সংবাদদাতা, কাটোয়া: চুরি, আগ্নেয়াস্ত্র পাচারের পাশাপাশি বেলডাঙায় মাদকের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিল ‘গ্যাংস অব জর্দা’। ভিন জেলাতেও এই গ্যাংয়ের নামে মাদক মামলা রয়েছে। কাটোয়ায় আগ্নেয়াস্ত্র পাচারের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া ‘গ্যাংস অব জর্দা’-র সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই তথ্য জানতে পেরেছে পুলিস।
Advertisement
প্রসঙ্গত, ১৯ জানুয়ারি কাটোয়া-বোলপুর রোডের যতীনপুর মোড় থেকে আগ্নেয়াস্ত্র সরবরাহ করতে গিয়ে পুলিসের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিল ওয়াজুল শেখ ওরফে জর্দা ও তার সঙ্গী তাহিদ শেখ। তাদের কাছ থেকে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র, দু’ রাউন্ড গুলি ও একটি বাইক বাজেয়াপ্ত করে পুলিস। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে গ্যাংয়ের বাকি সদস্যদের খোঁজ মেলে। এর আগে ২০২৪ সালের ২৭ জুলাই বুদবুদ থেকে ধাওয়া করে জর্দা, টিলু শেখ ও আরিজুল শেখকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিস। সেবার তারা কাটোয়া মহকুমার দুই থানা এলাকায় দু’ দিনে অন্তত পাঁচটি বাড়িতে হানা দিয়ে সর্বস্ব লুট করে নিয়ে গিয়েছিল। ১৫ জুলাই তারা কাটোয়া থানার ন’নগর গ্রামে একটি বাড়িতে চুরি করেছিল। ওইদিনই জাজিগ্রামে একটি বাড়িতে চুরি করেছিল। ১৯ জুলাই কেতুগ্রামে তিনটি বাড়ি থেকে ২০-২৫ লক্ষ টাকার গয়না চুরি করেছিল। এবছর ২১ জানুয়ারি জর্দাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে লালচাঁদ শেখ, টিলু শেখ, হাসেম শেখ ওরফে হাসান ও রাহুল শেখ নামে তার আরও চার শাগরেদকে পুলিস পাকড়াও করে দীঘা থেকে। তাদের হেফাজতে নিয়ে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করে নানা তথ্য পেয়েছে পুলিস।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ওয়াজুল শেখ ওরফে জর্দা ও তার সঙ্গী লালচাঁদ শেখ দু’ জনেই মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়েছে। মাদক আমদানি করে নিজেরা নেশা করার পাশাপাশি সাপ্লাইও করত। তাতে আরও বেশি টাকা রোজগার হতো। অন্যদিকে গৃহস্থের বাড়ি থেকে চুরি করা গয়না জর্দা তার প্রেমিকাকে সঙ্গে নিয়ে বিক্রি করত। তাতে সন্দেহ কম হতো। ধৃত লালচাঁদের বোন কাটোয়া আদালতে এসে জানান, জর্দা নেশা করার স্বভাবের জন্য তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে পালিয়েছে। তার বৃদ্ধা মা বিড়ি বেঁধে সংসার চালান। অন্যদিকে লালচাঁদ নিজের দুই স্ত্রী ও দুই মেয়েকে বাড়িতে রেখে ভিন রাজ্যে চুল সংগ্রহ করত। পরে সেই পেশা ছেড়ে মাদকের নেশায় ডুবে যায়। যার পরিণতি জর্দার সঙ্গে জেল খাটছে সে। আমাদের ভাবনার শেষ নেই। বেলডাঙাজুড়ে মাদকের কারবার চলছে। পুলিস সব জেনেও চুপ। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বেলডাঙা থেকে নদীয়ার পলাশী খুব দূরে নয়। পলাশীতে এখন মাদকের চাষ হচ্ছে। সেখান থেকেই ‘গ্যাংস অব জর্দা’ মাদক সংগ্রহ করে কারবার চালায়। কাটোয়ায় ভাগীরথী পার হয়ে সহজেই পৌঁছনো যায় মুর্শিদাবাদের বেলডাঙাতে। তাই সহজেই তারা কাটোয়া শহরে এসে অপারেশন চালিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ওয়াজুল শেখ ওরফে জর্দা ও তার সঙ্গী লালচাঁদ শেখ দু’ জনেই মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়েছে। মাদক আমদানি করে নিজেরা নেশা করার পাশাপাশি সাপ্লাইও করত। তাতে আরও বেশি টাকা রোজগার হতো। অন্যদিকে গৃহস্থের বাড়ি থেকে চুরি করা গয়না জর্দা তার প্রেমিকাকে সঙ্গে নিয়ে বিক্রি করত। তাতে সন্দেহ কম হতো। ধৃত লালচাঁদের বোন কাটোয়া আদালতে এসে জানান, জর্দা নেশা করার স্বভাবের জন্য তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে পালিয়েছে। তার বৃদ্ধা মা বিড়ি বেঁধে সংসার চালান। অন্যদিকে লালচাঁদ নিজের দুই স্ত্রী ও দুই মেয়েকে বাড়িতে রেখে ভিন রাজ্যে চুল সংগ্রহ করত। পরে সেই পেশা ছেড়ে মাদকের নেশায় ডুবে যায়। যার পরিণতি জর্দার সঙ্গে জেল খাটছে সে। আমাদের ভাবনার শেষ নেই। বেলডাঙাজুড়ে মাদকের কারবার চলছে। পুলিস সব জেনেও চুপ। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বেলডাঙা থেকে নদীয়ার পলাশী খুব দূরে নয়। পলাশীতে এখন মাদকের চাষ হচ্ছে। সেখান থেকেই ‘গ্যাংস অব জর্দা’ মাদক সংগ্রহ করে কারবার চালায়। কাটোয়ায় ভাগীরথী পার হয়ে সহজেই পৌঁছনো যায় মুর্শিদাবাদের বেলডাঙাতে। তাই সহজেই তারা কাটোয়া শহরে এসে অপারেশন চালিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে।



