সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: শিলিগুড়ি মহাকুমা এলাকার চা বাগানে বাড়চ্ছে চিতাবাঘের সংখ্যা। এমনই দাবি স্থানীয় বাসিন্দা থেকে পশুপ্রেমী সংগঠনগুলির। যদিও, সঠিক পরিসংখ্যান নেই বনদপ্তরের কাছে। সংঘাত এড়াতে চলছে সচেতনতামূলক প্রচার। এজন্য সরকারিভাবে চা বাগানের চিতাবাঘের সংখ্যা নথিভুক্ত করতে গণনার দাবি তুলেছে পশুপ্রেমী সংগঠনগুলি। নকশালবাড়ি, খড়িবাড়ি ব্লকে রয়েছে বেশ কয়েকটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল। যা ঘেঁষে রয়েছে একাধিক চা বাগান। ওই দু’টি ব্লকেই নয়, ফাঁসিদেওয়া এবং মাটিগাড়া ব্লকের চা বাগানেও রয়েছে চিতাবাঘের আতঙ্ক।
Advertisement
পশুপ্রেমী সংগঠন এনএইচডব্লুও-র সদস্য সন্দীপ সরকার বলেন, চলতি বছরে মহকুমার দু’টি চা বাগানে চিতাবাঘের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল। চা বাগান সংলগ্ন রাস্তায় গাড়ি ধাক্কায় দুটি চিতাবাঘের মৃত্যু হয়েছে। চা বাগান এলাকায় চিতাবাঘের সংখ্যা বাড়ছে। শিলিগুড়ি মহাকুমার চা বাগানগুলিতে আনুমানিক প্রায় দেড়শোর মত চিতাবাঘ রয়েছে। মাঝেমধ্যেই চিতাবাঘের আতঙ্ক দেখা যায়। এনিয়ে বনদপ্তরকে সরকারিভাবে নথি সংগ্রহ করা দরকার। যাতে সেই তথ্যমতো বনদপ্তর ব্যবস্থা নিতে পারে।
অপর এক পশুপ্রমী সংগঠন এনডব্লুএ-র সদস্য অনুজিত্ বসু বলেন, চা বাগান এলাকায় সংঘাত এড়াতে বিভিন্ন এলাকায় বনদপ্তর ক্যাম্পিং চালাচ্ছে। তাতে চা বাগান এলাকায় কাজে যাওয়ার কী কী সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে, সেটা শ্রমিকদের বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে। চা বাগান এলাকায় চিতাবাঘের সংখ্যা বেড়েছে বলে মেনে নিয়েছেন কার্শিয়াং ডিভিশনের ডিএফও দেবেশ পান্ডে। তিনি বলেন, ছোট বনাঞ্চলগুলিতে চিতাবাঘকে কিছু অসাধুরা উত্তক্ত্য করে। এজন্য চিতাবাঘ লোকালয় ও চা বাগান এলাকামুখী হচ্ছে।
অপর এক পশুপ্রমী সংগঠন এনডব্লুএ-র সদস্য অনুজিত্ বসু বলেন, চা বাগান এলাকায় সংঘাত এড়াতে বিভিন্ন এলাকায় বনদপ্তর ক্যাম্পিং চালাচ্ছে। তাতে চা বাগান এলাকায় কাজে যাওয়ার কী কী সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে, সেটা শ্রমিকদের বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে। চা বাগান এলাকায় চিতাবাঘের সংখ্যা বেড়েছে বলে মেনে নিয়েছেন কার্শিয়াং ডিভিশনের ডিএফও দেবেশ পান্ডে। তিনি বলেন, ছোট বনাঞ্চলগুলিতে চিতাবাঘকে কিছু অসাধুরা উত্তক্ত্য করে। এজন্য চিতাবাঘ লোকালয় ও চা বাগান এলাকামুখী হচ্ছে।



