সংবাদদাতা, করিমপুর: শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে বাজারে ফলের চাহিদা যেমন বেড়েছে তেমনি পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দামও। ফল ফুলের অগ্নিমূল্যে হাত পুড়ছে ভক্তদের। মঙ্গল ও বুধবার করিমপুরের বাজারে ফলের দোকানের সামনে ছিল ক্রেতাদের ভিড়। বাজারে গত কয়েকদিনে সব ফলের দাম প্রায় ২০-২৫ শতাংশ বেড়েছে। কমলালেবুর দাম কয়েকদিন আগেও ছিল ১০-১২ টাকা প্রতি পিস। এদিন তা বেড়ে হয়েছে ১৫-২০ টাকা। আপেল ১৪০-১৫০ টাকা কেজি থেকে বেড়ে হয়েছে ১৮০-২০০ টাকা, আঙুরের কেজি ১০০ টাকা কেজি থেকে বেড়ে হয়েছে ১২০ টাকা, তরমুজের দাম ২৫ টাকা কেজি থেকে বেড়ে হয়েছে ৪০ টাকা। শসা ৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০ টাকা কেজি হয়েছে। এক ডজন কলার দাম ছিল ২৫ টাকা, এখন তা হয়েছে ৪০ টাকা। ১০০-১২০ টাকা কেজির খেজুরের দাম বেড়ে হয়েছে ২০০-২৫০ টাকা। ২০০ টাকার বেদানা ২৫০ টাকা, ৩০ টাকার ডাব ৫০ টাকা, পেঁপে ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকা কিংবা কুল ৩৫ থেকে বেড়ে ৮০ টাকা হয়েছে। অন্যদিকে শিব পুজোতে ব্যবহৃত আকন্দ ধুতরা ফুলের দামও যথেষ্ট বেশি।
Advertisement
করিমপুরের রিক্তা চক্রবর্তী বলেন, লক্ষ্মীপুজো হোক কিংবা শিবপুজো সবেতেই পুজোর উপকরণ হিসাবে বিভিন্ন ফল এবং ফুল কিনতে হয়। আর প্রত্যেক পুজোর সময় জিনিসের দাম বেড়ে যায়। কিন্তু উপায় না থাকায় সবাইকে বাজারের চড়া দরেই কিনতে হচ্ছে। যে আকন্দ ফুল সারা বছর রাস্তার পাশে গাছে অযত্নে পড়ে থাকে আজ সেই ফুলের ছোট্ট মালা কুড়ি টাকা দামে কিনতে হল। প্রতিটি ধুতরা ফুল ফলের দাম দশ টাকা। একটি বেল কুড়ি টাকা এবং একটি আতা বিকচ্ছে দশ টাকায়।
কদিন পরেই শুরু হচ্ছে রমজান মাস। বাজারের ফলের দাম যদি বেশি থাকে তবে সমস্যায় পড়তে হবে রোজা পালন করা ইসলাম ধর্মের মানুষদের। করিমপুরের গাড়ি চালক কাশেম মণ্ডল বলেন, হাতে মাত্র কটা দিন, তারপরেই রোজা শুরু হচ্ছে। রমজান মাস শুরু হওয়ায় আগে বাজারে ফলের যেভাবে বেড়েছে তাতে ফলের দাম এখন আর কমবে বলে মনে হয়না। পরিবারের পাঁচ জন সদস্য রোজা রাখেন। আমাদের সামান্য রোজগারে সকলের মুখে যে একটু ফলমূল তুলে দেব, সে উপায় নেই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ফল বিক্রেতা বলেন, কলকাতার পাইকারি বাজার থেকে ঠিকমতো মাল পাওয়া যাচ্ছে না। তা ছাড়া গাড়িতে করে যে ফলের পেটি আসে, তার মধ্যে থেকে পচা ফল বাদ দিতে হয়। যে দামে ফল কেনা হচ্ছে, তার সঙ্গে পচা ফল বাদ দিয়ে আমাদের বিক্রি করতে হচ্ছে। সেই কারণেও ফলের দাম বাড়ছে। করিমপুরের ফল ব্যবসায়ী বিশ্বনাথ মণ্ডল বলেন, হঠাৎ করে ফলের দাম অনেকটাই বেড়েছে, এটা ঠিক। কিন্তু এই দাম নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা আমাদের হাতে নেই।
কদিন পরেই শুরু হচ্ছে রমজান মাস। বাজারের ফলের দাম যদি বেশি থাকে তবে সমস্যায় পড়তে হবে রোজা পালন করা ইসলাম ধর্মের মানুষদের। করিমপুরের গাড়ি চালক কাশেম মণ্ডল বলেন, হাতে মাত্র কটা দিন, তারপরেই রোজা শুরু হচ্ছে। রমজান মাস শুরু হওয়ায় আগে বাজারে ফলের যেভাবে বেড়েছে তাতে ফলের দাম এখন আর কমবে বলে মনে হয়না। পরিবারের পাঁচ জন সদস্য রোজা রাখেন। আমাদের সামান্য রোজগারে সকলের মুখে যে একটু ফলমূল তুলে দেব, সে উপায় নেই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ফল বিক্রেতা বলেন, কলকাতার পাইকারি বাজার থেকে ঠিকমতো মাল পাওয়া যাচ্ছে না। তা ছাড়া গাড়িতে করে যে ফলের পেটি আসে, তার মধ্যে থেকে পচা ফল বাদ দিতে হয়। যে দামে ফল কেনা হচ্ছে, তার সঙ্গে পচা ফল বাদ দিয়ে আমাদের বিক্রি করতে হচ্ছে। সেই কারণেও ফলের দাম বাড়ছে। করিমপুরের ফল ব্যবসায়ী বিশ্বনাথ মণ্ডল বলেন, হঠাৎ করে ফলের দাম অনেকটাই বেড়েছে, এটা ঠিক। কিন্তু এই দাম নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা আমাদের হাতে নেই।



