Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

শিলিগুড়ি মেগা জল প্রকল্পের পাইপ পাতার অনুমোদন প্রদান বনদপ্তরের

শিলিগুড়ি মেগা জল প্রকল্পের পাইপ পাতার অনুমোদন প্রদান বনদপ্তরের
  • ২১ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: জমির বদলে জমি! এই শর্তেই মেগা জল প্রকল্পের জন্য শিলিগুড়ি পুরসভাকে জমি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে বনদপ্তর। এজন্য পুরসভা জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে বনদপ্তরকে কিছু জমি দিচ্ছে। বুধবার নির্মীয়মাণ মেগা জল প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের কাজ পর্যালোচনা করার পর একথা জানান মেয়র গৌতম দেব। পাশাপাশি তিনি বলেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে মেগা জল প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে পন্ড অর্থাৎ পুকুর তৈরির কাজ শুরু হবে। যতদিন পর্যন্ত এই প্রকল্প বাস্তবায়িত না হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত জল সঙ্কট মেটাতে শহরে কিছু ডিপ টিউবওয়েল তৈরি করা হবে।
Advertisement
৫০০ কোটিরও বেশি টাকায় মেগা জল প্রকল্প গড়ছে পুরসভা। সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে গজলডোবায় তিস্তা নদীতে ইনটেক ওয়েল, জেটি, পাওয়ার হাউস প্রভৃতি তৈরি হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ইনটেক পয়েন্ট থেকে অপরিস্রুত জল পাইপ লাইনের মাধ্যমে নিয়ে যাওয়া হবে ফুলবাড়ি প্লান্টে। এজন্য গজলডোবা থেকে মান্দাতারি, শিকারপুর, বিন্নাগুড়ি ও ফুলবাড়ি-১ এই চারটি গ্রাম পঞ্চায়েত হয়ে ফুলবাড়ি প্লান্ট পর্যন্ত পাইপ লাইন পাতা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮ কিমি। তাতে পর্যটন, হাইওয়ে, রেল ও বনদপ্তরের বৈকুণ্ঠপুর ডিভিশনের জমি রয়েছে।
পুরসভা সূত্রের খবর, ওই এলাকায় বৈকুণ্ঠপুর ফরেস্টের জমির পরিমাণ প্রায় ৬ হেক্টর। অন্য এলাকায় জমি দেওয়ার শর্তে সেই জমি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে বনদপ্তর। মেয়র বলেন, নিয়ম অনুসারেই বনদপ্তরকে সমপরিমাণ জমি জোগাড় করে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এজন্য জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারের জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছিল। শীঘ্রই সেই জমি জোগাড় হবে বলেই আশা করছি। এরবাইরে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ নিয়েও টেন্ডার প্রক্রিয়া প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে। তিন মাসের মধ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজে হাত দেওয়া হবে। এরপরে তৃতীয় জল প্রকল্প তৈরির ব্যাপারে জোর দেওয়া হবে।      
সম্পর্কিত সংবাদ