Bartaman Logo
১৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

হামলার পরও বেঁচে ছিলেন শংকর, ফুটেজ পুলিশের হাতে

দোকানে ডাকাতদের তাণ্ডব নিজের চোখেই দেখেছিলেন বরানগরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী শংকর জানা। দুষ্কৃতীদের মারধরের পরও কিছুক্ষণ জীবিত ছিলেন তিনি।

হামলার পরও বেঁচে ছিলেন শংকর, ফুটেজ পুলিশের হাতে
  • ১০ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: দোকানে ডাকাতদের তাণ্ডব নিজের চোখেই দেখেছিলেন বরানগরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী শংকর জানা। দুষ্কৃতীদের মারধরের পরও কিছুক্ষণ জীবিত ছিলেন তিনি। ডাকাতরা চলে যাওয়ার পর তিনি মেঝে থেকে উঠে বসে ড্রয়ার হাতড়ে সোনার খোঁজ করেছিলেন। এরপর দেওয়ালে ঠেস দিয়ে কিছু সময় বসে থাকার পর ধীরে ধীরে গড়িয়ে পড়েন মেঝেতে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে শেষ মুহূর্তের এই মর্মান্তিক পরিণতি ধরা পড়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, তাঁর হাতের কাছে জল থাকলে বা স্থানীয়রা আরও কিছু সময় আগে তাঁকে উদ্ধার করতে পারলে হয়তো তিনি চিকিৎসার সুযোগ পেতেন। বারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মুরলীধর শর্মা বলেন, ‘দুষ্কৃতীরা চলে যাওয়ার পরও ওই ব্যবসায়ী মিনিট দশেক বেঁচে ছিলেন। সিসি ক্যামেরায় সেই ফুটেজ রয়েছে। তিনি ঠিকমতো শ্বাস নিতে পারছিলেন না। ঘটনায় যুক্ত বাকি দুই দুষ্কৃতীর খোঁজে জোরদার তল্লাশি চালানো হচ্ছে।’

Advertisement

৬২ বছর বয়সেও যথেষ্ট শক্তপোক্ত ছিলেন শংকরবাবু। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে পুলিশ জেনেছে, প্রথমে দুই দুষ্কৃতী ক্রেতা হিসেবে দোকানে ঢোকে। তাদের সঙ্গে গয়না কেনাকাটা নিয়ে কথাও হয়। কয়েক মিনিটের মধ্যে আরও দুই দুষ্কৃতী ঢুকে শংকরবাবুর চোখে-মুখে লঙ্কার গুঁড়ো ছড়িয়ে দেয়। নাকে-মুখে ঢুকে যাওয়ায় শ্বাসকষ্ট ও জ্বালা শুরু হয়। তিনি চিৎকার শুরু করতেই দুই দুষ্কৃতী তাঁর গলা ও মুখে চেপে ধরে। অপর এক দুষ্কৃতী দোকানে থাকা লোহার দণ্ড দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করলে তিনি লুটিয়ে পড়েন। অবাধে লুটপাট চালানোর পর দুষ্কৃতীরা তাঁর পা বেঁধে চম্পট দেয়। কিছু সময়ের মধ্যে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন স্বর্ণ ব্যবসায়ী।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ