সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: চব্বিশের লোকসভা ভোটে মাদারিহাট বিধানসভা এলাকায় বিজেপির ১১ হাজার ৬৩ ভোটের লিড ছিল। সেই লিড ভোটের প্রায় পুরোটাই ছিল শহরাঞ্চল ও কৃষিবলয়ে। যদিও চা বাগানের ভোটব্যাঙ্কে ধস নামে বিজেপির। একথা মাথায় রেখে এবার উপ নির্বাচনে তৃণমূল শহরাঞ্চল ও কৃষিবলয়ের বুথগুলিতে বাড়তি নজর দিয়েছিল। বুধবার উপ নির্বাচনে তারই নমুনা দেখা গিয়েছিল। ভোটের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তৃণমূল শহরাঞ্চল ও কৃষিবলয়ের বুথগুলিতে দাপিয়ে বেরিয়েছিল। জেলা নেতৃত্বের নির্দেশে কার্যত বুথগুলিতে মাটি কামড়ে পড়েছিলেন দলের কর্মী-সমর্থকরা। ২৩ নভেম্বর ভোট গণনার আগে এটাই চাপে রেখেছে বিজেপিকে।
Advertisement
বিজেপি এবার অশনি সঙ্কেত দেখছে চা বাগানগুলিতেও। এবার উপ নির্বাচনে বন্ধ ও খোলা বাগানগুলির পরিযায়ী শ্রমিকদের একটা বড় অংশ বুথমুখী হয়নি। তাঁরা ভিনরাজ্য থেকে ভোট দিতে বাড়িই আসেননি। তাঁদের ভোট না দেওয়ার বিষয়টিও চাপে রেখেছে বিজেপিকে। বিজেপি নেতৃত্বও ঘরোয়া আলোচনায় কার্যত সেটা স্বীকার করছে। যদিও বিজেপির আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি সাংসদ মনোজ টিগ্গা শহরাঞ্চল ও কৃষি এলাকায় এবার তাঁদের ভোট কমার বিষয়টি মানতে চাইছেন না। তিনি বলেন, শহরাঞ্চলের সঙ্গে গ্রামীণ এলাকার ভোটাররাও সচেতন। ফলে শহরাঞ্চল বা কৃষিবলয়ের ভোট নিয়ে আমরা চিন্তিত নই। তবে চা বাগানগুলিতে ভোট কম পড়ায় কী হবে তা এখনই নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। তৃণমূলের জেলা চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা বলেন, উপ নির্বাচনে মাদারিহাটের শহরাঞ্চল ও কৃষিবলয়ে নিশ্চিতভাবেই আমাদের ব্যাপক ভোট বাড়বে। চা বলয়েও আমাদের ভোট বাড়বে। শ্রমিকরা জানে রাজ্যই বন্ধ বাগান খোলে ও বাগানে উন্নয়নের কাজ করে।
মাদারিহাটের ২৪টি বাগানের ৭৮টি বুথের মধ্যে চব্বিশের ভোটে বিজেপি ৪০ ও তৃণমূল ৩৮টি বুথে লিড পেয়েছিল। বিজেপি তৃণমূলকে টেক্কা দিয়েছিল শহরাঞ্চল ও কৃষি বলয়ে। সেই শহরাঞ্চল এলাকা বীরপাড়া, গয়েরকাটা, এথেলবাড়ি, বিন্নাগুড়ি বা মাদারিহাটে বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দাঁপিয়ে বেরিয়েছেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। অন্যদিকে, বুথের ক্যাম্প অফিসগুলিতে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের দেখাই মেলেনি।
তৃণমূল কর্মীদের একচেটিয়া দাপটের ছবি দেখা গিয়েছে কৃষি বলয় রাঙালিবাজনা, শিশুবাড়ি, দলদলি, ইসলামাবাদ ও খয়েরবাড়ির বুথগুলিতে। বুথের ক্যাম্প অফিসগুলিতে টেবিল পেতে গুয়া পান নিয়ে ভিড় করে বসেছিলেন কর্মী-সমর্থকরা। সেখানে বিজেপির ক্যাম্প অফিসগুলিতে ছিল কচিকাঁচারা। বিজেপির এই ছন্নছাড়া দশায় স্বভাবতই ২৩ তারিখ গণনার আগে ফুরফুরে মেজাজে ঘাসফুল শিবির।
মাদারিহাটের ২৪টি বাগানের ৭৮টি বুথের মধ্যে চব্বিশের ভোটে বিজেপি ৪০ ও তৃণমূল ৩৮টি বুথে লিড পেয়েছিল। বিজেপি তৃণমূলকে টেক্কা দিয়েছিল শহরাঞ্চল ও কৃষি বলয়ে। সেই শহরাঞ্চল এলাকা বীরপাড়া, গয়েরকাটা, এথেলবাড়ি, বিন্নাগুড়ি বা মাদারিহাটে বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দাঁপিয়ে বেরিয়েছেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। অন্যদিকে, বুথের ক্যাম্প অফিসগুলিতে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের দেখাই মেলেনি।
তৃণমূল কর্মীদের একচেটিয়া দাপটের ছবি দেখা গিয়েছে কৃষি বলয় রাঙালিবাজনা, শিশুবাড়ি, দলদলি, ইসলামাবাদ ও খয়েরবাড়ির বুথগুলিতে। বুথের ক্যাম্প অফিসগুলিতে টেবিল পেতে গুয়া পান নিয়ে ভিড় করে বসেছিলেন কর্মী-সমর্থকরা। সেখানে বিজেপির ক্যাম্প অফিসগুলিতে ছিল কচিকাঁচারা। বিজেপির এই ছন্নছাড়া দশায় স্বভাবতই ২৩ তারিখ গণনার আগে ফুরফুরে মেজাজে ঘাসফুল শিবির।



