সংবাদদাতা, কাটোয়া: নভেম্বরের শুরুতেই খরিফ মরশুমে সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান কেনা শুরু হয়েছে। কিন্তু কাটোয়া মহকুমাজুড়ে এখনও সাড়া নেই চাষিদের। ‘ডানা’র প্রভাবে বহু ধানজমি জলে নষ্ট হয়েছে। তাই অধিকাংশ চাষির ধান ঝাড়া এখনও শেষ হয়নি। এবারও ফড়েরাজ রুখতে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতেই রেজিস্ট্রেশন করাতে হবে চাষিদের। চালকলগুলির গাড়িতেও কড়া নজরদারি চালানো হবে।
Advertisement
কাটোয়া মহকুমার খাদ্য নিয়ামক কৌশিক মণ্ডল বলেন, ধান কেনার কেন্দ্র চালু হয়ে গিয়েছে। তবে এখনও চাষিদের তেমন দেখা মিলছে না। আসলে ধান ঝাড়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত চাষিরা সিপিসিমুখো হন না। এবার চালকলের গাড়িগুলিকেও চিহ্নিতকরণ করা হবে। কয়েকদিনের মধ্যেই ধান ক্রয় কেন্দ্রগুলিতে ভিড় বাড়বে চাষিদের।
পুজোর আগেই অজয় নদের জল ছাপিয়ে কেতুগ্রাম, কাটোয়া, মঙ্গলকোটের বহু এলাকায় আমন ধানের জমি জলের তলায় চলে গিয়েছিল। দু’বার ধানের চারা রোপণ করেও লাভ হয়নি। ‘ডানা’র দাপটে ঝোড়ো হাওয়ায় কাটোয়া মহকুমার বহু এলাকার জমিতে ধানগাছ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তাই চাষিদের জমি থেকে ধান কাটা বা ঝাড়া শেষ হয়নি। কাটোয়া মহকুমাজুড়ে এবার ৫২হাজার ৭৫৫ হেক্টর জমিতে আমন চাষ হয়েছে। তারমধ্যে পুজোর আগে বৃষ্টিতে ১৯ হাজার ৬৩০ হেক্টর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মহকুমার পাঁচটি ব্লক মিলিয়ে ৩৫২ হেক্টর জমিতে আউশ ধান চাষ হয়েছিল। তারমধ্যে পুজোর আগে ৪২ হেক্টর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কেতুগ্রামের চাষি বীরেন বারুই, ধুলো মাঝি বলেন, এখনও ধান খেতেখামারে আছে। ঝাড়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিক্রি করব কীভাবে? ধানজমি জলের তলায় চলে যাওয়ায় ফসলের মান নিয়েও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন চাষিরা। গতবছর খরিফ মরশুমে কাটোয়া মহকুমায় প্রায় এক লক্ষ মেট্রিক টন ধান কেনা হয়েছিল।
এবার কাটোয়া মহকুমার পাঁচটি ব্লকের ১৫টি ধান ক্রয়কেন্দ্রে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতেই ধান কেনা হবে। খাদ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কৃষকবন্ধু পোর্টালে নথিভুক্ত থাকলে সহজেই ধান বিক্রির জন্য রেজিস্ট্রেশন করা যায়। অ-নথিভুক্ত বর্গাদার হলে জমি সংক্রান্ত স্ব-ঘোষণাপত্র দিয়েও রেজিস্ট্রেশনের আবেদন জানাতে পারেন চাষিরা। তবে রেজিস্ট্রেশন করার জন্য বায়োমেট্রিক বাধ্যতামূলক। চোখের মণির বায়োমেট্রিক অথেন্টিকেশন বা আধার নম্বরযুক্ত মোবাইল নম্বর লাগবে। বাড়িতে বসেও আধারযুক্ত মোবাইল নম্বরের মাধ্যমেও রেজিস্ট্রেশন করা যায়। কৃষকবন্ধু পোর্টালে থাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য দেখাতে হবে। সেই তথ্য আবার নোডাল ব্যাঙ্ক থেকে যাচাই করার পরই রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। ধান ক্রয়কেন্দ্রে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না। ধান নেওয়ার তারিখ বাড়িতে বসেই নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সময় জানতে পারবেন চাষিরা। এবার বিডিও অফিসের প্রতিনিধি, কৃষিদপ্তরের প্রতিনিধি ও চালকলের প্রতিনিধি মিলে তিন সদস্যের ব্লকস্তরের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কোনও সমস্যা থাকলে সেখানে জানানো যাবে। টোল-ফ্রি নম্বরেও জানানো যাবে। সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রির জন্য চাষিকে নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। আগে সেই অ্যাকাউন্ট নম্বর বদলানো যেত। ফড়েদের দাপট রুখতে খাদ্যদপ্তর সিদ্ধান্ত নেয় পুরো মরশুমের জন্যই রেজিস্ট্রেশনের সময় থাকা অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই লেনদেন করতে হবে।
পুজোর আগেই অজয় নদের জল ছাপিয়ে কেতুগ্রাম, কাটোয়া, মঙ্গলকোটের বহু এলাকায় আমন ধানের জমি জলের তলায় চলে গিয়েছিল। দু’বার ধানের চারা রোপণ করেও লাভ হয়নি। ‘ডানা’র দাপটে ঝোড়ো হাওয়ায় কাটোয়া মহকুমার বহু এলাকার জমিতে ধানগাছ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তাই চাষিদের জমি থেকে ধান কাটা বা ঝাড়া শেষ হয়নি। কাটোয়া মহকুমাজুড়ে এবার ৫২হাজার ৭৫৫ হেক্টর জমিতে আমন চাষ হয়েছে। তারমধ্যে পুজোর আগে বৃষ্টিতে ১৯ হাজার ৬৩০ হেক্টর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মহকুমার পাঁচটি ব্লক মিলিয়ে ৩৫২ হেক্টর জমিতে আউশ ধান চাষ হয়েছিল। তারমধ্যে পুজোর আগে ৪২ হেক্টর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কেতুগ্রামের চাষি বীরেন বারুই, ধুলো মাঝি বলেন, এখনও ধান খেতেখামারে আছে। ঝাড়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিক্রি করব কীভাবে? ধানজমি জলের তলায় চলে যাওয়ায় ফসলের মান নিয়েও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন চাষিরা। গতবছর খরিফ মরশুমে কাটোয়া মহকুমায় প্রায় এক লক্ষ মেট্রিক টন ধান কেনা হয়েছিল।
এবার কাটোয়া মহকুমার পাঁচটি ব্লকের ১৫টি ধান ক্রয়কেন্দ্রে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতেই ধান কেনা হবে। খাদ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কৃষকবন্ধু পোর্টালে নথিভুক্ত থাকলে সহজেই ধান বিক্রির জন্য রেজিস্ট্রেশন করা যায়। অ-নথিভুক্ত বর্গাদার হলে জমি সংক্রান্ত স্ব-ঘোষণাপত্র দিয়েও রেজিস্ট্রেশনের আবেদন জানাতে পারেন চাষিরা। তবে রেজিস্ট্রেশন করার জন্য বায়োমেট্রিক বাধ্যতামূলক। চোখের মণির বায়োমেট্রিক অথেন্টিকেশন বা আধার নম্বরযুক্ত মোবাইল নম্বর লাগবে। বাড়িতে বসেও আধারযুক্ত মোবাইল নম্বরের মাধ্যমেও রেজিস্ট্রেশন করা যায়। কৃষকবন্ধু পোর্টালে থাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য দেখাতে হবে। সেই তথ্য আবার নোডাল ব্যাঙ্ক থেকে যাচাই করার পরই রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। ধান ক্রয়কেন্দ্রে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না। ধান নেওয়ার তারিখ বাড়িতে বসেই নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সময় জানতে পারবেন চাষিরা। এবার বিডিও অফিসের প্রতিনিধি, কৃষিদপ্তরের প্রতিনিধি ও চালকলের প্রতিনিধি মিলে তিন সদস্যের ব্লকস্তরের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কোনও সমস্যা থাকলে সেখানে জানানো যাবে। টোল-ফ্রি নম্বরেও জানানো যাবে। সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রির জন্য চাষিকে নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। আগে সেই অ্যাকাউন্ট নম্বর বদলানো যেত। ফড়েদের দাপট রুখতে খাদ্যদপ্তর সিদ্ধান্ত নেয় পুরো মরশুমের জন্যই রেজিস্ট্রেশনের সময় থাকা অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই লেনদেন করতে হবে।



