সংবাদদাতা, লালবাগ: শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে সাগরদিঘি থানার নওপাড়ার শতাব্দী প্রাচীন রাস উৎসব। এই উৎসব এবার ১২৪ বছরে পড়ল। রাস উৎসবকে কেন্দ্র করে উন্মাদনা লক্ষ্য করা গেল নওপাড়া সহ পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলিতেও। মন্দির সহ বিস্তীর্ণ এলাকা আলোকমালায় সাজিয়ে তোলা হয়েছে। বসেছে গ্রামীণ মেলা। প্রাচীন রীতি অনুযায়ী চতুর্থ দিন অর্থাৎ সোমবার উৎসবের সমাপ্তি হলেও রাধাকৃষ্ণের যুগল মূর্তি এবং গ্রামীণ মেলা আরও দু’ দিন থাকবে বলে রাসমেলা কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে। নওপাড়ার রাস উৎসবে শামিল হতে দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতেই আজিমগঞ্জ, মণিগ্রাম, চাঁদপাড়া, পলশন্ডা সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ ভিড় জমান। গ্রামে দুর্গাপুজো হলেও গ্রামবাসীরা রাস উৎসবের জন্য বছরভর অপেক্ষা করে থাকেন।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভগবান সাহানা নামে এক ব্যক্তির হাত ধরে ১৯০১ সালে নওপাড়ার রাস উৎসব শুরু হয়। সাহানা পরিবার একটানা ২০-২৫ বছর উৎসব চালানোর পর নওপাড়ার বাসিন্দারা দায়িত্ব নেন। রাস উৎসবের জন্য ভগবান সাহানা ১৫ কাঠা জায়গা দান করেন। সেই জায়গায় পাকা মন্দির গড়ে উঠেছে। ওই মন্দিরেই রাস উৎসব হয়ে আসছে। রাস উৎসবের পাশাপাশি মন্দিরে দুর্গা, লক্ষ্মীপুজোও হয়। রাসমেলা উপলক্ষ্যে গ্রামে মেলা বসেছে। নওপাড়ার রাস মেলার প্রধান বৈশিষ্ট্য একাধিক খাবারের দোকান। ৩০-৩৫টি মিষ্টির দোকান হয়েছে।
এছাড়া রেস্টুরেন্ট, মনোহারি জিনিসের দোকান রয়েছে। মেলায় বিনোদনের উপকরণ হিসেবে রয়েছে নাগরদোলা, চরকি, মিকি মাউস, বোটিং প্রভৃতি। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতেই মেলায় দর্শনার্থীদের সমাগম শুরু হয়। বিকেল ৪টে থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত মেলা চলে। গ্রামবাসীরা বলেন, কাজের সূত্রে যে যেখানেই থাকুক না কেন সবাই রাসের আগে বাড়ি ফিরে আসেন। হই হুল্লোড়, গল্পগুজবের মধ্য দিয়ে উৎসবের দিনগুলি কীভাবে যে কেটে যায় বুঝতে পারা যায় না। গত ৫৬ বছর ধরে খাবারের দোকান নিয়ে মেলায় আসছেন সুফলচন্দ্র মণ্ডল। তিনি বলেন, গ্রামীণ মেলা হলেও প্রচুর মানুষের সমাগম হয়। ভালো বেচাকেনা হয়। রাস উৎসব কমিটির সভাপতি অর্ক সরকার বলেন, গ্রামে দুর্গাপুজো হলেও রাস উৎসব এখানকার প্রধান উৎসব। রাস উৎসব উপলক্ষ্যে প্রায় প্রত্যেক বাড়িতে আত্মীয়, বন্ধুবান্ধব আসেন। রাসকে ঘিরে গ্রামে প্রায় এক সপ্তাহ উৎসবের মেজাজ থাকে। উৎসবের শেষ অর্থাৎ চতুর্থ দিনে প্রচুর আদিবাসী পুরুষ মহিলার সমাগম হয়। উৎসব শুরুর প্রথম থেকে এই রীতি চলে আসছে।
এছাড়া রেস্টুরেন্ট, মনোহারি জিনিসের দোকান রয়েছে। মেলায় বিনোদনের উপকরণ হিসেবে রয়েছে নাগরদোলা, চরকি, মিকি মাউস, বোটিং প্রভৃতি। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতেই মেলায় দর্শনার্থীদের সমাগম শুরু হয়। বিকেল ৪টে থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত মেলা চলে। গ্রামবাসীরা বলেন, কাজের সূত্রে যে যেখানেই থাকুক না কেন সবাই রাসের আগে বাড়ি ফিরে আসেন। হই হুল্লোড়, গল্পগুজবের মধ্য দিয়ে উৎসবের দিনগুলি কীভাবে যে কেটে যায় বুঝতে পারা যায় না। গত ৫৬ বছর ধরে খাবারের দোকান নিয়ে মেলায় আসছেন সুফলচন্দ্র মণ্ডল। তিনি বলেন, গ্রামীণ মেলা হলেও প্রচুর মানুষের সমাগম হয়। ভালো বেচাকেনা হয়। রাস উৎসব কমিটির সভাপতি অর্ক সরকার বলেন, গ্রামে দুর্গাপুজো হলেও রাস উৎসব এখানকার প্রধান উৎসব। রাস উৎসব উপলক্ষ্যে প্রায় প্রত্যেক বাড়িতে আত্মীয়, বন্ধুবান্ধব আসেন। রাসকে ঘিরে গ্রামে প্রায় এক সপ্তাহ উৎসবের মেজাজ থাকে। উৎসবের শেষ অর্থাৎ চতুর্থ দিনে প্রচুর আদিবাসী পুরুষ মহিলার সমাগম হয়। উৎসব শুরুর প্রথম থেকে এই রীতি চলে আসছে।



