Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

শিবনিবাসে ২টি বেআইনি জলের সংযোগ কাটলেন মহকুমা শাসক

শিবনিবাসে ২টি বেআইনি জলের সংযোগ কাটলেন মহকুমা শাসক
  • ৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, কৃষ্ণনগর: শুক্রবার কৃষ্ণগঞ্জে শিবনিবাসে দাঁড়িয়ে থেকে দু’টি অবৈধ জলের সংযোগ কাটলেন সদর মহকুমা শাসক। জলজীবন মিশনের কাজ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী অসন্তোষ প্রকাশের পর জেলাশাসকের নির্দেশে বিডিও, আইসি’রা গ্রামে গ্রামে ঘুরে তদন্তে নেমেছিলেন। যা দেখেছেন, তাতে তাঁদের চোখ ছানাবড়া। গ্রামে গ্রামে একশ্রেণির মানুষ বেআইনিভাবে মোটর লাগিয়ে ছাদে রাখা ট্যাঙ্কে জল তুলছে।
Advertisement
পিএইচই’র ইঞ্জিনিয়াররা এনিয়ে থানায় অভিযোগ করেছেন। এখনও পর্যন্ত জেলায় ২৮০০ ও কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকে ১০০’র বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে। বিষয়টি রাজ্য সরকারকে জানিয়েছেন পিএইচই’র জেলা আধিকারিক সুমিত বাগচী। এবার সেসব অবৈধ সংযোগ কাটা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসনের লক্ষ্য, জলজীবন মিশনে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে জেলার ১২ লক্ষ পরিবারের কাছে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া। এখনও অবধি ১০লক্ষের বেশি বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। ৮৭ শতাংশ বাড়িতে জলের সংযোগ মিলেছে। কিন্তু সংযোগ পেলেও অনেকের বাড়িতে জল পৌঁছচ্ছে না। কারও কারও বাড়িতে জল পৌঁছলেও তা ধীরগতিতে পড়ছে। তার অন্যতম কারণ একশ্রেণির মানুষের মোটর লাগিয়ে বেআইনিভাবে জল তোলা। জেলাশাসক অরুণ প্রসাদ বলেন, বিষয়টি আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিচ্ছি। সদর মহকুমাশাসক শারদ্বতী চৌধুরী এদিন অভিযোগ পেয়ে শিবনিবাসের কৃষ্ণপুর গ্রামে যান। সেখানে পরিস্রুত পানীয় জল জমিয়ে রেখে পাইপের মাধ্যমে মাঠে সেচের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল। মহকুমা শাসক ঘটনাস্থলে পৌঁছে জলের ওই সংযোগ কেটে দেন। তিনি বলেন, দু’টি জায়গায় পানীয় জল অবৈধভাবে মাঠে সেচের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল। সেই লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে। কৃষ্ণগঞ্জের বিডিও সৌগতকুমার সাহা বলেন, আমরা ব্লকে ঘুরে দেখেছি, কোনও বাড়িতে ভালোই জল মিলছে। কিন্তু তারা মোটরের সাহায্যে জল তোলায় পাশের বাড়িতে জল পৌঁছচ্ছে না। এভাবে জল তোলা সমস্ত সংযোগ কেটে দেওয়া হয়েছে।
সম্পর্কিত সংবাদ