সংবাদদাতা, তেহট্ট : তেহট্ট থানার নাটনা গ্রাম পঞ্চায়েতের নাটনা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সঠিক সময়ে আসেন না। মিড ডে মিলে একটা বিস্কুট ধরিয়ে ছাত্রছাত্রীদের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এই অভিযোগে শুক্রবার অভিভাবকরা স্কুলে তালা ঝুলিয়ে দেন। এরপর তাঁরা প্রায় দেড় ঘন্টা বিক্ষোভ দেখান। এরপরেই এদিনের মতো স্কুল বন্ধ হয়ে যায়। মিড ডে মিল নিয়ে তেহট্ট-১ ব্লকের বিডিও সঞ্জীব সেন বলেন, অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রামীণ রাস্তার পাশেই অবস্থিত নাটনা প্রাথমিক বিদ্যালয়। স্কুলে কোনও সীমানা প্রাচীর নেই। স্কুলের বর্তমান ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৩০জন। শিক্ষক তিনজন। অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষকরা প্রতিদিন দেরি করে স্কুলে আসেন। স্কুলে মিড ডে মিল হয় না। বদলে ছাত্রছাত্রীদের একটি করে বিস্কুট ধরিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট সময়ের পরিবর্তে অনেক আগেই স্কুল ছুটি হয়ে যায়। আরও অভিযোগ, শিক্ষকরা স্কুলের চাবি পাশের একটি দোকানে রাখেন। ছোট ছোট ছাত্রছাত্রীরা সেই চাবি নিয়ে এসে স্কুল খোলে। রাস্তার পাশে স্কুল হওয়ায় যেকোনও সময় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। স্কুল শিক্ষকদের বারবার বলা হলেও কোনও কাজ হয়নি। তাই বাধ্য হয়েই অভিভাবকরা এদিন স্কুলে তালা লাগিয়ে বিক্ষোভ দেখান। ঘটনার দিন স্কুলের দু’জন শিক্ষক কেউ ১১টা, আবার কেউ তারও পরে আসেন। স্কুলে তালা লাগিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হচ্ছে শুনে প্রধান শিক্ষক ১২টা নাগাদ স্কুলে আসেন।
অভিভাবক বাপি হালদার বলেন, স্কুলের কোনও শিক্ষক নির্দিষ্ট সময়ে স্কুলে আসেন না। মিড ডে মিল দেওয়া হয় না। তাহলে মিড ডে মিলের টাকা, চাল সব কোথায় যাচ্ছে? শুধুমাত্র শিক্ষকদের জন্য এখন অভিভাবকরা এই স্কুল থেকে ছাত্রছাত্রীদের অন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আমরা চাই, স্কুলের শিক্ষকরা সময় মতো স্কুলে আসুক। ছাত্রছাত্রীদের মিড ডে মিল দেওয়া হোক। এবার যদি সমাধান না হয়, তাহলে আমরা আরও বড় আন্দোলনে নামব। স্কুলে নিয়মিত হাজিরার বিষয়ে শিক্ষা দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।
অভিভাবক বাপি হালদার বলেন, স্কুলের কোনও শিক্ষক নির্দিষ্ট সময়ে স্কুলে আসেন না। মিড ডে মিল দেওয়া হয় না। তাহলে মিড ডে মিলের টাকা, চাল সব কোথায় যাচ্ছে? শুধুমাত্র শিক্ষকদের জন্য এখন অভিভাবকরা এই স্কুল থেকে ছাত্রছাত্রীদের অন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আমরা চাই, স্কুলের শিক্ষকরা সময় মতো স্কুলে আসুক। ছাত্রছাত্রীদের মিড ডে মিল দেওয়া হোক। এবার যদি সমাধান না হয়, তাহলে আমরা আরও বড় আন্দোলনে নামব। স্কুলে নিয়মিত হাজিরার বিষয়ে শিক্ষা দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।



