নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: শহরে ডেঙ্গুর থাবা। চার নম্বর ওয়ার্ডে ৭৭ বছরের এক বৃদ্ধ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার এই খবর চাউর হতেই নড়েচড়ে বসে পুরসভা। কীভাবে ওই বৃদ্ধ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলেন তা জানার চেষ্টা চলছে পুরসভা ও প্রশাসনের তরফে। এখনও ঠান্ডা যায়নি জলপাইগুড়িতে। তারই মধ্যে শহরে ডেঙ্গু থাবা বসানোয় আলোড়ন ছড়িয়েছে প্রশাসনিক মহলে।
Advertisement
পুরসভা সূত্রে খবর, এবছর এই প্রথম জলপাইগুড়ি শহরে কেউ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলেন। জেলা প্রশাসনের তরফে বারবার ডেঙ্গু রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হচ্ছে। কয়েকদিন আগেই এনিয়ে স্বাস্থ্য আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকও করেছেন জেলাশাসক শমা পারভীন। তারই মধ্যে শহরে ডেঙ্গুর খবরে কিছুটা হলেও উদ্বেগ ছড়িয়েছে। কারণ, গত বছরও জলপাইগুড়ি শহরে ২৩ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়। এবার সংখ্যাটা যাতে কমানো যায় প্রথম থেকেই সেব্যাপারে সচেষ্ট প্রশাসন।
জলপাইগুড়ি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় বলেন, চার নম্বর ওয়ার্ডে এক বৃদ্ধ এদিন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত বলে খবর পেয়েছি। তাঁর কোনও ট্রাভেল হিস্ট্রি আছে কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই বৃদ্ধ একটি আবাসনে থাকেন। সেখানে আর কারও জ্বর রয়েছে কি না, সেটাও দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে ওই এলাকায় আমরা মশা মারার স্প্রে করব। আশপাশে কোথাও জল জমে আছে কি না, খতিয়ে দেখা হবে। ডেঙ্গু রুখতে আমরা যথাসম্ভব পদক্ষেপ নিচ্ছি।
এদিকে পুরসভা সূত্রে খবর, চার নম্বর ওয়ার্ডে যে বৃদ্ধ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন, তিনি চিকিৎসার কারণে সম্প্রতি হায়দরাবাদ গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তিনি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন পুরসভার আধিকারিকরা। ওই বৃদ্ধ বর্তমানে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, চলতি বছরে আগেই জেলায় সাতজন ডেঙ্গু আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। ফলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি এখন বাড়ি বাড়ি জ্বরের আক্রান্ত কেউ আছে কি না, তার সমীক্ষায় জোর দেওয়া হয়েছে।
জলপাইগুড়ি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় বলেন, চার নম্বর ওয়ার্ডে এক বৃদ্ধ এদিন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত বলে খবর পেয়েছি। তাঁর কোনও ট্রাভেল হিস্ট্রি আছে কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই বৃদ্ধ একটি আবাসনে থাকেন। সেখানে আর কারও জ্বর রয়েছে কি না, সেটাও দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে ওই এলাকায় আমরা মশা মারার স্প্রে করব। আশপাশে কোথাও জল জমে আছে কি না, খতিয়ে দেখা হবে। ডেঙ্গু রুখতে আমরা যথাসম্ভব পদক্ষেপ নিচ্ছি।
এদিকে পুরসভা সূত্রে খবর, চার নম্বর ওয়ার্ডে যে বৃদ্ধ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন, তিনি চিকিৎসার কারণে সম্প্রতি হায়দরাবাদ গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তিনি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন পুরসভার আধিকারিকরা। ওই বৃদ্ধ বর্তমানে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, চলতি বছরে আগেই জেলায় সাতজন ডেঙ্গু আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। ফলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি এখন বাড়ি বাড়ি জ্বরের আক্রান্ত কেউ আছে কি না, তার সমীক্ষায় জোর দেওয়া হয়েছে।



