নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্ৰামে দীপাবলির উৎসব মাইকের দৌরাত্ম্যে ম্লান হল। পুজোর মণ্ডপে মণ্ডপে চলে শব্দদানবের তান্ডব। গত শনিবার রাতে ঝাড়গ্ৰাম থানার খানাকুল গ্ৰামে পুজো মণ্ডপে মাইক বাজানো বন্ধ করাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। গ্ৰামের উপর বাগমারি পুজো কমিটির সদস্যরা পুলিস বাহিনীর সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। পুলিস এই ঘটনায় বুবাই দলয় নামে এক তরুণকে গ্ৰেপ্তার করেছে।
Advertisement
ঝাড়গ্ৰাম জেলায় শব্দবাজি নিয়ন্ত্রণে এবার পুলিস প্রথম থেকেই সতর্ক ছিল। এবছর জেলা সেভাবে শব্দবাজির দাপট সেভাবে দেখা যায়নি। কিন্তু, মাইকের দৌরাত্ম্যে জেলাবাসীর প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়। কালীপুজোর মণ্ডপগুলিতে দিনে রাতে তারস্বরে মাইক বেজেছে। শব্দদানবের তান্ডব থেকে রক্ষা পেতে বাসিন্দারা ঘন ঘন থানায় ফোন করছেন। পুলিসের তরফেও তৎপরতার সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যদিও ঝাড়গ্ৰাম ব্লকের বাঁধগড়া পঞ্চায়েতের খানাকুল গ্ৰামে গিয়ে পুলিসকে বাধার মুখে পড়তে হয়।
গত শনিবার রাতে অভিযোগ পেয়ে ঝাড়গ্ৰাম থানার পুলিসের একটি বাহিনী ওই এলাকায় যায়। কমিটির সদস্যদের মাইক বাজানো বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পুজো কমিটির বেশ কয়েকজন সদস্য মাইক বাজানো বন্ধ করতে অস্বীকার করে। এরপরেই পুলিস ও কমিটির সদস্যদের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি শুরু হয়। পুজো কমিটির প্রবীণ সদস্যরা খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি সামাল দেন। অশান্তি পাকানোর ঘটনায় এক তরুণকে গ্ৰেপ্তার করে পুলিস।
পুজো কমিটির সম্পাদক সজন বেরা বলেন, গতকাল রাত ১২টার দিকে মণ্ডপে কমিটির অল্পবয়সী সদস্যরা নাচগান করছিল। ঘটনার সময় আমি মণ্ডপে ছিলাম না। রাতে মাইক বাজানো বন্ধ করার নির্দেশ আগেই দেওয়া ছিল। সেই কথা তারা শোনেনি। পরিস্থিতি সামলানোর আগেই কমিটির কয়েকজন ছেলের সঙ্গে পুলিসের হাতাহাতি হয়। পুলিসের কাছে এই ঘটনার জন্য ক্ষমাপ্রার্থনাও করেছি। স্থানীয় তৃণমূল নেতা রাজেন হাঁসদা বলেন, মাঝরাতে তারস্বরে মাইক বাজানো কোনভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। কালীপুজোর দিন থেকেই এই এলাকার অনেক পুজো মণ্ডপেই রাতে তারস্বরে মাইক বাজানো হচ্ছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা সমস্যায় পড়েছেন। পুজো কমিটির সদস্যদের মানুষের অসুবিধা নিয়ে কোনও হুঁশ নেই। অবাক লাগছে পুলিসকেও এরা মানতে চাইছে না। ঝাড়গ্রাম থানার এক পুলিস অফিসার বলেন, শনিবার রাত ১২টার দিকে খানাকুল গ্ৰাম থেকে মাইক বাজার অভিযোগ জানিয়ে কেউ ফোন করেন। এরপরেই পুলিসের একটি দল গ্ৰামের উপরপাড়া এলাকার যায়। মণ্ডপে উপস্থিত কমিটির সদস্যদের মাইক বাজানো বন্ধ করতে বলা হয়। তাতে বেশ কয়েকজন পুলিসের দিকে তেড়ে আসে। ফলে বচসা ও হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। যার জেরে ঘটনাস্থল উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুজো কমিটির প্রবীণ সদস্যরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেন। ঝাড়গ্ৰামের এসডিপিও শামিম বিশ্বাস বলেন, খানাকুল গ্ৰামে মাইক বাজানোকে কেন্দ্র করে অশান্তি হয়েছিল। একজনকে গ্ৰেপ্তার করা হয়েছে। গ্ৰামের পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে।
গত শনিবার রাতে অভিযোগ পেয়ে ঝাড়গ্ৰাম থানার পুলিসের একটি বাহিনী ওই এলাকায় যায়। কমিটির সদস্যদের মাইক বাজানো বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পুজো কমিটির বেশ কয়েকজন সদস্য মাইক বাজানো বন্ধ করতে অস্বীকার করে। এরপরেই পুলিস ও কমিটির সদস্যদের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি শুরু হয়। পুজো কমিটির প্রবীণ সদস্যরা খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি সামাল দেন। অশান্তি পাকানোর ঘটনায় এক তরুণকে গ্ৰেপ্তার করে পুলিস।
পুজো কমিটির সম্পাদক সজন বেরা বলেন, গতকাল রাত ১২টার দিকে মণ্ডপে কমিটির অল্পবয়সী সদস্যরা নাচগান করছিল। ঘটনার সময় আমি মণ্ডপে ছিলাম না। রাতে মাইক বাজানো বন্ধ করার নির্দেশ আগেই দেওয়া ছিল। সেই কথা তারা শোনেনি। পরিস্থিতি সামলানোর আগেই কমিটির কয়েকজন ছেলের সঙ্গে পুলিসের হাতাহাতি হয়। পুলিসের কাছে এই ঘটনার জন্য ক্ষমাপ্রার্থনাও করেছি। স্থানীয় তৃণমূল নেতা রাজেন হাঁসদা বলেন, মাঝরাতে তারস্বরে মাইক বাজানো কোনভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। কালীপুজোর দিন থেকেই এই এলাকার অনেক পুজো মণ্ডপেই রাতে তারস্বরে মাইক বাজানো হচ্ছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা সমস্যায় পড়েছেন। পুজো কমিটির সদস্যদের মানুষের অসুবিধা নিয়ে কোনও হুঁশ নেই। অবাক লাগছে পুলিসকেও এরা মানতে চাইছে না। ঝাড়গ্রাম থানার এক পুলিস অফিসার বলেন, শনিবার রাত ১২টার দিকে খানাকুল গ্ৰাম থেকে মাইক বাজার অভিযোগ জানিয়ে কেউ ফোন করেন। এরপরেই পুলিসের একটি দল গ্ৰামের উপরপাড়া এলাকার যায়। মণ্ডপে উপস্থিত কমিটির সদস্যদের মাইক বাজানো বন্ধ করতে বলা হয়। তাতে বেশ কয়েকজন পুলিসের দিকে তেড়ে আসে। ফলে বচসা ও হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। যার জেরে ঘটনাস্থল উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুজো কমিটির প্রবীণ সদস্যরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেন। ঝাড়গ্ৰামের এসডিপিও শামিম বিশ্বাস বলেন, খানাকুল গ্ৰামে মাইক বাজানোকে কেন্দ্র করে অশান্তি হয়েছিল। একজনকে গ্ৰেপ্তার করা হয়েছে। গ্ৰামের পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে।



