লন্ডন: ইন্ট্রা-স্কোয়াড ম্যাচে পারফরম্যান্স দেখে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের দল বেছে নেওয়াই ছিল ভারতীয় টিম ম্যানজেমেন্টের লক্ষ্য। অধিকাংশ ক্রিকেটারই প্রত্যাশা ছাপিয়ে গিয়েছেন। তার মধ্যে অন্যতম শার্দূল ঠাকুর। ভালো বোলিংয়ের পাশাপাশি সেঞ্চুরিও এসেছে ৩৩ বছর বয়সি পেস অলরাউন্ডারের ব্যাটে। মাত্র ৬৮ বলে ১২২ রানে নট আউট থাকেন তিনি। সেটাও যশপ্রীত বুমরাহ, মহম্মদ সিরাজ, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা, অর্শদীপ সিংদের পিটিয়ে। ফলে প্রথম একাদশ চয়নের কাজটা কঠিন হয়ে গেল কোচ গম্ভীরের পক্ষে।
বড় রান পেয়েছেন লোকেশ রাহুল, শুভমান গিল। উইকেটকিপার ব্যাটার ঋষভ পন্থ ছিলেন ছন্দে। তবে ব্যাটারদের থেকে বোলারদের উপর কোচের নজর ছিল বেশি। কারণ, ইংল্যান্ডের পিচের সঙ্গে ভারতীয় বোলারদের মানিয়ে নিতে কোনও সমস্যা হচ্ছে কিনা, সেটা দেখে নিতে চাইছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা, বুমরাহরা ১৫-২০ ওভার করে হাত ঘুরিয়েছেন। প্রথম দু’দিনে বাড়তি সুইং ছিল তাঁদের বোলিংয়ে। পরের দিকে স্পিনারদের পারফরম্যান্সও ছিল ইতিবাচক। তাই এক দিন বাকি থাকতেই ইন্ট্রা-স্কোয়াড ম্যাচ শেষ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত গন্তব্য লিডস। সেখানেই ভারত-ইংল্যান্ড প্রথম টেস্ট ২০ জুন। আপাতত ক্রিকেটারদের একদিন বিশ্রাম দেওয়া হচ্ছে। ১৭ জুন অধিকাংশ ক্রিকেটারই লিডস রওনা হবেন। এদিকে, মায়ের অসুস্থতার কারণে দেশে ফিরেছেন কোচ গম্ভীর। তাই ব্যাক-আপ হিসেবে ভিভিএস লক্ষ্মণকে লন্ডনে পাঠানো হয়েছে। তবে গম্ভীরের মা এখন বিপন্মুক্ত। গিলদের হেডস্যার খুবই শীঘ্রই হয়তো দলের সঙ্গে যোগ দেবেন।
প্রস্তুতি ম্যাচে নজর কেড়েছেন ভারতের দুই স্পিনার রবীন্দ্র জাদেজা ও কুলদীপ যাদব। প্রথম টেস্টে তাঁদের মধ্যে কে খেলার সুযোগ পাবেন, তা বলা কঠিন। তবে জাড্ডু-ভাইয়ের সঙ্গে জুটি উপভোগ করছেন বলে জানিয়েছেন কুলদীপ। তিনি বলেন, ‘যখনই কোনও সমস্যা হয়, জাড্ডু ভাইয়ের পরামর্শ নিই। প্রস্তুতি ম্যাচে আমরা দু’জনেই বোলিং উপভোগ করেছি। বিলেতে খেলতে এসে যথেষ্ট উত্তেজিত আমি। সুযোগ পেলে আক্রমণাত্মক বোলিং করব। কন্ডিশন নিয়ে খুব একটা ভাবছি না। তবে রোদ উঠলে বল টার্ন করবে বেশি। সেটা প্রস্তুতি ম্যাচ দেখেই বুঝেছি।’ ক্যাপ্টেন শুভমান প্রসঙ্গে কুলদীপের মন্তব্য, ‘ও জানে কীভাবে নেতৃত্ব দিতে হয়। রোহিত-ভাইয়ের অধীনে খেলে অনেক কিছুই শিখেছে। ও সতীর্থদের খুবই উজ্জীবিত করে। আমার মতে, অধিনায়ক হিসেবে গিল সফল হবে।’