ঢাকা ও ওয়াশিংটন: কোটাবিরোধী আন্দোলন বা ছাত্র-জনতার তীব্র ক্ষোভ নয়, রীতিমতো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করেই বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল? দেশত্যাগের আগেই হাসিনা অভিযোগ করেছিলেন, তাঁকে ক্ষমতা থেকে সরাতে আমেরিকার ষড়যন্ত্র করছে। তাঁর সেই অভিযোগেরই প্রতিফলন দেখা গিয়েছে ফাঁস হওয়া একটি রিপোর্ট। ২০২০ সালেই মার্কিন বিদেশ মন্ত্রকের কাছে ওই রিপোর্ট জমা দিয়েছিল ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইন্সটিটিউট (আইআরআই) নামে একটি সংস্থা।
Advertisement
জানা গিয়েছে, আইআরআই’কে নিয়মিত অর্থ জুগিয়েছে মার্কিন বিদেশমন্ত্রক, ইউএসএইড, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ন্যাশনাল এনডোমেন্ট ফর ডেমোক্রেসি। ফাঁস হয়ে যাওয়া রিপোর্টে জানা যাচ্ছে, হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন সংঘটিত করতে ২০১৯ সাল থেকেই সক্রিয় হয়ে উঠেছিল ওয়াশিংটন। এক বছর ধরে এই কাজে তাদের সরাসরি সাহায্য করে আইআরআই। এর জন্য শিল্পী, অভিনেতা ও রাজনৈতিক কর্মীদের হাতিয়ার করা হয়। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, ওই রিপোর্ট সম্ভবত হিমশৈলের চূড়ামাত্র। আরও বেশ কিছু সংগঠন পরবর্তী চার বছরে হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য বাংলাদেশে কাজ করে গিয়েছে।
রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালের মার্চে আইআরআইয়ের একটি টিম বাংলাদেশে গিয়েছিল। সেখানে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ১৭০ জন রাজনৈতিক ‘অ্যাক্টিভিস্ট’-কে বেছে নিয়ে তাঁদের হাসিনা প্রশাসনের বিরুদ্ধে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করা হয়। পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে গায়ক তৌফিক আহমেদের দুটি গান প্রকাশ করা হয়। ‘তুই পারিস’ নামে একটি গানে বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষায় তরুণদের ভূমিকার কথা প্রচার করা হয়। এছাড়া ওই গানে আন্দোলন, রাস্তায় নেমে বিক্ষোভের মতো বিষয়ও ছিল। ‘এ দায় কার’ নামে অন্য গানে ধর্ষণ, দারিদ্র্য, শ্রমিকদের অধিকারের মতো বিষয়ে প্রচার করা হয়। হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ উসকে দিতেই ওই গানগুলিকে ব্যবহার করা হয়।
এর পরের ধাপে হাসিনাকে সরিয়ে বিএনপিকে বাংলাদেশের ক্ষমতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়। এবার বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী, জনপ্রিয় অভিনেতা ও সেলিব্রিটিদের একাংশকে কাজে লাগায় আইআরআই। ইউটিউব, ফেসবুক সহ বিভিন্ন সমাজ মাধ্যমে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান প্রচার শুরু হয়। সেগুলিতেও সরকারের বিভিন্ন খামতির পাশাপাশি ধর্মীয় ঐক্য, নারী স্বাধীনতার মতো বিষয় তুলে ধরা হয়। এছাড়া বিদেশে বসবাসকারী অভিনেতা সহ ‘সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার’-রা যাতে হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন, সেই উদ্যোগ নেয় আইআরআই। তারা রিপোর্টে মার্কিন বিদেশমন্ত্রককে জানিয়েছিল, বর্তমান সরকারের নিপীড়ন, বৈষম্যের মতো বিষয়গুলি সম্পর্কে জনগন যদি আরও সচেতন হয়, তাহলে তারা সামাজিক ও রাজনৈতিক সংস্কারের মাধ্যমে ক্ষমতার পালাবদলে আরও সক্রিয় হবে।
রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালের মার্চে আইআরআইয়ের একটি টিম বাংলাদেশে গিয়েছিল। সেখানে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ১৭০ জন রাজনৈতিক ‘অ্যাক্টিভিস্ট’-কে বেছে নিয়ে তাঁদের হাসিনা প্রশাসনের বিরুদ্ধে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করা হয়। পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে গায়ক তৌফিক আহমেদের দুটি গান প্রকাশ করা হয়। ‘তুই পারিস’ নামে একটি গানে বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষায় তরুণদের ভূমিকার কথা প্রচার করা হয়। এছাড়া ওই গানে আন্দোলন, রাস্তায় নেমে বিক্ষোভের মতো বিষয়ও ছিল। ‘এ দায় কার’ নামে অন্য গানে ধর্ষণ, দারিদ্র্য, শ্রমিকদের অধিকারের মতো বিষয়ে প্রচার করা হয়। হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ উসকে দিতেই ওই গানগুলিকে ব্যবহার করা হয়।
এর পরের ধাপে হাসিনাকে সরিয়ে বিএনপিকে বাংলাদেশের ক্ষমতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়। এবার বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী, জনপ্রিয় অভিনেতা ও সেলিব্রিটিদের একাংশকে কাজে লাগায় আইআরআই। ইউটিউব, ফেসবুক সহ বিভিন্ন সমাজ মাধ্যমে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান প্রচার শুরু হয়। সেগুলিতেও সরকারের বিভিন্ন খামতির পাশাপাশি ধর্মীয় ঐক্য, নারী স্বাধীনতার মতো বিষয় তুলে ধরা হয়। এছাড়া বিদেশে বসবাসকারী অভিনেতা সহ ‘সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার’-রা যাতে হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন, সেই উদ্যোগ নেয় আইআরআই। তারা রিপোর্টে মার্কিন বিদেশমন্ত্রককে জানিয়েছিল, বর্তমান সরকারের নিপীড়ন, বৈষম্যের মতো বিষয়গুলি সম্পর্কে জনগন যদি আরও সচেতন হয়, তাহলে তারা সামাজিক ও রাজনৈতিক সংস্কারের মাধ্যমে ক্ষমতার পালাবদলে আরও সক্রিয় হবে।



