Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

৯ জুন থেকেই ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাঠে নামছে শান্তিপুর পুরসভা

৯ জুন থেকেই ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাঠে নামছে শান্তিপুর পুরসভা
  • ২৭ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: মৌসম ভবন জানিয়ে দিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই দেশে বর্ষা প্রবেশ করেছে। নিম্নচাপের কারণে বাংলায় টানা বৃষ্টি চলছে। এই পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধেও আগেভাগেই কাজ শুরু করতে চলেছে শান্তিপুর পুরসভা। সাধারণত জুনের শেষদিক থেকে ডেঙ্গুবিরোধী অভিযান শুরু হলেও এবার জুনের শুরু থেকেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। গত বছরের রেকর্ড অক্ষত রাখতেই পুরসভার এমন উদ্যোগ।

Advertisement

পুরসভার স্বাস্থ্যবিভাগের চেয়ারম্যান কাউন্সিলের সদস্য শুভজিৎ দে বলেন, গত বছরের মতো শান্তিপুর শহরকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে লার্ভাসাইড স্প্রে করা হয়েছে। যে সমস্ত বাড়িতে কেউ থাকেন না, সেই বা঩ড়িগুলি আমরা নজরে রেখেছি। কারণ বহুদিন বন্ধ থাকায় সেখানে জল জমে ডেঙ্গু মশার লার্ভা জন্মাতে পারে।
গঙ্গার পূর্বপাড়ে নদীয়া জেলার অন্যতম জনবহুল শহর শান্তিপুর। ২৪ ওয়ার্ড বিশিষ্ট শহরটি বহু প্রাচীন জনপদ হওয়ায় পরিকল্পনাহীন রাস্তা, ঘিঞ্জি পরিবেশ, নিকাশি সমস্যায় জেরবার। ফলে শান্তিপুর পুরসভার পক্ষে ডেঙ্গু মোকাবিলা যথেষ্ট কঠিন। তা সত্ত্বেও গতবার সারাবছর ধরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে অভিযান চলায় ২৪টি ওয়ার্ডে একজনও এই মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হননি। যদিও ২০২৩সালে সেই গ্রাফ অনেকটাই ঊর্ধ্বমুখী ছিল। ২০২৫সালেও শহরকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে পুরসভার স্বাস্থ্যবিভাগ তৎপর রয়েছে। যেহেতু কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে, তাই বিক্ষিপ্তভাবে নানা এলাকায় জল জমার সম্ভাবনা আছে। নিম্নচাপের ভ্রূকুটির কারণে আরও কয়েকদিন এই বৃষ্টি চলবে। ফলে জমা জলে মশার লার্ভা জন্মাতে পারে। এছাড়া, বর্ষাও দক্ষিণ ভারতে নির্ধারিত সময়ের আগেই ঢুকেছে। তাই পুরো পরিস্থিতি বিচার করে এবার ডেঙ্গুবিরোধী অভিযান কিছুটা এগিয়ে এনেছে শান্তিপুর পুরসভা।
ঠিক হয়েছে, ৯জুন থেকেই ডেঙ্গুবিরোধী অভিযান শুরু হবে। শহরের ১, ২, ৫, ২৪ নম্বর ওয়ার্ডকে এজন্য অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ শান্তিপুর শহরের এসমস্ত এলাকা আগে থেকেই ডেঙ্গুপ্রবণ বলে চিহ্নিত। সূত্রের খবর, ১৮মার্চ থেকেই ‘পালস মোডে’ অর্থাৎ ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ শুরু হয়েছে। কর্মীদের পাঁচদিনের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পর নিকাশিনালা সাফাই, লার্ভাসাইড স্প্রে, জলা চিহ্নিত করার মতো নানা কাজ হয়েছে। পুরসভা জানিয়েছে, ৯জুনের পর থেকে পুরকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সচেতন করবেন, যাতে পরিত্যক্ত জিনিসে জল জমতে না দেওয়া হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ