নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ করে কেন্দ্রের প্রশংসা কুড়িয়েছে আসানসোল পুরসভা। এবার শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে মরিয়া পুর কর্তৃপক্ষ কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলেছে। যত্রতত্র নোংরা ফেললে স্পট ফাইন করা হবে। বাড়ি বাড়ি আবর্জনা সংগ্রহে জোর দেওয়ার পাশাপাশি বাড়ি পিছু ৩০ টাকা করে অর্থ সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রতিটি বাড়ি থেকে সাফাই কর্মীরা জৈব ও অজৈব বর্জ্য আবর্জনা পৃথকভাবে সংগ্রহ করবে। তারজন্যই এই অর্থ নেওয়া হবে। এই অর্থ সংগ্রহের পাশাপাশি পুরকর ফাঁকি দেওয়া ঠেকাতে বাড়ি বাড়ি পুরকর সংগ্রহ করার জন্য বেসরকারি সংস্থাকে বরাত দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন আসানসোলের মেয়র বিধান উপাধ্যায়। বুধবার আসানসোল পুরসভার বোর্ড মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই এই সিদ্ধান্তগুলি নেওয়া হয়েছে।আসানসোল পুরসভা চেয়ারম্যান অমরনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, এদিন বৈঠকে মেয়র জানিয়েছেন বাড়িপিছু ৩০ টাকা করে বর্জ্যকর নেওয়া হবে। যাতে শহরকে আরও ভালোভাবে পরিচ্ছন্ন রাখা যায়।
Advertisement
বায়ু দূষণে মুখ ঢেকেছিল আসানসোলের। গত বছর কেন্দ্রের পক্ষ থেকে দূষিত শহরের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। যেসব শহর বেশি দূষিত তাঁদের স্থান পিছনের সারিতে ছিল। সেবার কলকাতার স্থান ছিল ৩৩, আসানসোল তারও পিছনে। স্থান ছিল ৩৫। তারপরই বায়ুদূষণ রোধে নানা পরিকল্পনা করে পুরসভা। বিশেষ করে রাস্তার ধূলিকণাজনিত দূষণ কমাতে জোর দেওয়া হয়। তাতেই সুফল মিলেছে। সাম্প্রতিকালে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, কেন্দ্রের পরিবেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে তাতে শহরের স্থান ১৬।
বায়ু দূষণের পাশাপাশি অপরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে পরিচিত আসানসোল। শহরের সর্বত্র ভ্যাট থেকে নোংরা উপচে পড়ছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডে দুর্গন্ধে টেকা দায়। এই অবস্থা সত্ত্বেও নিজেদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে আন্দোলনে নেমেছিলেন সাফাই কর্মীরা। এদিনের বোর্ড মিটিংয়ে তাঁদের ৫৮ টাকা করে বেতন বৃদ্ধি ও পিএফের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের কাজের নির্দিষ্ট গাইডলাইন আসতে চলেছে। শহর পরিচ্ছন্ন করার সেই খবর মেটাতে এবার পুরবাসীর ঘাড়ে ৩০ টাকা করে কর চাপতে চলেছে। আবার পুরকর ফাঁকি এড়াতে তাই এজেন্সি নিয়োগ করতে চলেছে পুরসভা। এদিন আসানসোল পুরসভার মেয়র বিধান উপাধ্যায় বলেন, বাসিন্দাদের কাছে গিয়ে বকেয়া পুরকর আদায় করার মতো লোকবল আমাদের নেই। তাই এই কাজ করার জন্য এজেন্সি নিয়োগ করার ভাবনা চিন্তা করা হয়েছে। যেসব কারখানাগুলি অবৈধ নির্মাণ করার জন্য ধার্য্য হওয়া ফাইন মেটাননি, তাদেরও দ্রুত ফাইন মেটানোর বিষয়ে বলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জানুয়ারি মাসেই পর্যটকদের জন্য সুখবর দেবে আসানসোল পুরসভা। সেই মাসেই আমরা কল্যাণেশ্বরীতে পুরসভার গেস্ট হাউসের উদ্বোধন করব।
বায়ু দূষণের পাশাপাশি অপরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে পরিচিত আসানসোল। শহরের সর্বত্র ভ্যাট থেকে নোংরা উপচে পড়ছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডে দুর্গন্ধে টেকা দায়। এই অবস্থা সত্ত্বেও নিজেদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে আন্দোলনে নেমেছিলেন সাফাই কর্মীরা। এদিনের বোর্ড মিটিংয়ে তাঁদের ৫৮ টাকা করে বেতন বৃদ্ধি ও পিএফের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের কাজের নির্দিষ্ট গাইডলাইন আসতে চলেছে। শহর পরিচ্ছন্ন করার সেই খবর মেটাতে এবার পুরবাসীর ঘাড়ে ৩০ টাকা করে কর চাপতে চলেছে। আবার পুরকর ফাঁকি এড়াতে তাই এজেন্সি নিয়োগ করতে চলেছে পুরসভা। এদিন আসানসোল পুরসভার মেয়র বিধান উপাধ্যায় বলেন, বাসিন্দাদের কাছে গিয়ে বকেয়া পুরকর আদায় করার মতো লোকবল আমাদের নেই। তাই এই কাজ করার জন্য এজেন্সি নিয়োগ করার ভাবনা চিন্তা করা হয়েছে। যেসব কারখানাগুলি অবৈধ নির্মাণ করার জন্য ধার্য্য হওয়া ফাইন মেটাননি, তাদেরও দ্রুত ফাইন মেটানোর বিষয়ে বলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জানুয়ারি মাসেই পর্যটকদের জন্য সুখবর দেবে আসানসোল পুরসভা। সেই মাসেই আমরা কল্যাণেশ্বরীতে পুরসভার গেস্ট হাউসের উদ্বোধন করব।



