নিজস্ব প্রতিনিধি, নন্দীগ্রাম: ৭জানুয়ারি শহিদস্মরণ সভা ঘিরে তৃণমূল-বিজেপির দ্বৈরথে তপ্ত হয়ে উঠল নন্দীগ্রাম। এদিনের সভা থেকেই তৃণমূল নেতৃত্ব ২০২৬ সালে নন্দীগ্রামের মাটি থেকে গদ্দার ও বেইমান হটানোর ডাক দেয়। ২০০৭সালে নন্দীগ্রামের হার্মাদরাই জার্সি বদল করে এখন বিজেপির সম্পদ বলেও কটাক্ষ করেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তম বারিক। তাঁর আরও সংযোজন, মীরজাফর বেঁচে থাকলে বিজেপিকে দেখে লজ্জা পেত। পাল্টা হুঁশিয়ারি এসেছে বিজেপির থেকেও। সন্দেশখালির শেখ শাজাহানের মতোই নন্দীগ্রামের শেখ সুপিয়ানের পরিণতি হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও নন্দীগ্রামের শেখ সামসুল ইসলাম ও আব্দুল আলিম আলরাজির মতো তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি আসে বিজেপি শিবির থেকে। এদিন শুধুমাত্র নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতৃত্ব নয়, পুলিস অফিসারদেরও চরম হুঁশিয়ারি দেন পদ্মপার্টির নেতারা।
Advertisement
২০০৭ সালের ৭জানুয়ারি খেজুরি থেকে হার্মাদবাহিনী নন্দীগ্রামে ঢুকে পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। তৎকালীন সোনাচূড়ার ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির নেতা নিশিকান্ত মণ্ডলের নেতৃত্বে গ্রামবাসীরা ভাঙাবেড়্যায় জড়ো হন। হার্মাদবাহিনীর গুলিতে প্রথমেই মারা যান ভরত মণ্ডল। বাবার সঙ্গে ভাঙাবেড়্যায় এসে গুলিতে মারা যায় বিশ্বজিৎ মণ্ডল। গ্রামবাসীদের প্রতিরোধের সময় হার্মাদবাহিনীর গুলিতে শেখ সেলিমের মাথার খুলি উড়ে যায়। ওই অবস্থায় তাঁকে খেজুরির দিকে টেনে নিয়ে গিয়ে খালের মধ্যে পুঁতে দেয় হার্মাদবাহিনী। প্রায় দু’-তিন ঘণ্টা পরে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। নন্দীগ্রাম জমি আন্দোলনের প্রথম প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছিল ১৮বছর আগে ৭জানুয়ারি।
প্রতি বছর ৭জানুয়ারি ভোরে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিইউপিসি-র ব্যানারে ভাঙাবেড়্যায় শহিদস্মরণ সভা হয়। মঙ্গলবার ওই সভায় জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তম বারিক, বিধায়ক অখিল গিরি, জেলা তৃণমূল সভাপতি অসিত বন্দ্যোপাধ্যায় ও চেয়ারপার্সন চিত্ত মাইতি ছাড়াও তমলুক পুরসভার চেয়ারম্যান দীপেন্দ্রনারায়ণ রায় সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এদিন প্রায় আড়াইশো মিটার দূরত্বে তৃণমূল ও বিজেপির পক্ষ থেকে শহিদস্মরণ অনুষ্ঠান হয়। তবে, গণ্ডগোল এড়াতে পুলিস দুই দলকে সময় ভাগ করে দিয়েছিল। ভোরবেলায় তৃণমূলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি নেওয়া হয়। সকাল সাড়ে ৬টার মধ্যেই শাসক দলের পক্ষ থেকে ওই কর্মসূচি শেষ করা হয়। তারপর ভাঙাবেড়্যায় শহিদ মিনারে বিজেপির পক্ষ থেকে শহিদস্মরণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। তবে, দুই দলের নেতৃত্ব শহিদস্মরণ মঞ্চ থেকে পরস্পরকে নিশানা করে আক্রমণ করেন। বছর ঘুরলেই ’২৬-র বিধানসভা ভোট। তৃণমূলের পক্ষ থেকে ওই ভোটে বেইমান ও গদ্দারমুক্ত নন্দীগ্রামের স্লোগান তোলা হয়। অপরদিকে, বিজেপির দাবি, ২০২৬ সালের পর থেকে এই মাটিতে তৃণমূলকে শহিদস্মরণ করতে আর দেখা যাবে না।
জেলা পরিষদের সভাধিপতি বলেন, ২০০৭সালে যারা ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির বিরুদ্ধে বোমা-বন্দুক নিয়ে লড়াই করেছিল, সেইসব হার্মাদই আজ বিজেপির ভরসা। মীরজাফর বেঁচে থাকলে এদের দেখে লজ্জা পেত। এক বছর বাদে বিধানসভা নির্বাচন। সভায় উপস্থিত নন্দীগ্রামবাসীর উদ্দেশে সভাধিপতি প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন, এই গদ্দারি ও বেইমানির বদলা নেবেন তো? সভাস্থল থেকে সমস্বরে জবাব আসে-‘হ্যাঁ’।
এদিনের সভায় বিজেপি নেতৃত্বও চড়া সুরে তৃণমূল নেতৃত্বের পাশাপাশি পুলিস অফিসারদের আক্রমণ শানিয়েছে। তমলুক কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার ব্যাঙ্কের ভোট কাঞ্চননগরে করা নিয়ে নিশানা করা হয় তৃণমূলকে। ভোটের দিন বোমাবাজি নিয়েও তৃণমূল নেতাদের এক হাত নেন বিজেপি নেতৃত্ব। ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় হাইকোর্টের নির্দেশে নন্দীগ্রামের ১৩জন এলাকাছাড়া। সেই প্রসঙ্গ টেনে শাসক দলের নেতাদের হুঁশিয়ারি দেয় বিজেপি নেতৃত্ব।
প্রতি বছর ৭জানুয়ারি ভোরে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিইউপিসি-র ব্যানারে ভাঙাবেড়্যায় শহিদস্মরণ সভা হয়। মঙ্গলবার ওই সভায় জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তম বারিক, বিধায়ক অখিল গিরি, জেলা তৃণমূল সভাপতি অসিত বন্দ্যোপাধ্যায় ও চেয়ারপার্সন চিত্ত মাইতি ছাড়াও তমলুক পুরসভার চেয়ারম্যান দীপেন্দ্রনারায়ণ রায় সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এদিন প্রায় আড়াইশো মিটার দূরত্বে তৃণমূল ও বিজেপির পক্ষ থেকে শহিদস্মরণ অনুষ্ঠান হয়। তবে, গণ্ডগোল এড়াতে পুলিস দুই দলকে সময় ভাগ করে দিয়েছিল। ভোরবেলায় তৃণমূলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি নেওয়া হয়। সকাল সাড়ে ৬টার মধ্যেই শাসক দলের পক্ষ থেকে ওই কর্মসূচি শেষ করা হয়। তারপর ভাঙাবেড়্যায় শহিদ মিনারে বিজেপির পক্ষ থেকে শহিদস্মরণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। তবে, দুই দলের নেতৃত্ব শহিদস্মরণ মঞ্চ থেকে পরস্পরকে নিশানা করে আক্রমণ করেন। বছর ঘুরলেই ’২৬-র বিধানসভা ভোট। তৃণমূলের পক্ষ থেকে ওই ভোটে বেইমান ও গদ্দারমুক্ত নন্দীগ্রামের স্লোগান তোলা হয়। অপরদিকে, বিজেপির দাবি, ২০২৬ সালের পর থেকে এই মাটিতে তৃণমূলকে শহিদস্মরণ করতে আর দেখা যাবে না।
জেলা পরিষদের সভাধিপতি বলেন, ২০০৭সালে যারা ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির বিরুদ্ধে বোমা-বন্দুক নিয়ে লড়াই করেছিল, সেইসব হার্মাদই আজ বিজেপির ভরসা। মীরজাফর বেঁচে থাকলে এদের দেখে লজ্জা পেত। এক বছর বাদে বিধানসভা নির্বাচন। সভায় উপস্থিত নন্দীগ্রামবাসীর উদ্দেশে সভাধিপতি প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন, এই গদ্দারি ও বেইমানির বদলা নেবেন তো? সভাস্থল থেকে সমস্বরে জবাব আসে-‘হ্যাঁ’।
এদিনের সভায় বিজেপি নেতৃত্বও চড়া সুরে তৃণমূল নেতৃত্বের পাশাপাশি পুলিস অফিসারদের আক্রমণ শানিয়েছে। তমলুক কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার ব্যাঙ্কের ভোট কাঞ্চননগরে করা নিয়ে নিশানা করা হয় তৃণমূলকে। ভোটের দিন বোমাবাজি নিয়েও তৃণমূল নেতাদের এক হাত নেন বিজেপি নেতৃত্ব। ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় হাইকোর্টের নির্দেশে নন্দীগ্রামের ১৩জন এলাকাছাড়া। সেই প্রসঙ্গ টেনে শাসক দলের নেতাদের হুঁশিয়ারি দেয় বিজেপি নেতৃত্ব।



