নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: দিনেদুপুরে এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ উঠল। কলেজ পড়ুয়া ওই ছাত্রীর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে তাঁর মোবাইল ছিনতাই করে পালিয়ে যায় এক যুবক। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে নিউ জলপাইগুড়ি থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন ওই ছাত্রী। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। তবে এই ঘটনার পর শহরের ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন উঠেছে।
Advertisement
ইস্টার্ন বাইপাসের ঠাকুরনগর এলাকার বাসিন্দা ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রতিবেশী এক দাদার মাধ্যমে ময়নাগুড়ির বাসিন্দা এক যুবকের পরিচয় হয়। ওই দাদার মাধ্যমে ওই ছাত্রীর ফোন নম্বরও নিয়ে নেয় ওই যুবক। অভিযোগ, এরপর থেকেই ছাত্রীকে একাধিকভাবে যোগাযোগ শুরু করে সে। প্রেমের প্রস্তাবও দেয়। কিন্তু ছাত্রীটি তার পরিবারকে বিষয়টি জানান। এরপর যুবককে ডেকে পাঠানো হয়। সেই সময় ওই যুবক ছাত্রীর পরিবারকে জানায় সে সেনাবাহিনীতে কর্মরত। তাঁদের মেয়েকে বিয়ে করতে ইচ্ছুক। যা শুনে ছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা সেসময় যুবককে তার বাবা-মায়ের সঙ্গে পরিচয় করানোর জন্য বলেন।
অভিযোগ, এরপরেই নাকি ওই যুবক আর বাড়িতে যোগাযোগ না করে ছাত্রীর কলেজের বাইরে অপেক্ষা করতে থাকে। বাইরে বের হলে নানাভাবে উত্যক্ত করতে শুরু করে। টিউশন গেলে সেখানেও নানাভাবে উত্যক্ত করতে থাকে। গত সোমবার টিউশন থেকে ফেরার সময়ে ঢাকেশ্বরী কালীবাড়ির সামনে ওই ছাত্রীর রাস্তা আটকায় অভিযুক্ত। জোর করে মাথায় সিঁদুর পরাতে চায়। এরপরেই চিৎকার শুরু করে ছাত্রী। স্থানীয়রা জড়ো হলে, সেসময় ছাত্রীর ফোন ছিনতাই করে পালায় সে। মঙ্গলবার রাতে নিউ জলপাইগুড়ি থানাতে অভিযোগ জানান ছাত্রী। ঘটনার পর থেকে পলাতক অভিযুক্ত। এ প্রসঙ্গে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি (পশ্চিম) বিশ্বচাঁদ ঠাকুর বলেন, ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
অভিযোগ, এরপরেই নাকি ওই যুবক আর বাড়িতে যোগাযোগ না করে ছাত্রীর কলেজের বাইরে অপেক্ষা করতে থাকে। বাইরে বের হলে নানাভাবে উত্যক্ত করতে শুরু করে। টিউশন গেলে সেখানেও নানাভাবে উত্যক্ত করতে থাকে। গত সোমবার টিউশন থেকে ফেরার সময়ে ঢাকেশ্বরী কালীবাড়ির সামনে ওই ছাত্রীর রাস্তা আটকায় অভিযুক্ত। জোর করে মাথায় সিঁদুর পরাতে চায়। এরপরেই চিৎকার শুরু করে ছাত্রী। স্থানীয়রা জড়ো হলে, সেসময় ছাত্রীর ফোন ছিনতাই করে পালায় সে। মঙ্গলবার রাতে নিউ জলপাইগুড়ি থানাতে অভিযোগ জানান ছাত্রী। ঘটনার পর থেকে পলাতক অভিযুক্ত। এ প্রসঙ্গে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি (পশ্চিম) বিশ্বচাঁদ ঠাকুর বলেন, ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।



