নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: ঘরের তিনটি দেওয়াল পাকা হলেও মিলবে বাংলা আবাস যোজনার টাকা। রাজ্য সরকারের নির্দেশে এমন যোগ্যতামান সামনে রেখেই আবাস যোজনার খসড়া উপভোক্তা তালিকা প্রস্তুত করছে শিলিগুড়ি মহকুমা প্রশাসন। আগামীকাল, মঙ্গলবার তারা উপভোক্তা তালিকা প্রকাশ করবে। প্রশাসন সূত্রের খবর, মহকুমায় আবাস যোজনায় এখন পর্যন্ত মোট আবেদনকারীর মধ্যে যোগ্য ৭৫ শতাংশ। অন্যদিকে, ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে গ্রাম সভায় অনুমোদন করতে হবে সেই তালিকা। তা নিয়ে গ্রামে গ্রামে উত্তজনা ছড়াতে পারে বলে আশঙ্কা। নির্বিঘ্নে গ্রাম সভা করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রশাসন। তারা পুলিস পাহারায় সেই সভা করার চিন্তাভাবনা করছে।
Advertisement
আবাস যোজনার অর্থ বরাদ্দ বন্ধ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এরপরই নিজস্ব তহবিল থেকে গ্রামবাসীদের গৃহ নির্মাণের অর্থ প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। ইতিমধ্যে গ্রামবাসীদের দাবি মতো তারা উপভোক্তা নির্ধারণের সূচক কিছুটা সরলীকরণ করেছে। প্রশাসন সূত্রের খবর, পাকা বাড়ি থাকলে ঘরের টাকা মিলবে না বলে আগে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। সেই মানদণ্ডের কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। টিনের চাল দেওয়া ঘরের তিনটি ওয়াল পাকা হলেও আবাসের টাকা প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূচক সামনে রেখেই প্রস্তাবিত উপভোক্ত তালিকা নিয়ে প্রশাসন সার্ভে করছে।
শিলিগুড়ির অতিরিক্ত জেলাশাসক (মহকুমা পরিষদ) নির্মাল্য ঘরামি বলেন, রাজ্য সরকারের নির্দেশ মতো আবাসের উপভোক্তা তালিকা নিয়ে সার্ভের কাজ প্রায় শেষ। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।
রাজ্যের অন্যান্য জেলার মতো এক মাস আগে মহকুমায় প্রস্তাবিত উপভোক্তা তালিকা নিয়ে বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা শুরু হয়। প্রশাসন জানিয়েছে, মহকুমায় আবেদনকারীর সংখ্যা ২৪ হাজার ১৫৮ জন। যার মধ্যে ফাঁসিদেওয়া ব্লকে আবেদনকারীর সংখ্যা সর্বাধিক, ১১ হাজার ৫৪৮ জন। খড়িবাড়ি ব্লকে ৬৮২৫, নকশালবাড়িতে ৪৬১৬ এবং মাটিগাড়ায় ১১৬৯ জন। বাড়ি বাড়ি সমীক্ষার পর শীর্ষ আধিকারিকরা ময়দানে নেমে ‘সুপার চেকিং’ করেন। সরকারি নির্ধারিত ১১ দফা যোগ্যতামান অনুসারে ওই আবেদনকারীদের মধ্যে প্রায় ১৮ হাজার ১১৯ জন যোগ্য। যা মোট আবেদনকারীর ৭৫ শতাংশ। বাকি ২৫ শতাংশ বিভিন্ন কারণে অযোগ্য। তাদের মধ্যে অনেককে গ্রামে পাওয়াই যায়নি। আগামীকাল, খসড়া হিসেবে সেই উপভোক্তা তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।
মাটিগাড়ার বিডিও বিশ্বজিৎ দাস বলেন, নিয়ম মেনে আবাসের খসড়া উপভোক্তা তালিকা প্রকাশের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ওই তালিকা সাত দিন টাঙানো থাকবে। তা নিয়ে অভাব-অভিযোগ থাকলে জানাতে পারবেন গ্রামবাসীরা।
উপভোক্তা তালিকা ছাকনির আরও ধাপ রয়েছে। প্রশাসন সূত্রের খবর, ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে গ্রাম সভায় সেই তালিকা পেশ করে অনুমোদন করতে হবে। পরবর্তীতে ব্লক ও জেলা স্তারের কমিটিতে আলোচনা করে তালিকা চূড়ান্ত করতে হবে। এরপর গৃহ নির্মাণের জন্য ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা তিনটি কিস্তিতে পাবেন উপভোক্তারা। তবে গ্রাম সভায় তালিকা পেশ করা নিয়ে গোলমাল হতে পারে বলে আশঙ্কা। প্রশাসনের আধিকারিকরা জানান, পুলিসের উপস্থিতিতে সেই সভা সুষ্ঠুমতো করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
শিলিগুড়ির অতিরিক্ত জেলাশাসক (মহকুমা পরিষদ) নির্মাল্য ঘরামি বলেন, রাজ্য সরকারের নির্দেশ মতো আবাসের উপভোক্তা তালিকা নিয়ে সার্ভের কাজ প্রায় শেষ। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।
রাজ্যের অন্যান্য জেলার মতো এক মাস আগে মহকুমায় প্রস্তাবিত উপভোক্তা তালিকা নিয়ে বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা শুরু হয়। প্রশাসন জানিয়েছে, মহকুমায় আবেদনকারীর সংখ্যা ২৪ হাজার ১৫৮ জন। যার মধ্যে ফাঁসিদেওয়া ব্লকে আবেদনকারীর সংখ্যা সর্বাধিক, ১১ হাজার ৫৪৮ জন। খড়িবাড়ি ব্লকে ৬৮২৫, নকশালবাড়িতে ৪৬১৬ এবং মাটিগাড়ায় ১১৬৯ জন। বাড়ি বাড়ি সমীক্ষার পর শীর্ষ আধিকারিকরা ময়দানে নেমে ‘সুপার চেকিং’ করেন। সরকারি নির্ধারিত ১১ দফা যোগ্যতামান অনুসারে ওই আবেদনকারীদের মধ্যে প্রায় ১৮ হাজার ১১৯ জন যোগ্য। যা মোট আবেদনকারীর ৭৫ শতাংশ। বাকি ২৫ শতাংশ বিভিন্ন কারণে অযোগ্য। তাদের মধ্যে অনেককে গ্রামে পাওয়াই যায়নি। আগামীকাল, খসড়া হিসেবে সেই উপভোক্তা তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।
মাটিগাড়ার বিডিও বিশ্বজিৎ দাস বলেন, নিয়ম মেনে আবাসের খসড়া উপভোক্তা তালিকা প্রকাশের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ওই তালিকা সাত দিন টাঙানো থাকবে। তা নিয়ে অভাব-অভিযোগ থাকলে জানাতে পারবেন গ্রামবাসীরা।
উপভোক্তা তালিকা ছাকনির আরও ধাপ রয়েছে। প্রশাসন সূত্রের খবর, ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে গ্রাম সভায় সেই তালিকা পেশ করে অনুমোদন করতে হবে। পরবর্তীতে ব্লক ও জেলা স্তারের কমিটিতে আলোচনা করে তালিকা চূড়ান্ত করতে হবে। এরপর গৃহ নির্মাণের জন্য ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা তিনটি কিস্তিতে পাবেন উপভোক্তারা। তবে গ্রাম সভায় তালিকা পেশ করা নিয়ে গোলমাল হতে পারে বলে আশঙ্কা। প্রশাসনের আধিকারিকরা জানান, পুলিসের উপস্থিতিতে সেই সভা সুষ্ঠুমতো করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।



