সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ি শহরের ভানুনগরে যুবতী খুনের ঘটনায় পুলিস এখনও অন্ধকারে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে খুনের মামলা রুজু হলেও এখনও পুলিস কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। শুক্রবার দুপুরে ভানুনগরে একটি আবাসনের ফ্ল্যাট থেকে পুষ্পা ছেত্রী (২৭) নামে এক যুবতীর গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার হয়। খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র এবং তরুণীর স্মার্ট ফোনের হদিশ মেলেনি। ডুয়ার্সের গোরুবাথান ব্লকের বাগরাকোটের বাসিন্দা ওই যুবতী তিন বছর ধরে ভানুনগরে ওই ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন। মাটিগাড়ার একটি পার্লারে তিনি কাজ করতেন। একে পরিকল্পিত খুন বলেই মনে করছেন তাঁর পরিজনরা। শনিবার বাগরাকোট থেকে তাঁর পরিজনরা শিলিগুড়িতে এসে মৃতদেহ শনাক্ত করে পুলিসের সঙ্গে ফ্ল্যাটে যান। তারপর মৃতার কর্মস্থল সহ বিভিন্ন জায়গায় তাঁরা খোঁজখবর করে খুনের কারণ জানার চেষ্টা করেন। আত্মীয় সুশান্ত সুব্বা বলেন, মালবাজার থানা থেকে খবর পাওয়ার পর এদিন সকালে আমরা শিলিগুড়িতে পৌঁছই। মৃতার গলা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কাটা। আরও কয়েক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘরের মেঝে ও বিছানার চাদরে রক্ত থাকলেও ঘরের জিনিসপত্র ওলট-পালট হয়নি। সবকিছু দেখে আমাদের মনে হয়েছে, এটি একটি পরিকল্পিত খুন। এর পিছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে। এদিকে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি ( ইস্ট) রাকেশ সিং বলেন, মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। ওই যুবতী যেখানে কাজ করতেন সেখানকার মালিক ও কর্মীদের পাশাপাশি ভাড়াবাড়িতে মৃতার কাছে কাদের যাতায়াত ছিল তাদের খোঁজ করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



