নয়াদিল্লি: টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানালেও সাদা বলের ক্রিকেটে খেলা চালিয়ে যাবেন মহম্মদ সামি। তারকা পেসার নামবেন প্রথম শ্রেণির ম্যাচেও। ফলে বাংলার হয়ে রনজিতে নতুন বল হাতে আক্রমণে দেখা যাবে তাঁকে। তবে ৬৪ টেস্টে ২২৯ উইকেট নেওয়া সামি নিশ্চিতভাবেই মিস করবেন ক্রিকেটের ধ্রুপদী আসরকে। ভারতীয় পেসারদের মধ্যে উইকেট সংখ্যায় কপিল দেব (৪৩৪), জাহির খান (৩১১), ইশান্ত শর্মা (৩১১), জাভাগল শ্রীনাথ (২৩৬) ও যশপ্রীত বুমরাহর (২৩৪) পরেই রয়েছেন তিনি।
অনেকেই মনে করছেন যে, টেস্টে আরও সুযোগ প্রাপ্য ছিল সামির। জাতীয় দলের প্রাক্তন কোচ ও ধারাভাষ্যকার রবি শাস্ত্রী যেমন সাফ বলেছেন, ‘অসাধারণ কেরিয়ার। আমার সৌভাগ্য যে, কোচ থাকার সময় ওকে দলে পেয়েছি। ভারতের সাফল্যের নেপথ্যে ওর বড়ো অবদান ছিল। সামি না থাকলে আমাদের পেস বোলিং আক্রমণ তীক্ষ্ণতা হারাত। বিশ্ব ক্রিকেটে ওর মতো সিমের ব্যবহার কেউ করে না। উইকেট না পেলেও ব্যাটারদের সারাক্ষণ চাপে রাখতে পারত। সেজন্যই ওর অবসরের সিদ্ধান্তে মন খারাপ লাগছে। আরও ৩০-৪০টা টেস্ট উইকেট ওর নামের পাশে থাকা উচিত ছিল। গত এক বছরে দেশের হয়ে খেলার জায়গায় থাকলেও সুযোগ পায়নি। এই নিউজিল্যান্ড সফরে টেস্ট সিরিজের দলে ও থাকলে ভালো হত।’ আর এক প্রাক্তন ক্রিকেটার মদন লাল বলেছেন, ‘পরিসংখ্যানেই প্রতিফলিত যে, সামি ঠিক কোন মাপের বোলার। বহু ম্যাচ-জেতানো পারফরম্যান্স মেলে ধরেছে। গত কয়েক মাস ধরে জাতীয় দলে প্রতাবর্তনের অপেক্ষায় ছিল। রনজি ট্রফিতে ভালো বল করছে, উইকেট নিচ্ছে। তাই আশা করাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তা পূর্ণ হয়নি। সেজন্যই দুঃখে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
মহম্মদ আজহারউদ্দিনের কথায়, ‘দেশের হয়ে এত বছর ধরে সেরাটা উজাড় করে দিয়েছে সামি। অবসরের সিদ্ধান্ত তাই বেদনাদায়ক। ভবিষ্যতের জন্য শুভেচ্ছা রইল।’ ইরফান পাঠান সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘লাল বলের ক্রিকেটে অসাধারণ কেরিয়ারের জন্য অভিনন্দন। তোমার ডেলিভারির লেট মুভমেন্ট মিস করব।’



