সংবাদদাতা, কালিয়াচক: মঙ্গলবারের পর বুধবার সকালেও শুকদেবপুর সীমান্তে ফসল চুরি করল বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বিজিবি মদত দেওয়ার পাশাপাশি টাকা নিয়ে দুষ্কৃতীদের এপারে পাঠিয়ে দিচ্ছে।
Advertisement
স্থানীয়রা বলছেন, শুকদেবপুরের ওপারে চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার খোকা সীমান্ত। সেখানে বিজিবির পোস্ট রয়েছে। সেখান দিয়ে ভারতীয় সীমানায় প্রবেশ করছে বাংলাদেশের দুষ্কৃতীরা। মূলত ভারতীয় ফসল লুঠপাটের জন্য তারা সীমান্তে আসছে। তিনদিন আগে ফসল চুরি করতে এসে হাতেনাতে ধরা পড়ে যায় বাংলাদেশের দুষ্কৃতীরা। তখনই তারা ভারতীয় কৃষকদের ওপর ইট, পাথর নিয়ে আক্রমণ চালায়। পরবর্তীতে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ফ্ল্যাগ মিটিং হয় দু’পক্ষের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে। বিএসএফ লিখিতভাবে নিজেদের প্রতিবাদ জানায়। বিজিবি এধরনের ঘটনা ঘটবে না বলে আশ্বাস দিলেও দু’দিন ধরে ফের ফসল চুরি হচ্ছে।
বিএসএফ সূত্রে খবর, সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে জওয়ানরা কড়া নজর রাখছেন। শুকদেবপুরের বাসিন্দা অমর রায় বলেন, ফের দু’দিন ধরে ফসল কেটে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের দুষ্কৃতীরা। আমরা বিএসএফকে সমস্ত বিষয় জানিয়েছি। আরেক বাসিন্দা পীযূষ মণ্ডল বলেন, বারবার ফসল কেটে নিয়ে যায় বাংলাদেশের দুষ্কৃতীরা। তারা জল দেওয়ার মেশিন, পাম্পসেটও খুলে নিয়ে গিয়েছে। কুম্ভিরা এলাকার বাসিন্দা হবিবুর রহমানের দাবি, আমাদের অনেক আত্মীয় বাংলাদেশে রয়েছেন। তাঁরাও জানিয়েছেন বিজিবির জওয়ানরা টাকা নিয়ে অনুপ্রবেশ করতে সাহায্য করে।
বিএসএফ সূত্রে খবর, সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে জওয়ানরা কড়া নজর রাখছেন। শুকদেবপুরের বাসিন্দা অমর রায় বলেন, ফের দু’দিন ধরে ফসল কেটে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের দুষ্কৃতীরা। আমরা বিএসএফকে সমস্ত বিষয় জানিয়েছি। আরেক বাসিন্দা পীযূষ মণ্ডল বলেন, বারবার ফসল কেটে নিয়ে যায় বাংলাদেশের দুষ্কৃতীরা। তারা জল দেওয়ার মেশিন, পাম্পসেটও খুলে নিয়ে গিয়েছে। কুম্ভিরা এলাকার বাসিন্দা হবিবুর রহমানের দাবি, আমাদের অনেক আত্মীয় বাংলাদেশে রয়েছেন। তাঁরাও জানিয়েছেন বিজিবির জওয়ানরা টাকা নিয়ে অনুপ্রবেশ করতে সাহায্য করে।



