Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

গল্প করতেন না, জানালা দিয়ে আকাশ দেখতেন শংকর

শুধু খোলা জানালা দিয়ে দেখতেন আকাশ। আর উত্তরবঙ্গ সম্পর্কে জানতে চাইতেন।

গল্প করতেন না, জানালা দিয়ে আকাশ দেখতেন শংকর
  • ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: শুধু খোলা জানালা দিয়ে দেখতেন আকাশ। আর উত্তরবঙ্গ সম্পর্কে জানতে চাইতেন। শুক্রবার প্রয়াত সাহিত্যিক শংকর সম্পর্কে এমন স্মৃতিচারণ করলেন উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক উৎপল মণ্ডল। এদিকে, এক দশক আগে ‘চৌরঙ্গীর’ স্রষ্টা ওই সাহিত্যিককে সম্মানীয় ডিলিট প্রদান করেছিল উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। তাই সাহিত্যিকের মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয় সহ গোটা উত্তরবঙ্গে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। 

Advertisement

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তন হয়। সেখানেই ডিলিট দেওয়া হয় ‘চৌরঙ্গীর’ স্রষ্টা মণিশংকর মুখোপাধ্যায়কে। এজন্য তিনি ওই সময় দু’দিন শিলিগুড়িতে ছিলেন। সেই সময় তাঁর সঙ্গে প্রায় সর্বক্ষণ ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সেসময়ের বিভাগীয় প্রধান উৎপলবাবু। এদিন সাহিত্যিকের মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি ভেঙে পড়েন। 
তিনি বলেন, দশ বছর আগে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মণিশংকরবাবুকে নিয়ে এসেছিলাম। তিনি সাহিত্য জগতে শংকর নামে পরিচিত ছিলেন। সেই সময় তিনি এখানে আড়াই দিনের মতো হোটেলে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলাম আমি। সেই সময় তাঁর বয়স ছিল ৮১ থেকে ৮২’র মধ্যে। তিনি আমাকে ‘একাএকা একাশি’ বইটি উপহার দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি ভীষণ ব্যতিক্রমী চরিত্রের মানুষ ছিলেন। কলকাতা কেন্দ্রীক নগর জীবন নিয়ে তিনি লেখালেখি করলেও অন্যদের মতো অতিরিক্ত কথা বলতেন না। শুধু জানালা দিয়ে খোলা আকাশ দেখতেন। আর খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়, উত্তরবঙ্গের মানুষের জীবন যাত্রা, শিলিগুড়ির অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইতেন। 
উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ভাস্কর বিশ্বাস বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে প্রয়াত সাহিত্যিকের সম্পর্ক অনেকদিনের। তিনি এখানকার অন্যতম শুভাকাঙ্খী ছিলেন। তাঁর প্রয়াণে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। উত্তরবঙ্গের বিশিষ্ট সাংবাদিক পল্লব বসু বলেন, কর্মসূত্রেই সাহিত্যিক শংকের সঙ্গে পরিচয়। তিনি উত্তরবঙ্গে এলেই সাক্ষাৎ হত। ছ’বছর আগে শিলিগুড়ির একটি সাহিত্য সভায় তাঁকে নিয়ে এসেছিলাম। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত আমরা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ