সংবাদদাতা, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদ জেলায় এবার আগামী ১৮ নভেম্বর থেকে সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান কেনা শুরু হচ্ছে। খাদ্যদপ্তর থেকে ২ নভেম্বর ধান কেনার দিন ধার্য্য করা হয়েছিল। কিন্তু, মুর্শিদাবাদ জেলায় আমন ধান এখনও সেভাবে উঠতে শুরু করেনি তাই দিন পিছিয়ে ১৮ নভেম্বর করা হয়েছে। জেলাশাসকের দপ্তর থেকে এবার প্রকিওরমেন্ট সেন্টারের সংখ্যা ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৬০টি করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন সমবায় সমিতি, এসএইচজি, এফপিও,এফপিসি মিলিয়ে আরও ২০০টি ধান ক্রয় কেন্দ্র খোলা হচ্ছে। এবার মুর্শিদাবাদ জেলায় সহায়ক মূল্যে ধান ক্রয়ের লক্ষ্য মাত্রা রাখা হয়েছে ৬ লক্ষ ২২ হাজার মেট্রিক টন।
Advertisement
জেলা খাদ্য নিয়ামক আধিকারিক সুদীপ্ত সামন্ত বলেন, মুর্শিদাবাদ জেলায় এখনও সেভাবে ধান উঠতে শুরু করেনি। তাই খাদ্যদপ্তর থেকে ২ নভেম্বর ধান কেনার দিন ধার্য্য করা হলেও জেলাশাসকের দপ্তর থেকে রেজ্যুলেশন করে দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৮ নভেম্বর থেকে পুরোদমে ধান কেনা শুরু হবে। সহায়ক মূল্যে ধান কেনায় স্বচ্ছতা এনে এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াবে বলেও আশা করছি।
মুর্শিদাবাদ জেলায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার হেক্টর জমিতে আমন চাষ হয়। এর বাইরে বেশকিছু জমিতে আউশ ধানের চাষ হয়। বিশেষত আউশ আগে উঠতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই আউশ ধান ওঠা প্রায় শেষের মুখে হলেও এই জেলায় এখনও আমন ধান মাঠ থেকে সেভাবে উঠতে শুরু করেনি। মঙ্গলবার আউশ ধান খোলা বাজারে ১৫৮০ টাকা কুইন্টাল প্রতি বিক্রি হয়েছে। হাতে কাটা ধানের দাম কুইন্টাল প্রতি ১০০ টাকা বেশি। কিছু জমিতে আমন ধান উঠতে শুরু করলেও চাষিরা খোলা বাজারে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বিক্রি করছেন না। তাঁরা সহায়ক মূল্যে বিক্রির অপেক্ষায় রয়েছেন। ধান চাষি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, দু’বিঘা জমির আমন ধান ঝাড়াই করে ঘরে মজুত রেখেছি। সরকারিভাবে ধান কেনা শুরু হলে তা বিক্রি করব।
এবার সহায়ক মূল্যে ধানের দাম রাখা হয়েছে ২৩০০ টাকা কুইন্টাল। একই সঙ্গে কুইন্টাল প্রতি কুড়ি টাকা হিসেবে চাষিদের ইনিসেনটিভ দেওয়া হচ্ছে। গত বছর সরকারিভাবে ৪৫টি কেন্দ্র থেকে ধান কেনা হয়েছিল। এবার সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ৬০টি করা হওয়ায় ধান বিক্রি করতে চাষিদের আরও সুবিধা হবে। এছাড়া সমবায় সমিতি ও বিভিন্ন গ্রুপের মাধ্যমে আরও ২০০টি কেন্দ্র থেকে ধান কেনা হবে বলেই জেলা খাদ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। ধান চাষি বিশ্বজিৎ মণ্ডল বলেন, সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি করতে গিয়ে একটা দিনই কাবার হয়ে যায়। এবার ধান কেনার কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানোয় হ্যাপা অনেক কমবে। এদিকে খোলা বাজার ও সহায়ক মূল্যে ধানের দামের বিস্তর ফারাক হওয়ায় চাষিরা সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রির জন্য মুখিয়ে রয়েছেন।
মুর্শিদাবাদ জেলায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার হেক্টর জমিতে আমন চাষ হয়। এর বাইরে বেশকিছু জমিতে আউশ ধানের চাষ হয়। বিশেষত আউশ আগে উঠতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই আউশ ধান ওঠা প্রায় শেষের মুখে হলেও এই জেলায় এখনও আমন ধান মাঠ থেকে সেভাবে উঠতে শুরু করেনি। মঙ্গলবার আউশ ধান খোলা বাজারে ১৫৮০ টাকা কুইন্টাল প্রতি বিক্রি হয়েছে। হাতে কাটা ধানের দাম কুইন্টাল প্রতি ১০০ টাকা বেশি। কিছু জমিতে আমন ধান উঠতে শুরু করলেও চাষিরা খোলা বাজারে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বিক্রি করছেন না। তাঁরা সহায়ক মূল্যে বিক্রির অপেক্ষায় রয়েছেন। ধান চাষি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, দু’বিঘা জমির আমন ধান ঝাড়াই করে ঘরে মজুত রেখেছি। সরকারিভাবে ধান কেনা শুরু হলে তা বিক্রি করব।
এবার সহায়ক মূল্যে ধানের দাম রাখা হয়েছে ২৩০০ টাকা কুইন্টাল। একই সঙ্গে কুইন্টাল প্রতি কুড়ি টাকা হিসেবে চাষিদের ইনিসেনটিভ দেওয়া হচ্ছে। গত বছর সরকারিভাবে ৪৫টি কেন্দ্র থেকে ধান কেনা হয়েছিল। এবার সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ৬০টি করা হওয়ায় ধান বিক্রি করতে চাষিদের আরও সুবিধা হবে। এছাড়া সমবায় সমিতি ও বিভিন্ন গ্রুপের মাধ্যমে আরও ২০০টি কেন্দ্র থেকে ধান কেনা হবে বলেই জেলা খাদ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। ধান চাষি বিশ্বজিৎ মণ্ডল বলেন, সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি করতে গিয়ে একটা দিনই কাবার হয়ে যায়। এবার ধান কেনার কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানোয় হ্যাপা অনেক কমবে। এদিকে খোলা বাজার ও সহায়ক মূল্যে ধানের দামের বিস্তর ফারাক হওয়ায় চাষিরা সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রির জন্য মুখিয়ে রয়েছেন।



