সংবাদদাতা, বহরমপুর: পণের দাবি মেটাতে না পারায় সাগরপাড়ার এক যুবতীর উপর শারীরিক নির্যাতন এবং তাঁকে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠল নদীয়া জেলার হোগলবেড়িয়ায়। মৃতার নাম সনামিকা চৌধুরী(২০)। শুক্রবার রাতে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতার বাবা শুক্রজিৎ চৌধুরি জানান, মেয়ের শ্বশুর-শাশুড়ি ও স্বামীর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ জানাবেন। পুলিস একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্তে নেমেছে।
Advertisement
সনামিকার বাপের বাড়ি সাগরপাড়ায়। দু’বছর আগে নদীয়ার হোগলবেড়িয়া থানার নাসিরপাড়ার এক যুবকের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। অভিযোগ, পেশায় কৃষিজীবী ওই যুবক বিয়ের পর থেকেই একটি মোটরবাইকের জন্য চাপ দিতেন। মৃতার মা কল্পনা চৌধুরী বলেন, মোটরবাইক দিতে না পারায় মেয়ের উপর শ্বশুর-শাশুড়ি ও স্বামী যথেচ্ছ শারীরিক নির্যাতন চালাত। মেয়ে অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বাড়ি ফিরে এসেছিল। দুই পরিবার কথা বলে ৩০ ডিসেম্বর ফের সনামিকাকে শ্বশুরবাড়ি রেখে আসেন ওর বাবা। কিন্তু তারপর ফের অত্যাচার শুরু হয়।
শুক্রজিৎবাবু বলেন, ৩ জানুয়ারি মেয়েকে মারধর করে ঘাসমারা কীটনাশক খাইয়ে দেওয়া হয়। তা জানতে পেরে আমরা গিয়ে মেয়েকে সাগরপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করি। সেদিনই চিকিৎসক মুর্শিদাবাদ মেডিক্যালে স্থানান্তরিত করে দেন। শুক্রবার রাত আড়াইটে নাগাদ সেখানেই আমার মেয়ে শেষ নিঃশ্বাস ফেলে। এঘটনায় সনামিকার বাবা-মা কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। শুক্রজিৎবাবু বলেন, তিনজনের নামে খুনের অভিযোগ দায়ের করব। তাদের কঠোর শাস্তি চাই।
শুক্রজিৎবাবু বলেন, ৩ জানুয়ারি মেয়েকে মারধর করে ঘাসমারা কীটনাশক খাইয়ে দেওয়া হয়। তা জানতে পেরে আমরা গিয়ে মেয়েকে সাগরপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করি। সেদিনই চিকিৎসক মুর্শিদাবাদ মেডিক্যালে স্থানান্তরিত করে দেন। শুক্রবার রাত আড়াইটে নাগাদ সেখানেই আমার মেয়ে শেষ নিঃশ্বাস ফেলে। এঘটনায় সনামিকার বাবা-মা কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। শুক্রজিৎবাবু বলেন, তিনজনের নামে খুনের অভিযোগ দায়ের করব। তাদের কঠোর শাস্তি চাই।



