সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: আজ, বুধবার বড়দিন। সেই ছুটির আমেজে বনভোজনে মাতবেন আপামর বাঙালি। শীত জাঁকিয়ে পড়তেই বনভোজনের আমেজে মজেছেন শিলিগুড়িবাসী। শহর থেকে দূরে বনবিভাগের বিভিন্ন ইকো ট্যুরিজম পিকনিক স্পটে ভিড় জমাচ্ছেন বনভোজনকারীরা। গত রবিবারও ছিল বেশ ভিড়। তবে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে পিকনিক করতে মানা করেছে বনবিভাগ। কার্শিয়াং ডিভিশনের পাহাড় সমতল মিলিয়ে ৯টি ইকো ট্যুরিজম স্পট রয়েছে। এরমধ্যে বাগডোগরা রেঞ্জের অধীনে রয়েছে তিনটি। টিপুখোলা ও ট্রিল্যান্ড স্পটটি বাগডোগরার বনাঞ্চলের ভিতরে রয়েছে। অপরটি রয়েছে নকশালবাড়ি ব্লকের এমএমতরাইয়ে। ওই ইকোটুরিজম স্পটের পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে বালাসন নদী। যার একপাশে ওর্ড চা বাগান। নদীর ওপারে রয়েছে সাপটিগুড়ি বনাঞ্চল। সেখান থেকে দেখা যায় কার্শিয়াং পাহাড়ের মনোরম দৃশ্য।
Advertisement
শিলিগুড়ির কাছেপিঠে বলে ডিসেম্বরে পিকনিক দলের আনাগোনা শুরু হয়েছে। শিলিগুড়ির এক বাসিন্দা অর্পিতা সাহা বলেন, পাহাড় মাঝেমধ্যেই যাই। তবে শিলিগুড়ির অদূরে নদী, জঙ্গল ও চা বাগান ঘেরা এই এলাকায় আনন্দ অন্যরকম। গত বছর বন্ধুদের সঙ্গে এসেছিলাম। এবার সপরিবারে এসেছি। নকশালবাড়ির বাসিন্দা প্রবীণ লামা বলেন, খুব একটা দূরে যেতে হচ্ছে না। নকশালবাড়ি থেকে ১১ কিমির মধ্যে এই এলাকাটি। এমএমতরাই এলাকার জয়েন্ট ফরেস্ট ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্যদের ওই পিকনিক স্পট পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সেখানে মাথাপিছু কুড়ি টাকা এন্ট্রি ফি রয়েছে। গাড়ি পার্কিংয়ের আলাদা ফি রয়েছে। যা বনবিভাগ সঙ্গে যৌথভাবে তুলছেন কমিটির সদস্যরা। সেখানে ৬টি বসার ঘর সহ ৭টি খাবারের স্টল রয়েছে।
কার্শিয়াং বনবিভাগ সূত্রে খবর, ডিভিশনের অধীনে ৯টি ইকো ট্যুরিজম স্পট রয়েছে। তাতে বামনপোখড়ি রেঞ্জের অধীনে ফুগুড়ি, পানিঘাটা রেঞ্জে পানিঘাটা ইকোপার্ক, ঘোষপুকুর রেঞ্জে দুলালি ইকো পার্ক, কালীঝোড়া রেঞ্জের লাটপাংচার ট্রবো নিকো পার্ক, কার্শিয়াং রেঞ্জে পাইনফরেস্ট ও চিমনিতে বনবিভাগের উদ্যোগে খোলা হয়েছে পিকনিকস্পট। তবে বনাঞ্চলে পিকনিক না করার আবেদন জানিয়েছেন কার্শিয়াং ডিভিশনের ডিএফও দেবেশ পান্ডে। তিনি বলেন, পানিঘাটায় বিশাল এলাকাজুড়ে পিকনিক স্পট খোলা হয়েছে। সেখানে প্রচুর মানুষ আসতে পারেন। আমরা সৌন্দার্যায়ন, পরিষেবায় খামতি রাখেনি। সেখানে ফুডস্টল সহ ক্যাম্পিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। স্পটগুলিতে বন্যপ্রাণী আনাগোনার সমস্যা নেই। কিন্তু বনাঞ্চলের ভিতরে কোনও ঘটনা হলে আমরা দায়িত্ব নেব না। সংরক্ষিত বনের ভিতর পিকনিক করতে গিয়ে ধরা পড়লে ফাইন করা হবে। ডিভিশনের অধীনে সমতলে একাধিক সংরক্ষিত বনাঞ্চল রয়েছে। বনকর্মীদের নিয়মিত টহল দিতে বলেছি।
কার্শিয়াং বনবিভাগ সূত্রে খবর, ডিভিশনের অধীনে ৯টি ইকো ট্যুরিজম স্পট রয়েছে। তাতে বামনপোখড়ি রেঞ্জের অধীনে ফুগুড়ি, পানিঘাটা রেঞ্জে পানিঘাটা ইকোপার্ক, ঘোষপুকুর রেঞ্জে দুলালি ইকো পার্ক, কালীঝোড়া রেঞ্জের লাটপাংচার ট্রবো নিকো পার্ক, কার্শিয়াং রেঞ্জে পাইনফরেস্ট ও চিমনিতে বনবিভাগের উদ্যোগে খোলা হয়েছে পিকনিকস্পট। তবে বনাঞ্চলে পিকনিক না করার আবেদন জানিয়েছেন কার্শিয়াং ডিভিশনের ডিএফও দেবেশ পান্ডে। তিনি বলেন, পানিঘাটায় বিশাল এলাকাজুড়ে পিকনিক স্পট খোলা হয়েছে। সেখানে প্রচুর মানুষ আসতে পারেন। আমরা সৌন্দার্যায়ন, পরিষেবায় খামতি রাখেনি। সেখানে ফুডস্টল সহ ক্যাম্পিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। স্পটগুলিতে বন্যপ্রাণী আনাগোনার সমস্যা নেই। কিন্তু বনাঞ্চলের ভিতরে কোনও ঘটনা হলে আমরা দায়িত্ব নেব না। সংরক্ষিত বনের ভিতর পিকনিক করতে গিয়ে ধরা পড়লে ফাইন করা হবে। ডিভিশনের অধীনে সমতলে একাধিক সংরক্ষিত বনাঞ্চল রয়েছে। বনকর্মীদের নিয়মিত টহল দিতে বলেছি।



