সংবাদদাতা, কান্দি: এখন জমি থেকে আমন ধান গোলায় তোলার সময়। কিন্তু সেই ধান কখনও পৌঁছে যাচ্ছে রাইস মিলে। আবার কখনও কিষান মান্ডিতে সহায়ক মূল্যে বিক্রি করার জন্য। কিন্তু কান্দি মহকুমার অনেক প্রত্যন্ত গ্রামে ওই দুটি জায়গায় সঙ্গে ধান জমা হচ্ছে গোলাতেও। বাঁশ ও মাটির প্রলেপ দিয়ে তৈরি গোলায় ধান মজুত করছেন চাষিরা। অনেক পরিবার নতুন গোলাও তৈরি করাচ্ছেন। তাই এখন গোলা তৈরির শিল্পীদের দম ফেলার ফুরসত নেই। মজুরিও ভাল মিলছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। এলাকার প্রবীণরা বলেন, কয়েক দশক আগেও ধান মজুত করার একমাত্র উপায় ছিল ধানের গোলা। ওই গোলায় ধান মজুত থাকলে সারা বছরের জন্য ভাতের চালের চিন্তা করতে হতো না।
Advertisement
তবে সময়ের সঙ্গে এই রীতি অনেকটাই পাল্টে গিয়েছে। বর্তমানে ধানের গোলার বদলে বেশিরভাগ চাষি মাঠ থেকে তুলে সরাসরি নিয়ে যাচ্ছেন রাজ্য সরকারের কিষাণ মান্ডিতে সহায়ক মূল্যে বিক্রি করার জন্য। অথবা সরাসরি রাইস মিল গুলিতে ধান বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু অনেকেই এখনও পুরনো রীতিকেই আঁকড়ে রয়েছেন।
খড়গ্রাম ব্লকের ঝিল্লি গ্রামের পেশায় প্রাথমিক শিক্ষক জসিমউদ্দিন রহমান বলেন, বাড়িতে দু’টি ধানের গোলা রয়েছে। আরও একটি তৈরি করা হচ্ছে। ধানের গোলা বিপদের সঙ্গী। প্রয়োজনের সময় ধান বিক্রি করে টাকা পাওয়া যায়। এটি চাষি পরিবারের ঐতিহ্য। তাই বর্তমানে অনেক সুবিধা থাকলেও অনেক চাষি পরিবার ধানের গোলার ঐতিহ্য ফেলতে পারেননি।
এদিকে আমন ধান উঠতেই গোলা তৈরির শিল্পীদের ব্যস্ততাও বেড়েছে। বড়ঞা ব্লকেব কাঁতুরহাট গ্রামের অন্তত ১৫ জন গোলা তৈরির কারিগর রয়েছেন। তাঁরা জানান, আমন ধান উঠতেই বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর গোলা তৈরির বরাত পাওয়া যাচ্ছে। একটি গোলা তৈরির খরচ হচ্ছে চার হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত। তবে গত কয়েক বছরের তুলনায় এবছর গোলা তৈরির অর্ডার একটু বেশি পাওয়া গিয়েছে। এবছর মজুরিও কিছুটা বেড়েছে। কাঁতুরহাট গ্রামের গোলাশিল্পী সহদেব বিত্তার বলেন, একটি গোলা তৈরি করতে প্রায় ১৫দিন সময় লাগে। বড় গোলা তৈরি করতে তিনজন পর্যন্ত শিল্পীর দরকার পরে। গ্রামের অপর শিল্পী মৃত্যুঞ্জয় বিত্তার বলেন, এবছর প্রত্যেক শিল্পী কয়েকটি করে গোলা তৈরির বরাত পেয়েছেন। তাই আয়ও ভালো হচ্ছে। বড়ঞার বিভিন্ন গ্রাম থেকে গোলা তৈরির বরাত পাওয়া যাচ্ছে। তবে এখন এত সুবিধা থাকতেও মানুষ কেন গোলা তৈরি করাচ্ছে তা জানি না।
খড়গ্রাম ব্লকের ঝিল্লি গ্রামের পেশায় প্রাথমিক শিক্ষক জসিমউদ্দিন রহমান বলেন, বাড়িতে দু’টি ধানের গোলা রয়েছে। আরও একটি তৈরি করা হচ্ছে। ধানের গোলা বিপদের সঙ্গী। প্রয়োজনের সময় ধান বিক্রি করে টাকা পাওয়া যায়। এটি চাষি পরিবারের ঐতিহ্য। তাই বর্তমানে অনেক সুবিধা থাকলেও অনেক চাষি পরিবার ধানের গোলার ঐতিহ্য ফেলতে পারেননি।
এদিকে আমন ধান উঠতেই গোলা তৈরির শিল্পীদের ব্যস্ততাও বেড়েছে। বড়ঞা ব্লকেব কাঁতুরহাট গ্রামের অন্তত ১৫ জন গোলা তৈরির কারিগর রয়েছেন। তাঁরা জানান, আমন ধান উঠতেই বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর গোলা তৈরির বরাত পাওয়া যাচ্ছে। একটি গোলা তৈরির খরচ হচ্ছে চার হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত। তবে গত কয়েক বছরের তুলনায় এবছর গোলা তৈরির অর্ডার একটু বেশি পাওয়া গিয়েছে। এবছর মজুরিও কিছুটা বেড়েছে। কাঁতুরহাট গ্রামের গোলাশিল্পী সহদেব বিত্তার বলেন, একটি গোলা তৈরি করতে প্রায় ১৫দিন সময় লাগে। বড় গোলা তৈরি করতে তিনজন পর্যন্ত শিল্পীর দরকার পরে। গ্রামের অপর শিল্পী মৃত্যুঞ্জয় বিত্তার বলেন, এবছর প্রত্যেক শিল্পী কয়েকটি করে গোলা তৈরির বরাত পেয়েছেন। তাই আয়ও ভালো হচ্ছে। বড়ঞার বিভিন্ন গ্রাম থেকে গোলা তৈরির বরাত পাওয়া যাচ্ছে। তবে এখন এত সুবিধা থাকতেও মানুষ কেন গোলা তৈরি করাচ্ছে তা জানি না।



