নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: ‘পাউডার’ কিংবা ‘দাওয়াই’! এমন কোড নামেই চলছে কোকেনের কারবার। যার নেপথ্যে আরও দুই ব্যবসায়ী! যারা এই চক্রের মাস্টারমাইন্ড। টানা তিনদিন ধরে কোকেন সহ ধৃত বস্ত্র ব্যবসায়ী সরতাজ আলম ওরফে আলি ভাইকে জেরা করে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিস। একইসঙ্গে পুলিস জানিয়েছে, বস্ত্র ব্যবসার আড়ালে এই মাদক কারবারের জাল বিস্তার করা হয়েছিল। এর সঙ্গে প্রতিবেশী রাষ্ট্র নেপাল ও উত্তর-পূর্ব ভারতের মাদক সিন্ডিকেটের সংস্রব রয়েছে বলেই সন্দেহ। যা পুলিস ও গোয়েন্দাদের কাছে মাথাব্যথার অন্যতম কারণ।
Advertisement
শিলিগুড়ির ডেপুটি পুলিস কমিশনার (পূর্ব) রাকেশ সিং অবশ্য বলেন, কোকেন কাণ্ডে ধৃত ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য মিলেছে। সেগুলি গুরুত্ব দিয়ে যাচাই করা হচ্ছে। পাশাপাশি মাদক কারবারের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নেওয়া হয়েছে। এই কারবারের বিরুদ্ধে লাগাতার অভিযান চলবে।
উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার শিলিগুড়িতে মাদক কারবারিদের দৌরাত্ম্য দীর্ঘদিনের। বিভিন্ন সময় শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কাফ সিরাপ, গাঁজা, ব্রাউন সুগার ও হেরোইন উদ্ধার হয়েছে। দু’দিন আগে শহরের ডাঙিপাড়ায় অভিযান চালিয়ে কোকেন কারবারি আলি ভাইকে পাকড়াও করা হয়। পুলিস ও গোয়েন্দা সূত্রের খবর, শহরের আরও দুই ব্যবসায়ী কোকেনের কারবারের সঙ্গে জড়িত। যারা শহরে কোকেনের সরবরাহকারী হিসেবে পরিচিত। আলি ভাই গ্রেপ্তার হওয়ার পরই অভিযুক্তরা উধাও। ওদের সঙ্গে ধৃতের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। সম্ভবত ফেরার কারবারিদের উৎসাহে তিন থেকে চার মাস ধরে কোকেনের কারবার চালাচ্ছিল আলি ভাই।
পুলিসের এক অফিসার জানান, ওই অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। কয়েক মাসের মধ্যে ধৃত আলি ভাই সম্ভবত কয়েক কোটি টাকার মাদক কারবার করেছে বলেই সন্দেহ।
কীভাবে চলত কোকেনের কারবার? পুলিস ও গোয়েন্দা সূত্রের খবর, শহরের একটি মার্কেটে বস্ত্র বিপণী রয়েছে। নেপাল থেকে ধুলয়াবাড়ি হয়ে পোশাক এখানে আমদানি করা হতো।
এই ব্যবসার আড়ালেই চলছিল কোকেনের কারবার। যা ‘পাউডার’ কিংবা ‘দাওয়াই’ সাঙ্কেতিক নামে বিক্রি করা হতো। তা অবশ্য সকলের কাছে বিক্রি করা হতো না। এজন্য ধৃত কাস্টমার চেন তৈরি করেছিল। যাদের সঙ্গে ধৃতের সম্পর্ক অনেক দিনের। শহর এবং আশপাশ এলাকায় ওই কাস্টমাররা ছড়িয়ে রয়েছে। ওরাও সেই কোড নামের মাধ্যমে কোকেন সংগ্রহ করত।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার শিলিগুড়ি পুলিসের সহযোগিতায় ৯৩ গ্রাম কোকেন সহ আলি ভাইকে গ্রেপ্তার করে রাজ্য পুলিসের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। উদ্ধার হওয়া মাদকের দাম কোটি টাকা। আদালতের নির্দেশে ধৃত পুলিস হেফাজতে রয়েছে। ঘটনার প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিস ও গোয়েন্দাদের সন্দেহ, নেপাল ও উত্তর-পূর্ব ভারতের মাদক সিন্ডিকেটের সঙ্গে ধৃতের যোগাযোগ রয়েছে। সম্ভবত সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলি থেকেই চোরাপথে এখানে ওই মাদক আনা হতো।
উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার শিলিগুড়িতে মাদক কারবারিদের দৌরাত্ম্য দীর্ঘদিনের। বিভিন্ন সময় শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কাফ সিরাপ, গাঁজা, ব্রাউন সুগার ও হেরোইন উদ্ধার হয়েছে। দু’দিন আগে শহরের ডাঙিপাড়ায় অভিযান চালিয়ে কোকেন কারবারি আলি ভাইকে পাকড়াও করা হয়। পুলিস ও গোয়েন্দা সূত্রের খবর, শহরের আরও দুই ব্যবসায়ী কোকেনের কারবারের সঙ্গে জড়িত। যারা শহরে কোকেনের সরবরাহকারী হিসেবে পরিচিত। আলি ভাই গ্রেপ্তার হওয়ার পরই অভিযুক্তরা উধাও। ওদের সঙ্গে ধৃতের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। সম্ভবত ফেরার কারবারিদের উৎসাহে তিন থেকে চার মাস ধরে কোকেনের কারবার চালাচ্ছিল আলি ভাই।
পুলিসের এক অফিসার জানান, ওই অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। কয়েক মাসের মধ্যে ধৃত আলি ভাই সম্ভবত কয়েক কোটি টাকার মাদক কারবার করেছে বলেই সন্দেহ।
কীভাবে চলত কোকেনের কারবার? পুলিস ও গোয়েন্দা সূত্রের খবর, শহরের একটি মার্কেটে বস্ত্র বিপণী রয়েছে। নেপাল থেকে ধুলয়াবাড়ি হয়ে পোশাক এখানে আমদানি করা হতো।
এই ব্যবসার আড়ালেই চলছিল কোকেনের কারবার। যা ‘পাউডার’ কিংবা ‘দাওয়াই’ সাঙ্কেতিক নামে বিক্রি করা হতো। তা অবশ্য সকলের কাছে বিক্রি করা হতো না। এজন্য ধৃত কাস্টমার চেন তৈরি করেছিল। যাদের সঙ্গে ধৃতের সম্পর্ক অনেক দিনের। শহর এবং আশপাশ এলাকায় ওই কাস্টমাররা ছড়িয়ে রয়েছে। ওরাও সেই কোড নামের মাধ্যমে কোকেন সংগ্রহ করত।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার শিলিগুড়ি পুলিসের সহযোগিতায় ৯৩ গ্রাম কোকেন সহ আলি ভাইকে গ্রেপ্তার করে রাজ্য পুলিসের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। উদ্ধার হওয়া মাদকের দাম কোটি টাকা। আদালতের নির্দেশে ধৃত পুলিস হেফাজতে রয়েছে। ঘটনার প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিস ও গোয়েন্দাদের সন্দেহ, নেপাল ও উত্তর-পূর্ব ভারতের মাদক সিন্ডিকেটের সঙ্গে ধৃতের যোগাযোগ রয়েছে। সম্ভবত সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলি থেকেই চোরাপথে এখানে ওই মাদক আনা হতো।



