নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে দুবরাজপুর ব্লকের বক্রেশ্বর মন্দির সেজে উঠছে। সূদুর বেঙ্গালুরু থেকে ফুল নিয়ে আসা হয়েছে। এছাড়াও মন্দির চত্বর আলোর রোশনাইয়ে সেজে উঠতে শুরু করেছে। সেইসঙ্গে মেলার প্রস্তুতিও চলছে। জোরকদমে শেষ মূহূর্তের কাজ চলছে। যদিও মন্দির কর্তৃপক্ষ কিছুটা হলেও হতাশ। কর্তৃপক্ষ মনে করছে, কুম্ভের জেরে এবার বক্রেশ্বরে পুণ্যার্থীদের আগমন কিছুটা হলেও কম হবে। তবে ঐতিহ্যবাহী মন্দিরকে কেন্দ্র করে ভক্তদের ঢল সামলাতে জেলা পুলিস ও প্রশাসন আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে মন্দির চত্বর থেকে শুরু করে মেলা প্রাঙ্গণে নজরদারি চালানো হবে। নিরাপত্তা আরও সুনিশ্চিত করতে মন্দির চত্বর ও মেলা প্রাঙ্গণে একাধিক ওয়াচ টাওয়ার তৈরি করা হয়েছে। এছাড়াও ড্রোনের সাহায্যে নজরদারি চালানো সম্ভব কি না, তা নিয়ে জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ পুলিসের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারে। বীরভূম জেলা পুলিস সুপার আমনদীপ বলেন, প্রতি বছরের মতো এবছরও নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকছে।
Advertisement
শিবরত্রি উপলক্ষ্যে আগামী কাল অর্থাৎ বুধবার থেকে মেলা শুরু হবে। মন্দির লাগোয়া দেবপুকুর ও চন্দ্রসাইয়ের পাড়ে মেলার আসর বসবে। টানা তিনদিন ধরে মেলা চলবে। মন্দির কমিটির তরফে জানা গিয়েছে, শিবরাত্রিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে মন্দিরের গর্ভগৃহ সাজিয়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে। বেঙ্গালুরু থেকে আনা গোলাপ সহ ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা দিয়ে মন্দির সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। সেইসঙ্গে মন্দির চত্বর সহ রাস্তাজুড়ে আলোর রোশনাই থাকবে। মন্দিরে আসা পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে ছেলে ও মেয়েদের জন্য পৃথক লাইনের বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে ভক্তদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার কাজও সমান্তরালভাবে চলছে। প্রায় ৩০টি সিসি ক্যামেরার সাহায্যে মন্দির চত্বর সহ মেলা প্রাঙ্গণে নজরদারি চালানো হবে। পৃথক তিনটি ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমেও নজরদারি চলবে।
শিবরাত্রিকে কেন্দ্র করে মন্দির সেজে ওঠার পাশাপাশি মেলার প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবছর মন্দিরের অদূরেই দু’দিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। বক্রেশ্বর মন্দির কমিটির সভাপতি তথা পুরোহিত অলোক চৌধুরী বলেন, বুধবার সকাল ন’টার পর থেকেই পুণ্যার্থীরা শিবের মাথায় জল ঢালার সুযোগ পাবেন। পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত পুণ্যার্থীদের আনাগোনা থাকবে। তবে কুম্ভের জেরে পুণ্যার্থীদের সংখ্যা কিছুটা হলেও কম হতে পারে।
জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম বলেন, শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে মেলার আয়োজন শুরু হয়েছে। আমাদের তরফে পুণ্যার্থীদের সুযোগ সুবিধার নানা দিক সুনিশ্চিত করা হবে। সেইসঙ্গে নিরাপত্তার দিকটিতেও গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে। এব্যাপারে ড্রোনের সাহায্য নেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে পুলিসের সঙ্গে আলোচনা করব।
শিবরাত্রিকে কেন্দ্র করে মন্দির সেজে ওঠার পাশাপাশি মেলার প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবছর মন্দিরের অদূরেই দু’দিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। বক্রেশ্বর মন্দির কমিটির সভাপতি তথা পুরোহিত অলোক চৌধুরী বলেন, বুধবার সকাল ন’টার পর থেকেই পুণ্যার্থীরা শিবের মাথায় জল ঢালার সুযোগ পাবেন। পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত পুণ্যার্থীদের আনাগোনা থাকবে। তবে কুম্ভের জেরে পুণ্যার্থীদের সংখ্যা কিছুটা হলেও কম হতে পারে।
জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম বলেন, শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে মেলার আয়োজন শুরু হয়েছে। আমাদের তরফে পুণ্যার্থীদের সুযোগ সুবিধার নানা দিক সুনিশ্চিত করা হবে। সেইসঙ্গে নিরাপত্তার দিকটিতেও গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে। এব্যাপারে ড্রোনের সাহায্য নেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে পুলিসের সঙ্গে আলোচনা করব।



