সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে আবর্জনা সাফাইয়ের উপর জোর দিয়েছে খড়্গপুর পুরসভা। নিয়মিত আবর্জনা সাফাই হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ঘুরছেন মহকুমা শাসক পাতিল যোগেশ অশোক রাও। দিয়েছেন বেশকিছু নির্দেশও। আরও বেশি করে পরিবেশ বান্ধব ভ্যাট তৈরি করতে বলেছেন। কিনতে বলেছেন আবর্জনা বহণ করে নিয়ে যাওয়ার গাড়িও। বৃহস্পতিবার শহরের তালবাগিচা বাজারে আরও একটি পরিবেশবান্ধব ভ্যাটের উদ্বোধন করেন পুরসভার চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ। উদ্বোধন করা হয় একটি মিনিমাস্ট পথবাতিরও।
Advertisement
চেয়ারপার্সন বলেন, এই পরিবেশবান্ধব ভ্যাট তৈরি করতে খরচ হয়েছে ছ’লক্ষ টাকা। এটা নিয়ে শহরে ১৭টি পরিবেশ বান্ধব ভ্যাট চালু হল। আরও কয়েকটি ভ্যাট তৈরি হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডেই একাধিক পরিবেশ বান্ধব ভ্যাট তৈরি করার কথা ভাবা হয়েছে। এর জন্য কাউন্সিলারদের কাছে তালিকা চাওয়া হয়েছে। যেখানে যেমন জায়গা পাওয়া যাচ্ছে সেইমতো বড়, ছোট ভ্যাট তৈরি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, মিনিমাস্ট লাইটের জন্য খরচ হয়েছে দেড় লক্ষ টাকা। গ্রিনসিটি প্রকল্পের টাকা এলে শহরের বিভিন্ন জায়গায় এরকম মিনিমাস্ট ও হাইমাস্ট লাইট আরও লাগানো হবে।
প্রসঙ্গত শহরের বিভিন্ন জায়গায় খোলা ভ্যাট থাকায় পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। জমা হওয়া আবর্জনা রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ায় পথচারীদের দুর্ভোগে পড়তে হয়। তাই এই পরিবেশ বান্ধব ভ্যাট তৈরির পরিকল্পনা। পাশের শহর মেদিনীপুরেও এরকম ভ্যাট তৈরি হয়েছে। এই ভ্যাটগুলি তিনদিকে দেওয়াল দিয়ে ঘেরা। সামনে সাটার লাগানো। টিনের ছাদও আছে। মোটামুটি একটা ঘরের মতো। নির্দিষ্ট সময়ে এই ভ্যাটের দরজা খোলা বন্ধ করারও নিয়ম আছে। পাশাপাশি এলাকায় রাস্তার ধারে ও বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা আবর্জনা পরিবেশ বন্ধুরা এখানে এনে জমা করবেন। পরে বড় গাড়ি করে সেই আবর্জনা তুলে নিয়ে গিয়ে শহরের বাইরে ডাম্পিং গ্রাউন্ডে ফেলার ব্যবস্থা আছে।
চেয়ারপার্সন বলেন, আবর্জনা বহণ করার জন্য পুরসভার পর্যাপ্ত গাড়ি নেই। সেই সমস্যা সমাধানে আরও কিছু গাড়ি কেনার বরাত দেওয়া হয়েছে। পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকায় ১০টি ট্রাক্টর কেনা হচ্ছে। এছাড়াও ওয়ার্ডে কাজে লাগবে এরকম ৭০টি ছোট গাড়িও কিনতে বলা হয়েছে। ৩৫টি ওয়ার্ডে এরকম দু’টি করে গাড়ি দেওয়া হবে। ফলে শহরকে আবর্জনামুক্ত করা অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে।
প্রসঙ্গত শহরের বিভিন্ন জায়গায় খোলা ভ্যাট থাকায় পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। জমা হওয়া আবর্জনা রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ায় পথচারীদের দুর্ভোগে পড়তে হয়। তাই এই পরিবেশ বান্ধব ভ্যাট তৈরির পরিকল্পনা। পাশের শহর মেদিনীপুরেও এরকম ভ্যাট তৈরি হয়েছে। এই ভ্যাটগুলি তিনদিকে দেওয়াল দিয়ে ঘেরা। সামনে সাটার লাগানো। টিনের ছাদও আছে। মোটামুটি একটা ঘরের মতো। নির্দিষ্ট সময়ে এই ভ্যাটের দরজা খোলা বন্ধ করারও নিয়ম আছে। পাশাপাশি এলাকায় রাস্তার ধারে ও বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা আবর্জনা পরিবেশ বন্ধুরা এখানে এনে জমা করবেন। পরে বড় গাড়ি করে সেই আবর্জনা তুলে নিয়ে গিয়ে শহরের বাইরে ডাম্পিং গ্রাউন্ডে ফেলার ব্যবস্থা আছে।
চেয়ারপার্সন বলেন, আবর্জনা বহণ করার জন্য পুরসভার পর্যাপ্ত গাড়ি নেই। সেই সমস্যা সমাধানে আরও কিছু গাড়ি কেনার বরাত দেওয়া হয়েছে। পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকায় ১০টি ট্রাক্টর কেনা হচ্ছে। এছাড়াও ওয়ার্ডে কাজে লাগবে এরকম ৭০টি ছোট গাড়িও কিনতে বলা হয়েছে। ৩৫টি ওয়ার্ডে এরকম দু’টি করে গাড়ি দেওয়া হবে। ফলে শহরকে আবর্জনামুক্ত করা অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে।



