নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: এবার জলাভূমি সংরক্ষণে উদ্যোগী শিলিগুড়ি পুরসভা। তারা এজন্য শহরে সার্ভে শুরু করছে। শনিবার পুরসভায় বৈঠকের পর একথা জানান মেয়র গৌতম দেব। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের মধ্যে শহরে পানীয় জলের সমস্যা অনেকটাই মিটবে। এখন ওভারহেড রিজার্ভার তৈরি করা নিয়ে কয়েকটি জায়গায় জমি জট রয়েছে। তা মেটানোর চেষ্টা চলছে।
Advertisement
এদিন জলাভূমি সংরক্ষণ করা নিয়ে পুরসভায় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়। তাতে মেয়র ছাড়াও প্রশাসনের আধিকারিকরা ছিলেন। বৈঠকের পর মেয়র বলেন, শহরের ১, ২৪, ৩৮ ও ৪৬ নম্বর ওয়ার্ড সহ বেশকিছু জায়গায় জলাভূমি রয়েছে। সেগুলি সংস্কার করে সংরক্ষিত করা হবে। সেগুলির জল শহরের বিভিন্ন বাগানে সরবরাহ করা হবে। এজন্য শহরে কতগুলি পরিত্যক্ত ডোবা, পুকুর রয়েছে, তা জানতে শীঘ্রই সমীক্ষায় নামা হবে। এজন্য রাজ্য সরকারের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা মিলেছে। মডেল শহরের রূপ দিতেই এমন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এদিনের বৈঠকে পানীয় জলের সমস্যা নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। মেয়র বলেন, মেগা জল প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। বনভূমির মধ্যদিয়ে তিস্তা নদীর অপরিস্রুত জল পাইপের মাধ্যমে ফুলবাড়ি প্লান্টে নিয়ে যাওয়ার অনুমোতি মিলেছে। মেগা প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপে ১৩টি ওভারহেড রিজার্ভার তৈরি করা হবে। এজন্য ১১টি জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। দু’টির জমি নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। তা শীঘ্রই মিটবে। এর বাইরে ৭ থেকে ৮টি পাম্প হাউস তৈরি করা হবে। ২০২৬ সালের মধ্যে জল সমস্যা অনেকটাই মিটবে বলে আমরা আশাবাদী।
এদিনের বৈঠকে পানীয় জলের সমস্যা নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। মেয়র বলেন, মেগা জল প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। বনভূমির মধ্যদিয়ে তিস্তা নদীর অপরিস্রুত জল পাইপের মাধ্যমে ফুলবাড়ি প্লান্টে নিয়ে যাওয়ার অনুমোতি মিলেছে। মেগা প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপে ১৩টি ওভারহেড রিজার্ভার তৈরি করা হবে। এজন্য ১১টি জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। দু’টির জমি নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। তা শীঘ্রই মিটবে। এর বাইরে ৭ থেকে ৮টি পাম্প হাউস তৈরি করা হবে। ২০২৬ সালের মধ্যে জল সমস্যা অনেকটাই মিটবে বলে আমরা আশাবাদী।



