নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: এবার শহরে প্রবেশকর চালু করতে চলেছে পুরুলিয়া পুরসভা। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী জানুয়ারি মাস থেকেই শহরে ঢোকার গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলিতে কর নেওয়া চালু হবে। পুরসভার দাবি, বর্তমানে পুরসভার আয় ব্যয়ের মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে। নিজস্ব তহবিলের আয় বাড়াতেই এই ব্যবস্থা চালু করতে চলেছে পুরসভা।
Advertisement
পুরসভার চেয়ারম্যান নব্যেন্দু মাহালি বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভায় প্রবেশ কর চালু থাকলেও প্রায় ১৫০ বছরের প্রাচীন পুরুলিয়া পুরসভায় সেটা এতদিন ছিল না। পুরসভার আয় বাড়াতে প্রবেশ কর চালু করার বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আমরা ভাবনাচিন্তা করছিলাম। অবশেষে বোর্ড মিটিংয়ে কর নেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। আগামী জানুয়ারি থেকেই কর নেওয়া হবে।
পুরসভা সূত্রের খবর, কর আদায়ের দায়িত্ব এজেন্সিকে দেওয়া হবে। খুব শীঘ্রই এনিয়ে টেন্ডার ডাকা হবে। টেন্ডারে আবেদনকারী এজেন্সিগুলির রাজ্যের যে কোনও পুরসভায় কম করে এক বছর কর আদায়ের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে বলে শর্ত রাখা হচ্ছে।
শহরে প্রবেশের ক্ষেত্রে মূলত চারটি রাস্তা রয়েছে। সেইসব মোড়েই চেকপোস্ট তৈরি করা হবে। রাঁচি রোডের জজ বাংলো, দুলমির সৎসঙ্গ আশ্রম, তেলকল পাড়ার শ্মশান কালীমন্দির এবং বোঙাবাড়ির শ্মশান কালী মন্দিরের কাছে চেকপোস্ট করে প্রবেশ কর আদায় করা হবে। সেইসব চেকপোস্টে কর আদায়ের পরেই গাড়ি ছাড়া হবে। সমস্ত ছোট ও বড় মালবাহী গাড়ি, তিনচাকা ও চারচাকা গাড়ি, সমস্ত যাত্রীবাহী বাসের থেকে কর নেওয়া হবে। পুরসভা সূত্রের খবর, পুরসভা দৈনিক হারে প্রবেশ কর নেওয়ার ব্যাপারে ভাবনাচিন্তা করছে। সে ক্ষেত্রে যেকোনও গাড়ি একবার প্রবেশকর দিলে সেই দিন যতবার খুশি শহরে আসা যাওয়া করতে পারে। পাশাপাশি, শহরের বাইরের গাড়ির তুলনায় শহরের গাড়ির জন্য কিছুটা কম কর ধার্য করা হতে পারে। তবে দৈনিক কর কোনও গাড়ির ক্ষেত্রেই ৫০টাকা অতিক্রম করবে না। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরের গাড়ির মালিকরা চাইলে সারা মাসের কর একবারে জমা করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আরও কিছুটা ছাড় মিলতে পারে।
পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন, সবটাই নিয়ম মেনে করা হচ্ছে। ১৯৯৩ সালের পুরআইন অনুযায়ী পুরসভা এই কর নিতে পারে। তাঁর সংযোজন, পুরুলিয়া পর্যটনের শহর। বছরভর বহু পর্যটক আনাগোনা করেন। পুরআইনেই লেখা আছে যে পুরসভা চাইলে পর্যটকদের গাড়ি পিছু কিংবা মাথাপিছু কর নিতে পারে। এতদিন এই কর নেওয়া হতো না। কিন্তু এখন কর নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে পুরসভা। শুধু তাই নয়, সম্প্রতি পুরসভা বাড়ি বাড়ি আবর্জনা সংগ্রহের জন্যও কর আদায় শুরু করেছে চলতি মাসে থেকেই। পুরসভা সূত্রের খবর, বর্তমানে পুরসভার আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি। শুধুমাত্র পুরসভার কর্মীদের মাইনে দিতেই পুরসভার মাসে ৮০লক্ষ টাকা খরচ হয়। যদিও তার অর্ধেকও আয় নেই পুরসভার। বর্তমানে পুরসভার নিজস্ব তহবিলের অবস্থাও শোচনীয়। সেই কারণে পুরসভা যেকোনও উপায়ে নিজের আয় বাড়াতে চাইছে। যদিও বিরোধীদের খোঁচা, পুরসভা সাধারণ মানুষের উপর করের বোঝা চাপিয়ে নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে চাইছে।
পুরসভা সূত্রের খবর, কর আদায়ের দায়িত্ব এজেন্সিকে দেওয়া হবে। খুব শীঘ্রই এনিয়ে টেন্ডার ডাকা হবে। টেন্ডারে আবেদনকারী এজেন্সিগুলির রাজ্যের যে কোনও পুরসভায় কম করে এক বছর কর আদায়ের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে বলে শর্ত রাখা হচ্ছে।
শহরে প্রবেশের ক্ষেত্রে মূলত চারটি রাস্তা রয়েছে। সেইসব মোড়েই চেকপোস্ট তৈরি করা হবে। রাঁচি রোডের জজ বাংলো, দুলমির সৎসঙ্গ আশ্রম, তেলকল পাড়ার শ্মশান কালীমন্দির এবং বোঙাবাড়ির শ্মশান কালী মন্দিরের কাছে চেকপোস্ট করে প্রবেশ কর আদায় করা হবে। সেইসব চেকপোস্টে কর আদায়ের পরেই গাড়ি ছাড়া হবে। সমস্ত ছোট ও বড় মালবাহী গাড়ি, তিনচাকা ও চারচাকা গাড়ি, সমস্ত যাত্রীবাহী বাসের থেকে কর নেওয়া হবে। পুরসভা সূত্রের খবর, পুরসভা দৈনিক হারে প্রবেশ কর নেওয়ার ব্যাপারে ভাবনাচিন্তা করছে। সে ক্ষেত্রে যেকোনও গাড়ি একবার প্রবেশকর দিলে সেই দিন যতবার খুশি শহরে আসা যাওয়া করতে পারে। পাশাপাশি, শহরের বাইরের গাড়ির তুলনায় শহরের গাড়ির জন্য কিছুটা কম কর ধার্য করা হতে পারে। তবে দৈনিক কর কোনও গাড়ির ক্ষেত্রেই ৫০টাকা অতিক্রম করবে না। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরের গাড়ির মালিকরা চাইলে সারা মাসের কর একবারে জমা করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আরও কিছুটা ছাড় মিলতে পারে।
পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন, সবটাই নিয়ম মেনে করা হচ্ছে। ১৯৯৩ সালের পুরআইন অনুযায়ী পুরসভা এই কর নিতে পারে। তাঁর সংযোজন, পুরুলিয়া পর্যটনের শহর। বছরভর বহু পর্যটক আনাগোনা করেন। পুরআইনেই লেখা আছে যে পুরসভা চাইলে পর্যটকদের গাড়ি পিছু কিংবা মাথাপিছু কর নিতে পারে। এতদিন এই কর নেওয়া হতো না। কিন্তু এখন কর নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে পুরসভা। শুধু তাই নয়, সম্প্রতি পুরসভা বাড়ি বাড়ি আবর্জনা সংগ্রহের জন্যও কর আদায় শুরু করেছে চলতি মাসে থেকেই। পুরসভা সূত্রের খবর, বর্তমানে পুরসভার আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি। শুধুমাত্র পুরসভার কর্মীদের মাইনে দিতেই পুরসভার মাসে ৮০লক্ষ টাকা খরচ হয়। যদিও তার অর্ধেকও আয় নেই পুরসভার। বর্তমানে পুরসভার নিজস্ব তহবিলের অবস্থাও শোচনীয়। সেই কারণে পুরসভা যেকোনও উপায়ে নিজের আয় বাড়াতে চাইছে। যদিও বিরোধীদের খোঁচা, পুরসভা সাধারণ মানুষের উপর করের বোঝা চাপিয়ে নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে চাইছে।



