল নিয়ে টহলদারিও শুরু হয়েছে।



