নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: সিপিএম ব্যর্থ। তিন দশকেরও বেশি সময় তারা শিলিগুড়ি পুরসভার গদি দখলে রাখলেও পানীয় জল প্রকল্পে বিকল্প ইনটেক ওয়েল গড়তে পারেনি। কিন্তু পুরসভা দখলের মাত্র আড়াই বছরের মধ্যেই সাফল্যের সঙ্গে সেই প্রকল্প গড়ল তৃণমূল কংগ্রেস। বুধবার দার্জিলিং পাহাড় থেকে ভার্চুয়ালি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংশ্লিষ্ট প্রকল্প উদ্বোধনের পর একথা বলেন মেয়র গৌতম দেব। তিনি বলেন, তিনমাসের মধ্যে মেগা জল প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যারের কাজের সূচনা হবে। প্রথমেই তৈরি করা হবে পন্ড।
Advertisement
এদিন শিলিগুড়ির জল প্রকল্পের বিকল্প ইনটেক ওয়েলের পাশাপাশি আরও একগুচ্ছ উপহার দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তালিকায় পুলিস কমিশনারেটের নতুন ভবন থেকে কমিউনিটি স্যানিটারি কমপ্লেক্স, সোলার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট থেকে তিনটি বড় রাস্তাও রয়েছে। সবমিলিয়ে মহকুমাতেই প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শিলিগুড়ি শহরে পানীয় জল প্রকল্পের বিকল্প ইনটেক ওয়েল তৈরির দাবি ছিল বহুদিনের। আড়াই বছর আগে পুরসভার ক্ষমতা দখল করেই সেই দাবি পূরণে তৎপর হয় তৃণমূল। ফুলবাড়িতে তিস্তা-মহানন্দা লিঙ্ক ক্যানালে ইনটেক ওয়েল তৈরি হয়েছে। দার্জিলিং থেকে সেটির উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। শহরের বাঘাযতীন পার্কে একটি মঞ্চ গড়া হয়। তাতে মেয়র ছাড়াও ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার, জল সরবরাহ বিভাগের মেয়র পরিষদ দুলাল দত্ত, শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের সভাধিপতি অরুণ ঘোষ, সহকারী সভাধিপতি রোমা রেশমি এক্কা, পুলিস কমিশনার সি সুধাকর প্রমুখ ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর মেয়র বলেন, ১৯৯৯ সালে ফুলবাড়িতে জল প্রকল্পের উদ্বোধন করে বামফ্রন্ট। সংশ্লিষ্ট প্রকল্প সর্বদা সচল রাখার জন্য সেখানে বিকল্প ইনটেক ওয়েল তৈরির দাবি বামফ্রন্ট জমানাতেই তোলা হয়। তিন দশকেরও বেশি সময় পুরসভার ক্ষমতায় থাকলেও সিপিএম দাবি পূরণ করতে পারেনি। আমরা মাত্র আড়াই বছরের মধ্যে সেই দাবি পূরণে সক্ষম হয়েছি। প্রকল্প তৈরি করতে খরচ হয়েছে ৬ কোটি ৯ লক্ষ টাকা। মেগা জল প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে জেটি, ইনটেক পয়েন্ট, পাওয়ার হাউস, পাইল লাইন পাতার কাজ চলছে। সেই প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ মার্চ মাসের মধ্যে শুরু হবে।
সিপিএম অবশ্য মেয়রের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। সিপিএম কাউন্সিলার তথা সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ সদস্য শরদিন্দু চক্রবর্তী বলেন, ওই বিকল্প ইনটেক ওয়েল বামফ্রন্ট জমানায় তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বিভিন্ন কারণে তা হয়নি। কিন্তু, পুরসভার ক্ষমতা দখলের তিনমাসের মধ্যে শহরের জল সমস্যা মেটাতে ৫০০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প ঘোষণা করেছিল তৃণমূল। তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। ব্যর্থতা আড়াল করতেই দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর কথা বলছেন মেয়র।
এদিকে, পাহাড়ের প্রশাসনিক সভা থেকে শিলিগুড়ি পুলিস কমিশনারেটের নতুন ছ’তলা ভবনেরও উদ্বোধন করা হয়েছে। যা বানাতে খরচ হয়েছে ২০ কোটি ৫২ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা। এর বাইরে মাটিগাড়ায় ফাঁসিদেওয়া রোড নির্মাণে ৯ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকা, মাটিগাড়ায় দু’টি পেভার ব্লকের রাস্তা ও লালপুল রোড তৈরি করতে ৫ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা, গ্রামীণ এলাকায় ২২টি কমিউনিটি শৌচালয়ের জন্য ৯০ লক্ষ ২০ হাজার টাকা, সোলায় সিস্টেমযুক্ত ৪৭টি জল প্রকল্প গড়তে ১ কোটি ৭১ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।
শিলিগুড়ি শহরে পানীয় জল প্রকল্পের বিকল্প ইনটেক ওয়েল তৈরির দাবি ছিল বহুদিনের। আড়াই বছর আগে পুরসভার ক্ষমতা দখল করেই সেই দাবি পূরণে তৎপর হয় তৃণমূল। ফুলবাড়িতে তিস্তা-মহানন্দা লিঙ্ক ক্যানালে ইনটেক ওয়েল তৈরি হয়েছে। দার্জিলিং থেকে সেটির উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। শহরের বাঘাযতীন পার্কে একটি মঞ্চ গড়া হয়। তাতে মেয়র ছাড়াও ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার, জল সরবরাহ বিভাগের মেয়র পরিষদ দুলাল দত্ত, শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের সভাধিপতি অরুণ ঘোষ, সহকারী সভাধিপতি রোমা রেশমি এক্কা, পুলিস কমিশনার সি সুধাকর প্রমুখ ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর মেয়র বলেন, ১৯৯৯ সালে ফুলবাড়িতে জল প্রকল্পের উদ্বোধন করে বামফ্রন্ট। সংশ্লিষ্ট প্রকল্প সর্বদা সচল রাখার জন্য সেখানে বিকল্প ইনটেক ওয়েল তৈরির দাবি বামফ্রন্ট জমানাতেই তোলা হয়। তিন দশকেরও বেশি সময় পুরসভার ক্ষমতায় থাকলেও সিপিএম দাবি পূরণ করতে পারেনি। আমরা মাত্র আড়াই বছরের মধ্যে সেই দাবি পূরণে সক্ষম হয়েছি। প্রকল্প তৈরি করতে খরচ হয়েছে ৬ কোটি ৯ লক্ষ টাকা। মেগা জল প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে জেটি, ইনটেক পয়েন্ট, পাওয়ার হাউস, পাইল লাইন পাতার কাজ চলছে। সেই প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ মার্চ মাসের মধ্যে শুরু হবে।
সিপিএম অবশ্য মেয়রের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। সিপিএম কাউন্সিলার তথা সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ সদস্য শরদিন্দু চক্রবর্তী বলেন, ওই বিকল্প ইনটেক ওয়েল বামফ্রন্ট জমানায় তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বিভিন্ন কারণে তা হয়নি। কিন্তু, পুরসভার ক্ষমতা দখলের তিনমাসের মধ্যে শহরের জল সমস্যা মেটাতে ৫০০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প ঘোষণা করেছিল তৃণমূল। তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। ব্যর্থতা আড়াল করতেই দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর কথা বলছেন মেয়র।
এদিকে, পাহাড়ের প্রশাসনিক সভা থেকে শিলিগুড়ি পুলিস কমিশনারেটের নতুন ছ’তলা ভবনেরও উদ্বোধন করা হয়েছে। যা বানাতে খরচ হয়েছে ২০ কোটি ৫২ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা। এর বাইরে মাটিগাড়ায় ফাঁসিদেওয়া রোড নির্মাণে ৯ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকা, মাটিগাড়ায় দু’টি পেভার ব্লকের রাস্তা ও লালপুল রোড তৈরি করতে ৫ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা, গ্রামীণ এলাকায় ২২টি কমিউনিটি শৌচালয়ের জন্য ৯০ লক্ষ ২০ হাজার টাকা, সোলায় সিস্টেমযুক্ত ৪৭টি জল প্রকল্প গড়তে ১ কোটি ৭১ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।



