নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: শিক্ষাবর্ষ শেষ হতে চলল। কিন্তু এখনও নদীয়া জেলার বহু স্কুলে পৌঁছয়নি স্কুল ইউনিফর্ম। এমনকী অনেক স্কুলে ড্রেসের প্রথম সেটই পৌঁছয়নি। কোথাও কোথাও আবার কিছু ছাত্রছাত্রী ইউনিফর্ম পেয়েছে, বাকিরা পায়নি। স্কুল ইউনিফর্মের মাপ নিয়েও বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রশাসনের কাছে স্কুলগুলি লিখিত অভিযোগ করছে। কালীগঞ্জের একাধিক স্কুলে ইউনিফর্ম না পৌঁছনোর বিষয়টি সামনে এসেছে। প্রশাসনের তরফ থেকে সেখানকার সংশ্লিষ্ট সঙ্ঘকে আগামী শিক্ষাবর্ষে স্কুল ইউনিফর্ম তৈরির কাজ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু গোষ্ঠীগুলোর এই গাফিলতির জেরে প্রশ্ন উঠছে চলতি বছরে আদৌ কি স্কুল ড্রেস মিলবে?
Advertisement
নদীয়া জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক সৈকত সরকার বলেন, ‘স্কুলের ইউনিফর্মের জন্য কয়েক মাস আগেই বরাত দেয়া হয়েছিল। কিন্তু কোথাও যদি দেখা যায় সংঘ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে গাফিলতি করছে, তাহলে তার বিরুদ্ধে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যার জন্য কালীগঞ্জের একটি সঙ্ঘকে আগামী শিক্ষাবর্ষে কাজ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ উল্লেখ্য, রাজ্য সরকার স্কুলগুলোতে ইউনিফর্ম দেয়। সেগুলি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা তৈরি করে। নদীয়া জেলায় প্রায় ছ’শোর বেশি স্কুল রয়েছে। কিন্তু বহু স্কুলেই এখন অবধি স্কুলের ইউনিফর্ম পৌঁছয়নি। শিক্ষক মহলের একাংশ এ জন্য স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির গাফিলতিকেই দায়ী করছে। কারণ অনেক ক্ষেত্রেই স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বড় বরাত নেয়। তারপর সেই কাজ সামাল দিতে পারে না। শোনা যাচ্ছে, সম্প্রতি জেলাজুড়ে বিভিন্ন সঙ্ঘে নির্বাচন ছিল। যার জন্য বেশ কয়েক মাস কাজ বন্ধ থাকে। অনেক সঙ্ঘেই নতুন কমিটি তৈরি হয়েছে। যার ফলে স্কুলের ইউনিফর্ম তৈরির কাজে ব্যাঘাত ঘটেছে।
কৃষ্ণনগর শহর সংলগ্ন ভাতজাংলা কালীপুর হাই স্কুলে পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ৮৮৯ জন ছাত্রছাত্রী রয়েছে। কিন্তু সেই স্কুলে ২০২৪ সালের শিক্ষাবর্ষের এখনও ২৫ শতাংশ পড়ুয়া ইউনিফর্ম পায়নি। প্রধান শিক্ষকদের একাংশের দাবি, আগে গোষ্ঠী বা সঙ্ঘকে স্কুলের ইউনিফর্মের জন্য ফোন করলে তারা ফোন ধরত। কিন্তু এখন ফোন করলে ফোন ধরে না। কালীগঞ্জের ছোট চাঁদঘর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রসেনজিৎ মজুমদার বলেন, ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাস নাগাদ করে স্কুলের ইউনিফর্মের বরাত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত আমাদের স্কুলের কোন পড়ুয়া ইউনিফর্ম পায়নি। অতীতে আমি একাধিকবার ক্লাস্টারের লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। কিন্তু তারা কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি। গত রবিবার আমাকে ফোন করে ক্লাস্টার থেকে জানানো হয়েছে যে, ৫ তারিখের মধ্যে স্কুলে ইউনিফর্ম দেবে। কালীগঞ্জের বিডিও অঞ্জন চৌধুরী বলেন, ‘স্কুলের ইউনিফর্ম নিয়ে সমস্যা রয়েছে এমন ন’টি স্কুল নিয়ে আমাদের কাছে অভিযোগ আসে। সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টার তাদের ভোটের জন্যই নাকি এই কাজ করতে পারেনি বলে বলছে। কিন্তু রিপোর্ট করা হয়েছিল যে ইউনিফর্ম দেওয়ার কাজ নাকি শেষ হয়েছে। সোমবারের মধ্যে অধিকাংশই স্কুলেই ইউনিফর্ম দেওয়া হয়ে যাবে।’
কৃষ্ণনগর শহর সংলগ্ন ভাতজাংলা কালীপুর হাই স্কুলে পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ৮৮৯ জন ছাত্রছাত্রী রয়েছে। কিন্তু সেই স্কুলে ২০২৪ সালের শিক্ষাবর্ষের এখনও ২৫ শতাংশ পড়ুয়া ইউনিফর্ম পায়নি। প্রধান শিক্ষকদের একাংশের দাবি, আগে গোষ্ঠী বা সঙ্ঘকে স্কুলের ইউনিফর্মের জন্য ফোন করলে তারা ফোন ধরত। কিন্তু এখন ফোন করলে ফোন ধরে না। কালীগঞ্জের ছোট চাঁদঘর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রসেনজিৎ মজুমদার বলেন, ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাস নাগাদ করে স্কুলের ইউনিফর্মের বরাত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত আমাদের স্কুলের কোন পড়ুয়া ইউনিফর্ম পায়নি। অতীতে আমি একাধিকবার ক্লাস্টারের লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। কিন্তু তারা কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি। গত রবিবার আমাকে ফোন করে ক্লাস্টার থেকে জানানো হয়েছে যে, ৫ তারিখের মধ্যে স্কুলে ইউনিফর্ম দেবে। কালীগঞ্জের বিডিও অঞ্জন চৌধুরী বলেন, ‘স্কুলের ইউনিফর্ম নিয়ে সমস্যা রয়েছে এমন ন’টি স্কুল নিয়ে আমাদের কাছে অভিযোগ আসে। সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টার তাদের ভোটের জন্যই নাকি এই কাজ করতে পারেনি বলে বলছে। কিন্তু রিপোর্ট করা হয়েছিল যে ইউনিফর্ম দেওয়ার কাজ নাকি শেষ হয়েছে। সোমবারের মধ্যে অধিকাংশই স্কুলেই ইউনিফর্ম দেওয়া হয়ে যাবে।’



