কাজলকান্তি কর্মকার, ঘাটাল: শুধু সময়ের অপেক্ষা। আর কয়েক সপ্তাহ পরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বপ্নের প্রজেক্ট দাসপুরের গোল্ডহাবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হতে চলেছে। দাসপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ প্রদীপ পোড়ে জানান, হাব তৈরির কাজ একেবারে শেষ পর্যায়ে। আমরা চাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে হাতে ওই প্রজেক্টের উদ্বোধন করুন। সেই দিনটার জন্যই আমরা সবাই প্রতীক্ষায় রয়েছি। গোল্ডহাব প্রজেক্ট বাস্তবায়িত হতে চলায় অস্বস্তিতে পড়েছে বিজেপি। কারণ, তারা শুরু থেকেই ওই হাব তৈরির বিরোধিতা করে আসছিল। বিজেপি নেতা তথা ঘাটালের বিধায়ক শীতল কপাট বলেন, বহু টাকা খরচ করে গোল্ডহাব হয়েছে ঠিকই। খোলার পর কী হয় দেখুন! কর্মসংস্থানের নামে দলবাজি ছাড়া আর কিছুই হবে না।
Advertisement
২০২০ সালের ৬ অক্টোবর মুখ্যমন্ত্রী পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা সফরে এসে ঘাটাল মহকুমার স্বর্ণশিল্পীদের জন্য গোল্ডহাব তৈরির বিষয়ে সিলমোহর দেন। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সদস্য তথা দাসপুর-২ ব্লক তৃণমূল সভাপতি সৌমিত্র সিংহরায় বলেন, ২০২৩ সালের ১৬ফেব্রুয়ারি জেলা সফরে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাসপুর-২ ব্লকের ফরিদপুরে গোল্ডহাবের শিলান্যাস করেন। শিলান্যাসের পর থেকেই তৎপরতার সঙ্গে কাজ চলতে থাকে। গোল্ডহাবের ভবন তৈরির কাজ প্রায় শেষ হতে চলেছে। এবার শুধু আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের প্রতীক্ষায় রয়েছেন ঘাটাল মহকুমার বাসিন্দারা। ওই ব্লকের শিল্প আধিকারিক ব্যোমকেশ মাইতি বলেন, হাবটি তৈরির জন্য সাত কোটি ৮৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। বিদ্যুৎ সংযোগের কাজ বাকি রয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগও হয়ে যাবে।
ঘাটাল মহকুমার বেশ কয়েক হাজার যুবক সোনার কাজের জন্য কলকাতা, দিল্লি, মুম্বই, আহমেদাবাদ, পুনে, চেন্নাই সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় রয়েছেন। রাজ্যের বাইরে কাজ করতে গিয়ে স্বর্ণশিল্পীদের নানারকম সমস্যায় পড়তে হয়। যাঁরা কম পুঁজির মালিকের কাছে কাজ করেন তাঁদের সারা বছর কাজ থাকে না। সেজন্য বছরের তিন-চার মাস করে বাড়িতে এসে কাটাতে বাধ্য হন স্বর্ণশিল্পীরা। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরই স্বর্ণশিল্পীদের জন্য একটি হাব করার জন্য নানাভাবে চেষ্টা চালানো হয়। প্রদীপবাবু বলেন, ওই হাবে একটি ছাদের নীচে কাঁচা সোনা গালানো থেকে শুরু করে সোনার গয়নার সমস্ত ধরনের ডিজাইনের গয়না তৈরি হবে। প্রাথমিকভাবে একসঙ্গে এক হাজার শিল্পী একই ছাদের নীচে ওই হাবে বসে কাজ করতে পারবেন। বড় উদ্যোগপতিরা ওই হাবগুলিতে নিয়মিত কাজ দেবেন। তাঁরাই ওই হাব থেকে উৎপাদিত গয়না দেশ-বিদেশে রপ্তানি করবেন। ফলে শিল্পীদের কাজ পাওয়া নিয়ে কোনও সমস্যা হবে না। এপ্রিল মাস নাগাদ হাবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।
বাম আমলে স্বর্ণশিল্পীদের নিয়ে এভাবে কখনও ভাবা হয়নি। তাই এই সরকার স্বর্ণশিল্পীদের নিয়ে বিগ বাজেটের পরিকল্পনা নেওয়ায় খুশি স্বর্ণশিল্পীরা। দাসপুরের স্বর্ণশিল্পী তপন মাইতি প্রায় ১৫বছর ধরে চেন্নাইয়ে সোনার কাজ করেন। দাসপুর-২ ব্লকের চাঁইপাটের বলাই মণ্ডল মুম্বইতে ৩০বছরের বেশি সোনার কাজ করছেন। তাঁরা বলেন, বাইরে থেকে কাজ করতে গিয়ে নানারকম সমস্যার মুখে পড়তে হয়। আমাদের মতো যাঁরা কারিগর হিসেবে কাজ করেন তাঁদের আয় খুব কম। কারখানায় ছোট অস্বাস্থ্যকর ঘরের মধ্যে থাকতে হয়। বাড়ির সামনে হাবে কাজ করার সুযোগ পেলে খুব সুবিধা হবে। আমাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে।
ঘাটাল মহকুমার বেশ কয়েক হাজার যুবক সোনার কাজের জন্য কলকাতা, দিল্লি, মুম্বই, আহমেদাবাদ, পুনে, চেন্নাই সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় রয়েছেন। রাজ্যের বাইরে কাজ করতে গিয়ে স্বর্ণশিল্পীদের নানারকম সমস্যায় পড়তে হয়। যাঁরা কম পুঁজির মালিকের কাছে কাজ করেন তাঁদের সারা বছর কাজ থাকে না। সেজন্য বছরের তিন-চার মাস করে বাড়িতে এসে কাটাতে বাধ্য হন স্বর্ণশিল্পীরা। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরই স্বর্ণশিল্পীদের জন্য একটি হাব করার জন্য নানাভাবে চেষ্টা চালানো হয়। প্রদীপবাবু বলেন, ওই হাবে একটি ছাদের নীচে কাঁচা সোনা গালানো থেকে শুরু করে সোনার গয়নার সমস্ত ধরনের ডিজাইনের গয়না তৈরি হবে। প্রাথমিকভাবে একসঙ্গে এক হাজার শিল্পী একই ছাদের নীচে ওই হাবে বসে কাজ করতে পারবেন। বড় উদ্যোগপতিরা ওই হাবগুলিতে নিয়মিত কাজ দেবেন। তাঁরাই ওই হাব থেকে উৎপাদিত গয়না দেশ-বিদেশে রপ্তানি করবেন। ফলে শিল্পীদের কাজ পাওয়া নিয়ে কোনও সমস্যা হবে না। এপ্রিল মাস নাগাদ হাবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।
বাম আমলে স্বর্ণশিল্পীদের নিয়ে এভাবে কখনও ভাবা হয়নি। তাই এই সরকার স্বর্ণশিল্পীদের নিয়ে বিগ বাজেটের পরিকল্পনা নেওয়ায় খুশি স্বর্ণশিল্পীরা। দাসপুরের স্বর্ণশিল্পী তপন মাইতি প্রায় ১৫বছর ধরে চেন্নাইয়ে সোনার কাজ করেন। দাসপুর-২ ব্লকের চাঁইপাটের বলাই মণ্ডল মুম্বইতে ৩০বছরের বেশি সোনার কাজ করছেন। তাঁরা বলেন, বাইরে থেকে কাজ করতে গিয়ে নানারকম সমস্যার মুখে পড়তে হয়। আমাদের মতো যাঁরা কারিগর হিসেবে কাজ করেন তাঁদের আয় খুব কম। কারখানায় ছোট অস্বাস্থ্যকর ঘরের মধ্যে থাকতে হয়। বাড়ির সামনে হাবে কাজ করার সুযোগ পেলে খুব সুবিধা হবে। আমাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে।



