Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

লজ্জার হার ইস্ট বেঙ্গলের, সুপার সিক্সে অনিশ্চিত বিনো ব্রিগেড

রবিবারের ছুটির দিন। ভাতঘুম তুলে রেখে প্রিয় দলের ম্যাচ দেখতে বারাকপুরে হাজির অসংখ্য ইস্ট বেঙ্গল সমর্থক। দু’চোখে জয়ের হ্যাটট্রিকের স্বপ্ন। কিন্তু কোথায় কী!

লজ্জার হার ইস্ট বেঙ্গলের, সুপার সিক্সে অনিশ্চিত বিনো ব্রিগেড
  • ৪ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

ইস্ট বেঙ্গল- ০     :     পুলিস এসি- ২ (আমিল, মৃন্ময়)

Advertisement

শিবাজী চক্রবর্তী, বারাকপুর: রবিবারের ছুটির দিন। ভাতঘুম তুলে রেখে প্রিয় দলের ম্যাচ দেখতে বারাকপুরে হাজির অসংখ্য ইস্ট বেঙ্গল সমর্থক। দু’চোখে জয়ের হ্যাটট্রিকের স্বপ্ন। কিন্তু কোথায় কী! পুলিস এসি’র  কাছে ০-২ গোলে হেরে লজ্জায় মাথাকাটা যাওয়ার জোগাড়। চলতি মরশুমে সবচেয়ে খারাপ ম্যাচটা খেলল বিনোর দল। ৭ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ১১। অন্যদিকে, মোহন বাগানের পর ইস্ট বেঙ্গলকেও বশ মানিয়ে গ্রুপ শীর্ষে উঠে এল পুলিস এসি। সমসংখ্যক ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ১৪ পয়েন্ট। ফলে অনিশ্চিত হয়ে পড়ল মশালবাহিনীর সুপার সিক্সে ওঠা। চলতি ঘরোয়া লিগে ইস্ট বেঙ্গলের এটি দ্বিতীয় হার। ক্ষুব্ধ সমর্থকরা ‘গো ব্যাক বিনো’ স্লোগানও দিলেন।
দু’দিন আগে ইস্ট বেঙ্গল দিবসের অনুষ্ঠানে হাজির ছিল বিনো ব্রিগেড। উৎসবের রেশ বোধহয় এখনও কাটেনি। প্রথমার্ধে জলমুড়ির মতো মিইয়ে রইল ইস্ট বেঙ্গল। রামসাঙ্গা, মার্ক জো, নাসিবরা পাল্লা দিয়ে খারাপ খেললেন। এরই মধ্যে ১৩ মিনিটে লিড নেয় পুলিস। ডানদিক থেকে সুদীপ দাসের সেন্টারে পা ছুঁইয়ে জাল কাঁপান মহম্মদ আমিল (১-০)। গোল খেয়ে পুরনো ফর্মে লাল-হলুদ রক্ষণ। মার্ক জো, সুমনরা ঠকঠকিয়ে কাঁপলেন। ২৪ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ নষ্ট করলেন সেই আমিল। এক্ষেত্রে তাঁর শট পোস্টে প্রতিহত হয়। বিরতির আগে বর্ষীয়ান উজ্জ্বল হাওলাদারের শট বার কাঁপিয়ে বাইরে যায়। রামসাঙ্গারা তখন স্রেফ দর্শক। রিয়াল কাশ্মীর থেকে রামসাঙ্গাকে সই করিয়েছে লাল-হলুদ থিঙ্কট্যাঙ্ক। বিরতির আগে অরক্ষিত অবস্থায় বল পেয়েও বারাকপুর থেকে তা ওড়ালেন কাশ্মীরে। আসলে পুলিস এসিকে বোধহয় হালকাভাবে নিয়েছিলেন তন্ময়, নাসিবরা। কিন্তু ঘরোয়া লিগ কঠিন ঠাঁই। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের ফল মিলেছে হাতেনাতে। 
বিরতির পরেও ছবিটা পাল্টায়নি। ৪৭ মিনিটে লাকরাকে জমি ধরিয়ে শট নিয়েছিলেন আমিল। কোনওরকমে চাপড়ে বাঁচান আদিত্য। কল্যাণীর হিরো লাকরা এদিন জিরো। লক্ষ্যভেদ করতে সামনে পাস খেলা জরুরি। বদলে স্কোয়্যার পাসে খেই হারাল ইস্ট বেঙ্গল। বিনো জমানায় সবচেয়ে করুণ হাল আমনের। কেরালাইট কোচের কোলের ছেলে তিনি। অতিরিক্ত বল হোল্ড করে খেলার বারোটা বাজালেন। এরমধ্যেই ৭৫ মিনিটে ২-০। অবসরের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাওয়া হাওলাদার শোল্ডার পুশে ছিটকে দিলেন মার্ক জোকে। তাঁর সেন্টার থেকে গোল মৃন্ময় মহাপাত্রের। তালপাতার সেপাইদের পয়সা খরচ করে সই করানো হয়। যাঁদের পাতে দেওয়াই দায়। এত নিম্নমানের ফুটবলাররা লাল-হলুদ জার্সি পরেন কী করে?
ইস্ট বেঙ্গল: আদিত্য, সুমন, চাকু, প্রভাত (কৌস্তুভ), মার্ক, তন্ময়, নাসিব, সায়ন (শ্যামল), রামসাঙ্গা (আশিক এস/গুইতে), আশিক কে (আমন) ও ডেভিড।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ