কল্যাণী: জমে উঠেছে রনজি ট্রফির সেমি-ফাইনাল। প্রথম ইনিংসে লিডের জন্য জম্মু ও কাশ্মীরের দরকার আরও ১৩০ রান। হাতে ৫ উইকেট। বাংলার ৩২৮ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিনের শেষে সফরকারী দলের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৯৮। বাংলার লক্ষ্য দ্রুত জম্মু ও কাশ্মীর ইনিংসে দাঁড়ি টানা। পাঁচ দিনের সেমি-ফাইনালে প্রথম ইনিংসে লিড নিশ্চিত করে সুরক্ষিত থাকতে চাইছে লক্ষ্মীরতন শুক্লার দল। সেক্ষেত্রে ম্যাচ ড্র হলেও প্রথম ইনিংসের নিরিখে খুলে যাবে ফাইনালের দরজা।
সোমবার ২৪৯-৫ নিয়ে খেলতে নেমেছিল বাংলা। চারশোর কাছাকাছি স্কোর চাইছিল শিবির। কিন্তু তা হয়নি। সুদীপ ঘরামি ১৪৬ রানে ফিরতেই নামে ধস। তাঁর ২৪৬ বলের ইনিংসে ছিল ২১টি চার ও একটি ছক্কা। হাবিব গান্ধী (৪), আকাশ দীপ (৭), মহম্মদ সামিরা (১) পরপর ফেরেন। তবে সুমন্ত গুপ্ত (৩৯) সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছে দেন দলকে। মুকেশ কুমার অপরাজিত থাকেন ১১ রানে। জম্মু ও কাশ্মীরের সফলতম বোলার যথারীতি আকিব নবি। সেমি-ফাইনালেও ৫ উইকেট নেন তিনি (৫-৮৭)। সঙ্গতে ছিলেন সুনীল কুমার (৩-৪১)।
জবাবে জম্মু ও কাশ্মীর ইনিংসের শুরুতেই জোড়া ধাক্কা দেন মহম্মদ সামি। দুই ওপেনার শুভম খাজুরিয়া ও ইয়ায়ের হাসানকে এলবিডব্লু করেন তিনি। এরপর শুভম পুন্দিরকে ফেরান মুকেশ কুমার। ১৩-৩, জম্মু ও কাশ্মীর তখন কাঁপছে। এই পরিস্থিতিতেই চতুর্থ উইকেটে ১৪৩ রান যোগ করেন ক্যাপ্টেন পরশ ডোগরা ও আব্দুল সামাদ। শেষ পর্যন্ত সামাদ (৮২) শিকার হন সামিরই। পরের ওভারেই মুকেশের শিকার পরশ (৫৮)। অবিচ্ছন্ন ষষ্ঠ উইকেটে ৪২ রান যোগ করেছেন কানহাইয়া (১০) ও আবিদ মুস্তাক (২৬)।
এদিকে, লখনউয়ে অন্য সেমি-ফাইনালে উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে রানের পাহাড়ে কর্ণাটক (৬৮৯-৬)। ক্যাপ্টেন দেবদূত পাদিক্কাল উপহার দেন ২৩২ রানের অনবদ্য ইনিংস। এছাড়া সেঞ্চুরি করেন রবিচন্দ্রন স্মরণ (অপরাজিত ১২১)। আগের দিনই শতরান করেছিলেন লোকেশ রাহুলও।