নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: আরও ত্রিস্তর ছাঁকনি। গ্রামসভা, ব্লক কমিটি ও জেলা কমিটি। শিলিগুড়িতে এই তিনটি স্তরে পৃথকভাবে ঝাড়াইবাছাইয়ের পরই চূড়ান্ত হবে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের খসড়া উপভোক্তা তালিকা। ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার ঘর বণ্টন নিয়ে স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিলিগুড়ি মহকুমা প্রশাসন। এদিকে, ২৪ ঘণ্টা আগে প্রকাশিত খসড়া উপভোক্তা তালিকা নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রশাসনের কাছে কোনও লিখিত অভিযোগ হয়নি। তবে কয়েকজন মৌখিকভাবে তালিকা নিয়ে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন বলে খবর।
Advertisement
বাংলার বাড়ি প্রকল্পের চূড়ান্ত উপভোক্তা তালিকা ত্রুটিমুক্ত করতে জোর তৎপর প্রশাসন। তারা ইতিমধ্যেই খসড়া তালিকা গ্রামসভায় অনুমোদন করার কথা ঘোষণা করেছে। গ্রামসভার জন্য গ্রামে গ্রামে মাইকে প্রচার চলছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, শিলিগুড়িতে গ্রাম পঞ্চায়েতের সংখ্যা ২২টি। ৪ ও ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সর্বত্র গ্রামসভা হবে। তাতে গ্রামের সর্বস্তরের বাসিন্দাদের হাজির থাকতে বলা হয়েছে। সভায় উঠে আসা অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখে মেটানো হবে।
এরপর ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে সেই তালিকা পেশ হবে ব্লক কমিটিতে। সংশ্লিষ্ট কমিটিতে বিডিও, জয়েন্ট বিডিও, বিএলএলআরও এবং থানার আইসি ও ওসিরা থাকবেন। সেই বৈঠকের রিপোর্ট সহ উপভোক্তা তালিকা পেশ হবে জেলা কমিটিতে। সংশ্লিষ্ট কমিটির চেয়ারম্যান ডিএম। কমিটিতে অতিরিক্ত জেলাশাসক (মহকুমা পরিষদ), মহকুমা পরিষদের সচিব, মহকুমা শাসক, জেলা ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক প্রমুখ রয়েছেন। ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কমিটির বৈঠক হবে।
প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, অতীতে আবাস যোজনার উপভোক্তা তালিকা নিয়ে ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠেছে। অযোগ্যকে তালিকায় যোগ্য হিসেবে দেখানোর অভিযোগ উঠেছিল। এবার বাংলার বাড়ি নিয়ে সে ধরনের অভিযোগ যাতে না ওঠে সেজন্যই উপভোক্তা তালিকা দফায় দফায় ছাঁকনি করা হচ্ছে। বাড়ি বাড়ি সার্ভে, সুপার চেকিং, খসড়া নিয়ে অভাব-অভিযোগ লিপিবদ্ধ করার পর আরও তিনবার তালিকা খতিয়ে দেখা হবে। অতিরিক্ত জেলাশাসক (মহকুমা পরিষদ) নির্মাল্য ঘরামি বলেন, রাজ্য সরকারের নির্দেশেই সংশ্লিষ্ট তিনটি স্তরে খসড়া উপভোক্তা তালিকা হাচাই করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, শিলিগুড়িতে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের খসড়া তালিকায় যোগ্য উপভোক্তার সংখ্যা ১৬ হাজার ৯৬২ জন। এরবাইরে অযোগ্য উপভোক্তার সংখ্যা ৫১৫৩ জন এবং নিষ্ক্রিয় উপভোক্তার সংখ্যা ২০৪৩ জন। সার্ভের সময় তাঁদের গ্রামে খুঁজে পাওয়া যায়নি। বুধবার আনুষ্ঠানিভাবে সংশ্লিষ্ট তালিকা প্রকাশ হয়েছে। পরিষদ সহ চারটি বিডিও অফিসের নোটিস বোর্ডে সেই তালিকা টাঙানো হয়েছে। ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ ব্যাপারে অভাব-অভিযোগ জানাতে পারবেন গ্রামবাসীরা। এজন্য বিডিও অফিসগুলিতে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। কিন্তু তালিকা প্রকাশের ২৪ ঘণ্টা পরও কন্ট্রোল রুমে লিখিতভাবে একটিও অভিযোগ দাখিল হয়নি। অতিরিক্ত জেলাশাসক (মহকুমা পরিষদ) বলেন, তালিকা নিয়ে কয়েকজন মৌখিকভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁদেরকে লিখিতভাবে অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। তা পাওয়ার পর খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এরপর ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে সেই তালিকা পেশ হবে ব্লক কমিটিতে। সংশ্লিষ্ট কমিটিতে বিডিও, জয়েন্ট বিডিও, বিএলএলআরও এবং থানার আইসি ও ওসিরা থাকবেন। সেই বৈঠকের রিপোর্ট সহ উপভোক্তা তালিকা পেশ হবে জেলা কমিটিতে। সংশ্লিষ্ট কমিটির চেয়ারম্যান ডিএম। কমিটিতে অতিরিক্ত জেলাশাসক (মহকুমা পরিষদ), মহকুমা পরিষদের সচিব, মহকুমা শাসক, জেলা ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক প্রমুখ রয়েছেন। ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কমিটির বৈঠক হবে।
প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, অতীতে আবাস যোজনার উপভোক্তা তালিকা নিয়ে ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠেছে। অযোগ্যকে তালিকায় যোগ্য হিসেবে দেখানোর অভিযোগ উঠেছিল। এবার বাংলার বাড়ি নিয়ে সে ধরনের অভিযোগ যাতে না ওঠে সেজন্যই উপভোক্তা তালিকা দফায় দফায় ছাঁকনি করা হচ্ছে। বাড়ি বাড়ি সার্ভে, সুপার চেকিং, খসড়া নিয়ে অভাব-অভিযোগ লিপিবদ্ধ করার পর আরও তিনবার তালিকা খতিয়ে দেখা হবে। অতিরিক্ত জেলাশাসক (মহকুমা পরিষদ) নির্মাল্য ঘরামি বলেন, রাজ্য সরকারের নির্দেশেই সংশ্লিষ্ট তিনটি স্তরে খসড়া উপভোক্তা তালিকা হাচাই করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, শিলিগুড়িতে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের খসড়া তালিকায় যোগ্য উপভোক্তার সংখ্যা ১৬ হাজার ৯৬২ জন। এরবাইরে অযোগ্য উপভোক্তার সংখ্যা ৫১৫৩ জন এবং নিষ্ক্রিয় উপভোক্তার সংখ্যা ২০৪৩ জন। সার্ভের সময় তাঁদের গ্রামে খুঁজে পাওয়া যায়নি। বুধবার আনুষ্ঠানিভাবে সংশ্লিষ্ট তালিকা প্রকাশ হয়েছে। পরিষদ সহ চারটি বিডিও অফিসের নোটিস বোর্ডে সেই তালিকা টাঙানো হয়েছে। ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ ব্যাপারে অভাব-অভিযোগ জানাতে পারবেন গ্রামবাসীরা। এজন্য বিডিও অফিসগুলিতে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। কিন্তু তালিকা প্রকাশের ২৪ ঘণ্টা পরও কন্ট্রোল রুমে লিখিতভাবে একটিও অভিযোগ দাখিল হয়নি। অতিরিক্ত জেলাশাসক (মহকুমা পরিষদ) বলেন, তালিকা নিয়ে কয়েকজন মৌখিকভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁদেরকে লিখিতভাবে অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। তা পাওয়ার পর খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



