নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: শহরকে যানজটমুক্ত করতে পদক্ষেপ শুরু করল পুরুলিয়া পুরসভা। ‘বৈধ’ টোটো চালকদের অনুমতি দেবে পুরসভা। তারজন্য অনুমোদনপত্র জমা নেওয়া শুরু করল পুরকর্তৃপক্ষ। রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ইন্সুরেন্স, শহরের বাসিন্দা হিসেবে প্রমাণপত্র সহ বিভিন্ন নথি জমা দিলে তবেই সেই টোটোকে অনুমোদন দেবে পুরুলিয়া পুরসভা। পুরসভার যুক্তি, এতেই বৈধ ও অবৈধ টোটো আলাদা করা সম্ভব হবে।
Advertisement
পুরুলিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান নবেন্দ্যু মাহালি বলেন, কয়েকমাস আগে পথ নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি বৈঠক হয়েছে। পুলিস, প্রশাসন, পরিবহণ দপ্তরের আধিকারিকরা ছিলেন। বৈঠকে শহরকে যানজটমুক্ত করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অবৈধ টোটো বন্ধে সবরকম চেষ্টা করা হবে। গ্রামের টোটো যাতে শহরে ঢুকতে না পারে এবং শহরের টোটো যাতে শহর ছেড়ে বের হতে না পারে সেই সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়। সেইজন্যই এই তোড়জোড় শুরু হয়েছে। এতে শহরকে যানজটমুক্ত করা সম্ভব হবে। বুধবার থেকেই অনুমোদনপত্র বিলি শুরু হয়েছে। আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তা চলবে। তারপর থেকে অনুমোদনবিহীন টোটো রাস্তায় নামলেই ধরপাকড় শুরু হবে।
তবে, শহরের বাসিন্দাদের অনেকেরই দাবি, অবৈধ টোটোর বিরুদ্ধে পুরসভা আগেও একাধিক পদক্ষেপ করেছে। এটা নতুন কিছু নয়। প্রায় প্রতি বছরই ধরপাকড় হয়। কিছুদিন চলে। ছবি তোলার পর্ব মিটে গেলে সবকিছু ঠান্ডা ঘরে চলে যায়। ফের শহরে দাপিয়ে বেড়ায় অবৈধ টোটো।
প্রসঙ্গত, পুরুলিয়া শহরের অন্যতম সমস্যা যানজট। তার একটা বড় কারণ টোটোর আধিক্য। শহরবাসীর অভিযোগ, ব্যাটারিচালিত এই যান চলাচলে কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই প্রশাসনের। প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই টোটো চলছে রমরমিয়ে। পুরুলিয়া পুরসভা সূত্রে খবর, শহরে পরিবহণ দপ্তরের অনুমোদিত টোটো রয়েছে প্রায় দু’হাজার। কিন্তু অভিযোগ, শহরে এই মুহূর্তে দৈনিক প্রায় সাড়ে চার হাজার টোটো চলে। শহরের অধিকাংশ রাস্তাই সংকীর্ণ। জনসংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি বেড়েছে জবরদখলকারীর সংখ্যাও। ফলে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যানজট একটা নিত্য সমস্যা। যদিও শহরকে যানজটমুক্ত করতে সদিচ্ছার অভাব রয়েছে প্রশাসনের।
বাসিন্দাদের দাবি, গত দেড়’দু বছরে পথনিরাপত্তা নিয়ে একাধিক বৈঠক করেছে প্রশাসন। যতবার বৈঠকে বসেছে জেলা প্রশাসন, ততবারই অবৈধ টোটোতে রাশ টানার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু, তা একবারও কার্যকর হয়নি। পুরসভা, প্রশাসনের নিয়মকে শিকেয় তুলে টোটোর দাপাদাপি শহরে লেগেই রয়েছে।
তবে, শহরের বাসিন্দাদের অনেকেরই দাবি, অবৈধ টোটোর বিরুদ্ধে পুরসভা আগেও একাধিক পদক্ষেপ করেছে। এটা নতুন কিছু নয়। প্রায় প্রতি বছরই ধরপাকড় হয়। কিছুদিন চলে। ছবি তোলার পর্ব মিটে গেলে সবকিছু ঠান্ডা ঘরে চলে যায়। ফের শহরে দাপিয়ে বেড়ায় অবৈধ টোটো।
প্রসঙ্গত, পুরুলিয়া শহরের অন্যতম সমস্যা যানজট। তার একটা বড় কারণ টোটোর আধিক্য। শহরবাসীর অভিযোগ, ব্যাটারিচালিত এই যান চলাচলে কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই প্রশাসনের। প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই টোটো চলছে রমরমিয়ে। পুরুলিয়া পুরসভা সূত্রে খবর, শহরে পরিবহণ দপ্তরের অনুমোদিত টোটো রয়েছে প্রায় দু’হাজার। কিন্তু অভিযোগ, শহরে এই মুহূর্তে দৈনিক প্রায় সাড়ে চার হাজার টোটো চলে। শহরের অধিকাংশ রাস্তাই সংকীর্ণ। জনসংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি বেড়েছে জবরদখলকারীর সংখ্যাও। ফলে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যানজট একটা নিত্য সমস্যা। যদিও শহরকে যানজটমুক্ত করতে সদিচ্ছার অভাব রয়েছে প্রশাসনের।
বাসিন্দাদের দাবি, গত দেড়’দু বছরে পথনিরাপত্তা নিয়ে একাধিক বৈঠক করেছে প্রশাসন। যতবার বৈঠকে বসেছে জেলা প্রশাসন, ততবারই অবৈধ টোটোতে রাশ টানার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু, তা একবারও কার্যকর হয়নি। পুরসভা, প্রশাসনের নিয়মকে শিকেয় তুলে টোটোর দাপাদাপি শহরে লেগেই রয়েছে।



